ভোলা জেলা সমিতি-চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন। 

সবাইকে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহমর্মিতার চর্চা করতে হবে-  ইফতার ও দোয়া মাহফিলে আবু সুফিয়ান, এমপি।

প্রেস রিলিজ

পবিত্র রমজান মাস আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোলা জেলা সমিতি-চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল জিইসি মোডস্থ একটি রেস্টুরেন্টে গত ১৪ মার্চ শনিবার সম্পন্ন হয়েছে। মহাফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান।

ভোলা জেলা সমিতি-চট্টগ্রাম এর সভাপতি এ.জেড.এম ফারুকের সভাপতিত্বে ও অর্থ সম্পাদক মো. ফিরোজ চৌধুরীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন – সমিতির উপদেষ্টা লায়ন আবুল কাশেম এমজেএফ,উপদেষ্টা  চট্টগ্রাম বন্দর কতৃপক্ষের সাবেক ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার মোঃ মোতাহার উদ্দিন, উপদেষ্টা মোঃ নুরনবী,   বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের উর্ধ্বতন  বিভাগীয় কর্মকর্তা ও সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব ও সাবেক উপদেষ্টা এম..জহিরুল আলম।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন -সাধারণ  সম্পাদক – মো. জিল্লুর রহমান, যুগ্ন -সাধারণ সম্পাদক কিরন শর্মা, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চবি  অধ্যাপক- ড. আব্দুল করিম, দপ্তর ও প্রকাশনা সম্পাদক  – এড. আবু হানিফ, সহ সভাপতি – মো. তসলিম, ৬ নং আঞ্চলিক পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোসলেহ উদ্দিন বাহার,

ভোলা জেলা ছাত্র ফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক – রাসেল মির্জা, বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য মোঃ ইব্রাহিম ফরাজী,  ভোলা জেলা সমিতির স্বাস্থ্য বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য সচিব মোঃ  শেখ শরীফ, ৪ নং আঞ্চলিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক  মোঃ . নজরুল ইসলাম দুলাল,১নংআঞ্চলিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব  আবুল কাশেম মাস্টার, সহ- সভাপতি আমিনুর রহমান লিটন, ২নং আঞ্চলিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন আকাশ,

সহ- সভাপতি – মো. আলমগির, ৩নং আঞ্চলিক পরিষদের  সহ-সভাপতি  ফিরোজ কোম্পানি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমিতির  আজীবন সদস্য সেলিম খলিফা, লিবার্টি স্কুল এন্ড কলেজের চেয়ারম্যান  এবং সমিতির আজীবন সদস্য মাহবুবুর রহমান সেলিম,  ৪নং   আঞ্চলিক পরিষদের  সহ-সভাপতি জুয়েল রানা,  ৪নং   আঞ্চলিক পরিষদের যুগ্ন – সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম প্রমূখ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন  ৫নং আঞ্চলিক পরিষদের  সভাপতি হাফেজ মাওলানা মো. মোসলেহ উদ্দিন।

মাহফিলে প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেন-পবিত্র রমজান মাস আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস। এ মাসে সবাইকে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহমর্মিতার চর্চা করতে হবে। তিনি বলেন, মানবতার সেবা সব চাইতে বড় সেবা। সামাজিক সংগঠন গুলোর স্বেচ্ছাসেবকরা  সমাজের মানুষের জন্য কাজ করে থাকে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ