আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট এর আজীবন সদস্য হলেন কবি রিপন শান ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কবি রিপন শান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট এর আজীবন সদস্যপদ লাভ করেছেন ।
নজরুল ইনস্টিটিউট এর নির্বাহী পরিচালক দেশবরেণ্য গীতিকবি লতিফুল ইসলাম শিবলী ১৫ মার্চ ২০২৬ দুপুরে
কবি রিপন শান এর হাতে অফিসিয়ালি আজীবন সদস্য পদের প্রত্যয়ন তুলে দিয়েছেন ।

শৈশব থেকেই নজরুলানুরাগী ও নজরুল কবিতার দরাজকণ্ঠের আবৃত্তিশিল্পী কবি রিপন শান পেশায় কলেজ শিক্ষক ও সাংবাদিক । তিনি ভোলার লালমোহনের বদরপুর মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক # বাংলা দীর্ঘদিন ধরে অধ্যাপনায় নিয়োজিত আছেন। স্বতন্ত্রধারার সংবাদপত্র দৈনিক অমৃতালোক এর ফিচার এডিটর হিসেবে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন ।

১৯৯৮ সালে বরেণ্য অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী সম্পাদিত পাক্ষিক নটনন্দন দিয়ে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করা বহুমাত্রিক লেখক সংগঠক রিপন শান বিভিন্ন সময়ে যুক্ত ছিলেন- সাপ্তাহিক বর্তমান সংলাপ, সাপ্তাহিক খবরের কাগজ (আজকের কাগজ), সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজ, সাপ্তাহিক দ্বীপকথা,দৈনিক খবরপত্র, বাংলারিপোর্ট২৪, বজ্রকণ্ঠ, দৈনিক দেশজনপদ, দৈনিক বাংলাদেশ বাণী, ইউরোসমাচার,ইউরোবাংলাটাইমস,

বিডিনিউজ২৪ইউরোপ, দৈনিক ভোরের আকাশসহ দেশী-বিদেশী বিভিন্ন গণমাধ্যমে। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা থেকে প্রকাশিত বাংলা গণমাধ্যম ইউরোবাংলাটাইমসে ম্যানেজিং এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন টানা তিন বছর । অস্ট্রিয়া বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের বাংলাদেশ কো- অর্ডিনেটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন টানা পাঁচ বছর।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অবিস্মরণীয় “কবিকণ্ঠে আবৃত্তি সন্ধ্যা ২০০৭” অনুষ্ঠানের গ্রন্থিক ও উপস্থাপক, লালমোহন উপজেলা শিল্পকলা একাডমির নির্বাচিত সাবেক সাধারণ সম্পাদক কবি রিপন শান, টানা তিন টার্ম লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

তাঁর সনদীয় নাম মোঃ শাহাবুদ্দিন রিপন । লেখালেখি, সমাজকর্ম ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে রিপন শান নামেই সমধিক পরিচিত। মূলত কবি হিসেবে সমাদৃত হলেও তুখোড় বক্তা, আবৃত্তিশিল্পী, উপস্থাপক, মঞ্চ নাট্যকার, নির্দেশক, লিটলম্যাগ সম্পাদক, সাংবাদিক, কলেজ শিক্ষক, সমাজকর্মীএবং কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও বহুমাত্রিক পরিচয় রয়েছে তাঁর।

১৯৭৫ সালের ৩ মার্চ দ্বীপজেলা ভোলার লালমোহন উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা গ্রামে এক বনেদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন । পিতা একাত্তরের রণাঙ্গনের বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ মরহুম সালাউদ্দিন আহমাদ। মাতা লালমোহনের প্রথম এন্ট্রান্স শিক্ষিতা মরহুমা বেগম রওশান আরা পঞ্চায়েত। পিতামহ মরহুম মাওলানা মনসুর আহমাদ গোল্ডমেডেলিস্ট ছিলেন ভোলা সরকারি কলেজের খ্যাতিমান অধ্যাপক। মাতামহ মরহুম দানবীর মজিবুর রহমান পঞ্চায়েত ছিলেন লালমোহন ইউপির জননন্দিত চেয়ারম্যান ।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অভিমানী সাবেক ছাত্র রিপন শান ঢাকা কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। জীবনের শিক্ষাধারায় তিনি- চতলা বোর্ড মডেল গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুল, লালমোহন মডেল হাইস্কুল, সরকারি তিতুমীর কলেজ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ এর মেধাবী ছাত্র ছিলেন । চিত্রনায়ক বুলবুল আহমেদের তত্ত্বাবধায়নে ঢাকার স্বপ্নীল একাডেমি থেকে তিনমাসমেয়াদী নাট্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন । স্বরকল্পন আবৃত্তিচক্র থেকে শুদ্ধ উচ্চারণ, বাচনিক উৎকর্ষ ও আবৃত্তির মাসব্যাপী কর্মশালায় ঋষভ (প্রথম শ্রেণী) অর্জন করেন ।

রিপন শান ব্র্যাক সিইপি প্রযোজিত গণনাটক নতুন সকাল এর কেন্দ্রীয় মাস্টার চরিত্রে ৫৬ টি শোতে অনবদ্য অভিনয় করে সাউন্ডবাংলা কর্তৃক জাতীয় পর্যায়ে সংবর্ধিত হয়েছেন । আব্দুল গাফফার চৌধুরী রচিত, বাংলার মুখ প্রযোজিত ‘পলাশী থেকে ধানমন্ডি’ নাটকের বোস্টার চরিত্রের সফল অভিনেতা । সাংস্কৃতিক কর্মধারায় বিভিন্ন সময়ে যুক্ত ছিলেন- ক্রান্তি, উদীচি, স্বপ্নকুঁড়ি, কপোতাক্ষ সাহিত্য পরিষদ, বাঙালি সংস্কৃতি মঞ্চ, বাঙালি সাংস্কৃতিক বন্ধন, ন্যাচার কনজারভেশন কমিটি, বাংলাদেশ বার্ড ওয়াচার সোসাইটি, বাংলাদেশ রাইটার্স গিল্ড.. এর সাথে । তিনি ভোলার লালমোহনের সাড়াজাগানো সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘তোলপাড় কৃষ্টি সংসার’ এর প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি । লালমোহন ফাউন্ডেশন ঢাকার উদ্যোক্তা ও অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় ন্যায্য মূল্যে কৃষকের ধান সংগ্রহের সময় শেষ, সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ পেয়ে উপজেলার কৃষকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করেছে খাদ্য বিভাগ।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্য থেকে আগে আসলে আগে বিক্রয় ভিত্তিতে ধান ক্রয় করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষি বিভাগের নিবন্ধিত কৃষকরা কৃষি কার্ড ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুযোগ পান। সংগ্রহ নীতিমালা অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান গ্রহণের পর মূল্য সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন।
উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার ৭০০ নিবন্ধিত কৃষকের কৃষি কার্ড ও কৃষক হিসাব রয়েছে। ধান বিক্রি করা অনেক কৃষক জানান, বাজারমূল্যের তুলনায় সরকারি মূল্য বেশি হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। উৎপাদন খরচ মিটিয়ে অতিরিক্ত আয় করতে পারায় তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ জানায়, ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। কৃষকদের পরিচয়, কৃষি কার্ড এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পরই ধান গ্রহণ করা হয়েছে। সব অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে।ভাঙ্গুড়া খাদ্যগুদামের উপ-পরিদর্শক নিরঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকেই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। সব ধরনের কাগজপত্র যাচাই করে ধান গ্রহণ করা হয়েছে এবং কৃষকদের নিজস্ব হিসাবেই অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম জানান, সরকার চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে গত ৩ মে থেকে সারাদেশে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করে। ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নির্ধারিত ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান ইতোমধ্যে সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে সরকারি গুদামে ধান দিতে আগ্রহী হয়েছেন। ফলে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্নভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ বর্ম্মন বলেন, ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের কৃষি কার্ড ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের পরই বিল অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন।
স্থানীয় কৃষকদের আশা, আগামী মৌসুমেও সরকার একইভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ অব্যাহত রাখবে। এতে কৃষকরা উৎপাদনে আরও উৎসাহিত হবেন এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ