গজারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হাজারো প্রাণের মিলনমেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

“স্মৃতির টানে প্রিয় প্রাঙ্গণে, এসো মিলি প্রাণের বন্ধনে” এই আহবানে বন্ধন ফাউন্ডেশন গজারিয়ার সার্বিক তত্ত্বাবধানে পালিত হয়েছে দ্বীপজেলা ভোলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ গজারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮০ বছর পূর্তি উৎসব ।

১৯ মার্চ ২০২৬ বিদ্যালয়টির উন্মুক্ত প্রান্তরে রকমারি ইফতার মাহফিল ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্যাপিত হাজারো প্রাণের মিলনমেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন- গজারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, লালমোহন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম বাবুল পঞ্চায়েত ।

গজারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজিম উদ্দিন মনুর সভাপতিত্ব উৎসব স্মারক পাঠ করেন মোঃ জসিম উদ্দিন । শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন- বিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থী ও জাতীয় কবিতা পরিষদ ভোলার শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক বীরের সন্তান কবি নজরুল ইসলাম জামাল ।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ভোলা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের আহবায়ক ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট এর আজীবন সদস্য, সিনিয়র প্রভাষক কবি শাহাবুদ্দিন রিপন শান , সাবেক শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ রোদসী কৃষ্টিসংসারের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য নাট্যকার আব্দুল মান্নান হেডমাস্টার, ভোলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ এরশাদ, লালমোহন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের সাধারণ সম্পাদক ক্রীড়াবিদ মতিউর রহমান কাজল, সাবেক শিক্ষার্থী ডাঃ রুহুল কুদ্দুস খান , লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ মঞ্চের সিনিয়র সদস্য শিক্ষাবিদ সাংবাদিক মোঃ মাহবুব আলম, লালমোহন ইসলামিক মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও দৈনিক আমার দেশের লালমোহন প্রতিনিধি মাওলানা মোঃ আজিম উদ্দিন খান , লালমোহন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাহীন আলম মাকসুদ, দৈনিক নয়াদিগন্তের লালমোহন প্রতিনিধি এম আর পারভেজ, সাংবাদিক ইউসুফ আহমেদ, দিগন্ত চ্যানেলের অনলাইন এডিটর শহিদুল ইসলাম তন্ময়, রুপালি বাংলাদেশ এর লালমোহন প্রতিনিধি ইব্রাহিম আকাশ, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম জিহাদ প্রমুখ ।

হাজারো প্রাণের মেলায় হৃদয়ের সেতুবন্ধন তৈরি হয়ে বিনম্র ঐক্যের কুহুতানে গজারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অযুত শিহরিন জেগেছিল যেন ৮০ বছর পূর্তির সৌহার্দ্য উৎসবে ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাফার গোডাউন নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইউরিয়া সার সংরক্ষণের বাফার গোডাউন নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) তত্ত্বাবধানে চলমান এ নির্মাণকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের ফলে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এতে স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হন প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী।

জানা যায়, খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সুষ্ঠুভাবে সার সংরক্ষণ ও বিতরণ নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণকাজ করছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)। এই প্রকল্পের ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশায় মার্ক বিল্ডার্স লিমিটেড নামের বাস্তবায়নাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উঠেছে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ। ৫০ কোটি টাকার এপ্রকল্প নির্মাণে নিম্নমানের বালু, পাথর, ইট ও রডসহ নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই কাজটি চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের।

দেশের অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা ঘুষ ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এবং তাদের অনিয়ম ও লুটপাটের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনে তীব্র নাভিশ্বাস উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা অডিটোরিয়ামে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরও বলেন , বিগত সরকারের আমলে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যে অনিয়ম ও দুর্নীতির সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তার খেসারত এখনো সাধারণ মানুষকে দিতে হচ্ছে।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে – জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন-দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের প্রত্যেককে একে একে জবাব দেওয়া হবে। আজ ৭ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রার আগে এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর দেশের মানুষ মুক্তভাবে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ পেয়েছে। তবে দেশের বিরুদ্ধে আবারও একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অতীতের মতো এবারও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এ দেশের মানুষকে কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দমিয়ে রাখা যাবেনা।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল। স্বাধীনতার পেছনে মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি। তারা সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্রের সূচনা হয়। তবে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার মেনে নিতে না পারা একটি মহল বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বারবার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবারও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়েও জনগণের সেই অধিকার বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টও জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে অপশক্তিকে পরাজিত করেছে।তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলন শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারী শক্তিকেও দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ অতীতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের আন্দোলন ও অর্জন থামিয়ে রাখা যাবে না।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো আবারও একটি মহল দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বাধাগ্রস্ত করতে চায়। একই সঙ্গে জনগণের ভোটের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনব্যবস্থা বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনা প্রমাণ করে, এ দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে জানে।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জাতীয় ঐক্যের ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মতো এবারও ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি ষড়যন্ত্রের জবাব একে একে দেওয়া হবে। কোনো শক্তিই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ