ঈদ ছুটিতে পর্যটক পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে রাঙামাটির পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো।

বিনোদন রিপোর্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ ছুটিতে পর্যটক পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে রাঙামাটির পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো।
বিভিন্ন পর্যটন স্পটের পাশাপাশি কাপ্তাই হ্রদে ট্যুরিস্ট বোট নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা।
রাঙামাটির পর্যটন ঝুলন্ত সেতুতে গিয়ে দেখা যায়, পর্যটকদের পদচারণায় ঝুলন্ত সেতুটি। ঝুলন্ত সেতুর পাশ থেকেই ট্যুরিস্ট বোট ভাড়া নিয়ে কাপ্তাই হ্রদে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা।

এছাড়া পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের সানরাইজ ইকো পার্কেও অবকাশযাপন করছেন ভ্রমণপ্রেমীরা। অন্যান্য সময়ের তুলনায় ঝুলন্ত সেতু এলাকাটি এখন আরো বেশি মুখর হয়ে উঠেছে। এছাড়া রাঙামাটির পলওয়েল পার্ক, ডিসি বাংলো পার্ক, শিশু পার্ক, আসামবস্তি ব্রিজ,আসামবস্তি-কাপ্তাই সংযোগ সড়কে পর্যটক
ও স্থানীয়দের উপস্থিতি অনেকটা বেড়েছে।
তবে এবারের ঈদে রাঙামাটির অন্যতম নতুন আকর্ষণ সড়ক বিভাগের সওজ লেকভিউ গার্ডেন। প্রায় শত প্রজাতির ফুলের এই বাগানে পর্যটকদের থেকেও স্থানীয়রা বেশি ভিড় জমাচ্ছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তায় স্থানীয় পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতেও রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশের উপস্থিতি।

এদিকে, ঈদকে কেন্দ্র করে রাঙামাটির মেঘ-পাহাড়ের উপত্যকা সাজেক ভ্যালিতেও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। সাজেকের শতাধিক রিসোর্ট-কটেজ শতভাগ বুকিং বলছে সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতি। রাঙামাটি সদর, কাপ্তাই উপজেলার রিসোর্টগুলোও প্রায় শতভাগই বুকিং। ভিড় বেড়েছে কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রেও।রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক বলেন-আমাদের মোটেলের ৮০ শতাংশ রুম বুকিং রয়েছে। ঈদের দিন থেকেই পর্যটকরা রাঙামাটি এসেছেন । ঝুলন্ত সেতুর পাশাপাশি সানরাইজ ইকো পার্কে বেড়াচ্ছেন।

ঝুলন্ত সেতুর টিকেট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক জানান- রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার পর্যটক টিকেট কেটে পর্যটন ঝুলন্ত সেতুতে প্রবেশ করেছেন।সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মণ বলেন-আজকে (রোববার) থেকে পর্যটকরা সাজেক আসা শুরু করেছেন। আমাদের রিসোর্ট কটেজগুলো ২৮ মার্চ পর্যন্ত শতভাগ বুকিং রয়েছে। আজকে প্রথম দিনে কতজন পর্যটক এসেছে তা সন্ধ্যার পরে জানাতে পারব। তবে কেউ যদি রুম না পেয়ে থাকলে তাদের জন্যও থাকার ব্যবস্থা করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার : কণ্ঠশিল্পী জুলির বিবৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালিতে বিতর্কিত ঈদ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাযুক্ত শিল্পীকে দিয়ে গান পরিবেশন করানোর অভিযোগ তুলে একটি কুচক্রী মহল ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি। এসব অপপ্রচার সর্বতোভাবে ‘মিথ্যা’ দাবি করে তিনি বিবৃতি দিয়েছেন। সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেন এই শিল্পী।


বিবৃতিতে কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, একজন পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক বা সামাজিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করা তাঁর পেশাগত দায়িত্বের অংশ, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে তাঁর সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যম এবং সামাজিকমাধ্যমে আমার ব্যাপারে ছড়নো বিভ্রান্তমূলক ও মিথ্যা তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কিছু ব্যক্তি আমার সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মানহানীর সংবাদসহ নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে আমার সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে। আমি উক্ত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে শিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, সংবেদনশীল কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, আমি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের দলীয় পদ-পদবীতে ছিলাম না এবং এখনো নেই। ১৭ বছর ধরে পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন আয়োজনে গান গেয়ে আসছি। কিন্তু অতীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় ধারণ করা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে একটি কুচক্রী মহল আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্তা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের মানহানিকর মিথ্যাচার থেকে সকলকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে এই শিল্পী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে মানহানি ও অপপ্রচারের ঘটনায় প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

ইতালির ভেনিস শহরে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তায় প্রতিক্রিয়া জানান মডেল পিয়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইতালির ভেনিস শহরে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে।বিনোদন অঙ্গনে এনিয়ে প্রতিবাদ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের বাইরে ঘটে যাওয়া এ ধরনের ঘটনা এবং নারী ও শিল্পীদের প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান নিষ্ঠুরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মডেল, অভিনেত্রী ও আইনজীবী পিয়া জান্নাতুল।

মঙ্গলবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজের উদ্বেগ ও হতাশার কথা জানান তিনি। সরাসরি বাঁধনের নাম উল্লেখ না করে পিয়া জান্নাতুল লেখেন, ‘মানুষ দিন দিন এতটা নিষ্ঠুর আর সংবেদনহীন হয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে নারী আর শিল্পীদের প্রতি, যেটা সত্যিই ভাবায়।

তিনি আরো লেখেন, ‘দেশের বাইরে থাকলেই যে মানুষের চিন্তাভাবনা বদলে যায় বা মনটা আরও খোলামেলা হয়ে যায়, আসলে তা নয়। আমার কাছে আসল উন্নতি বোঝা যায় একজন মানুষ অন্যকে কতটা সম্মান করে, কতটা বুঝতে পারে আর কতটা মানবিক থাকতে পারে, সেখানেই। দুঃখের বিষয়, এই জায়গাগুলোতেই আমরা যেন ধীরে ধীরে পিছিয়ে যাচ্ছি।

গত সোমবার রাতে ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকায় আজমেরী হক বাঁধনকে‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে
হামলা করেন।এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ভাই ও শিশু সন্তান। পরে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ‘ভেনিস ছাত্রলীগ’ ও ‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’ পরিচয় দিয়ে অভিনেত্রীকে এরপর তাকে গালিগালাজ ও হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি এসে বাঁধন জানান, পার্কের মধ্যে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। তার গায়ে কোমল পানীয় ও পানি ছুড়ে মারা হয় এবং মারধরের সময় তার মুঠোফোন ফেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার প্রতিবাদ জানান অভিনেত্রী। পরে এ ঘটনায় স্থানীয় ভেনিস থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানা গেছে।২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন আজমেরী হক বাঁধন

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ