স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা বড় চ্যালেঞ্জ : চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতির বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের পর নগরের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান মেয়র।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মেয়র সাংবাদিকদের বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবসে আমি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সব বীর সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। যাঁরা আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, তাঁদের অবদান জাতি কখনো ভুলবে না।তিনি বলেন, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানকারী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধে দেশের পক্ষে অবদান রাখা সব বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো আমাদের দায়িত্ব।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ৫৫তম বার্ষিকী উল্লেখ করে মেয়র বলেন, স্বাধীনতা অর্জন একটি বড় বিষয়, কিন্তু সেই স্বাধীনতা রক্ষা করা আরও বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের লক্ষ্য হতে হবে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ নানামুখী উদ্যোগের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বনির্ভর করে তোলার কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে।রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি দুর্নীতিমুক্ত ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে।মেয়র দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে মেয়র বলেন, বিপ্লব উদ্যান, বধ্যভূমি, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরসহ মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত সব গুরুত্বপূর্ণ স্থান সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হবে।তিনি বলেন, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে আমরা কাজ করছি।তবে অনেক স্থাপনা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন হওয়ায় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন, যাতে সিটি করপোরেশনও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান এবং শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এসব ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা দায়মুক্ত হতে পারব না।এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নীরবতার ভাষা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নীরবতার ভাষা দূর্বলতা নয়
সাহসের অভাব নয়,
কখনো তা কষ্ট হজমের
নীরব অভিনয় ।

নীরবতার ভাষা হেরে যাওয়া নয়
থেমে যাওয়া নয়,
কখনো তা ব্যক্তিত্বের প্রকাশ
শান্তির পরশ বুলায় ।

নীরবতার ভাষা বোকামী নয়
জ্ঞানের অভাব নয়,
কখনো তা নম্রতার প্রকাশ
ধৈর্যের শিক্ষা দেয় ।

নীরবতার ভাষা ভুলে যাওয়া নয়
মায়ার বাঁধন ছিন্ন নয়,
নীরবতা মনের গভীরতা
জীবনের ফুল ফোটায় ।

রচনাকাল: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যা দেখি তা সত্য নয়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যে বোঝে সে খোঁজে
যে খোঁজে সে পায়
মানুষ যা জানে
তা গৌরবের কিছু নয় ,
যা জানেনা—
তা জানাই গৌরবময় ।

নিজেকে দেখা খুবই প্রয়োজন
কাঁচের আয়নায় বাহিরের প্রকাশ
হৃদয়ের আয়নায় ফোটে
ভিতরের প্রকাশ।

হৃদয়ের আয়নায় দেখি-
আমার অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ
আমার সফলতা ব্যর্থতা
আমার হৃদয়ের গভীরতা
আমার জীবনের অসারতা।

কাঁচের আয়নায় দেখি—
আমার বেঁচে থাকার আকুলতা
আমার অহংকার অন্ধত্বের বিশ্বাস
আমার অহংকার ক্ষণিকের গৌরবগাঁথা
আমার আমিত্বের প্রকাশ।

আমি সময়ের সারথি
আমি ক্ষণিকের পথযাত্রী
পথহারা নাবিকের প্রতিচ্ছবি,
আমি জানিনা বুঝিনা
দেখিনা অসীমের প্রতিচ্ছবি।

আমি বাহির দেখিয়া মজিয়া যাই
ভিতরের ছবি দেখিনা
আমি ভিরের সুন্দর খুঁজিতে চাই
বাহিরের রূপে মজিতে চাইনা ।

আমার দেখা খুবই প্রয়োজন—
আমার ভিতর বাহির
আমার উদয় অস্ত,
কোথায় আমার গতি
কোথায় আমার পরিনতি ।

আমি কিছুই জানিনা বুঝিনা
জ্ঞানের বদহজমে দিশেহারা,
আমি যা দেখি , তা সত্য নয়—
যা দেখিনা তাই সত্য
জীবনের আসল পরিচয় ।

রচনাকাল: ৩১ আগস্ট, ২০২৬

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ