আজঃ মঙ্গলবার ২৬ মে, ২০২৬

৫ বছরে বিএসসি বহরে যুক্ত হতে পারে আরো ২২ টি জাহাজ।

সমন্বিত বহর গঠনের লক্ষ্য নির্ধারণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছবি-৮
চট্টগ্রাম ব্যুরো: বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি) বহর সম্প্রসারণে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে ‘ওয়ান শিপ পলিসি’ গ্রহণ করেছে। এ নীতির আওতায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত আর্থিক সক্ষমতা সাপেক্ষে প্রতিবছর অন্তত একটি করে জাহাজ নিজস্ব অর্থায়নে কেনার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির। তবে এই পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে নতুন জাহাজ কেনার আগে বিদ্যমান বহরের অপারেশন সচল রাখতে প্রয়োজনীয় অর্থ সংরক্ষিত থাকতে হবে। অর্থাৎ, আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেই বিনিয়োগ বাড়াবে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বিএসসি।

বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনে প্রধান কার্যালয়ে বিএসসির বর্তমান কর্মকান্ড এবং ভবিষৎ পরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা জানান বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক।
বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, আমরা একটা ফিলোসফি ডেভেলপ করেছি, ‘ওয়ান শিপ ফিলোসফি’। ২০৩০ সাল পর্যন্ত আর্থিক সক্ষমতা ঠিক থাকলে প্রতি বছর একটি করে জাহাজ নিজস্ব অর্থায়নে কেনার লক্ষ্য রয়েছে। এটার নাম দিয়েছি “ওয়ান শিপ পলিসি”। তবে কন্ডিশন আছে। কন্ডিশন হচ্ছে বাকি জাহাজগুলো অপারেশন করার জন্য সেই পরিমাণ অর্থ আগে স্টকে বা ব্যালেন্স থাকতে হবে।
বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, পরিকল্পনার প্রথম ধাপে সরকারি অর্থায়নে দুটি এমআর (মিডিয়াম রেঞ্জ) প্রোডাক্ট অয়েল ট্যাংকার এবং নিজস্ব অর্থায়নে একটি বাল্ক ক্যারিয়ার কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকায় দুটি এমআর ট্যাংকার ক্রয় প্রস্তাব একনেক অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। দুটি এমআর ট্যাংকার কেনার ১ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা অলরেডি স্যাংশন হয়ে গেছে। এছাড়া নিজস্ব অর্থায়নে একটা বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ কেনার প্রকল্পটি মন্ত্রনালয় থেকে হয়তো দুই একদিনের মধ্যে একনেকে চলে যাবে।
একনেকে দুইটা প্রজেক্ট অনুমোদন হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা আশা করছি সবকিছু ঠিক থাকলে পরবর্তী ছয় থেকে সাত মাসের মধ্যে এই তিনটা জাহাজ বিএসসির বহরে যুক্ত হবে।

তিনি আরও জানান, চীনের সঙ্গে জি-টু-জি ভিত্তিতে চারটি জাহাজ সংগ্রহের প্রকল্পে অগ্রগতি হয়েছে। এ প্রকল্পে দুটি ক্রুড অয়েল মাদার ট্যাংকার ও দুটি মাদার বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ পবে বিএসসি। এরইমধ্যে গত মাসে ফ্রেমওয়ার্ক ও ঋণচুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং চীনা পক্ষের স্বাক্ষর প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে। আগামী মাস থেকে জাহাজের স্টিল কাটিং ও নির্মাণকাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ৬টি কনটেইনার ভেসেল কেনার জন্য আমরা দীর্ঘদিন যাবত কাজ করছি। ঋণদাতা হিসেবে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক প্রাথমিকভাবে সম্মত হয়েছে। তারা ছয়টা কন্টেইনার ভেসেল তৈরি করার টাকা ফান্ডিং করবে। প্রসেস চলমান আছে। তাদের সাথে টার্মস এন্ড কন্ডিশন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। লোনের ইন্টারেস্ট রেট কত হবে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হলে দুই তিন বছরের মধ্যে জাহাজগুলো বিএসসির বহরে যুক্ত হবে। প্রতিটি জাহাজের ধারণক্ষমতা ২৫০০ থেকে ২৮০০ টিইইউ এবং ড্রাফট প্রায় ৯ দশমিক ৮ মিটার হবে। এগুলোদিয়ে ফিডার জাহাজ হিসেবে সিঙ্গাপুর এবং শ্রীলঙ্কা থেকে আমরা কার্গো আনা নেওয়া করতে পারবো। যা জাতীয় ট্রান্সপোর্টেশনের ক্ষেত্রে জাহাজগুলো ব্যাপক অবদান রাখতে পারবে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া আরও ৩টি বাল্ক ক্যারিয়ার ও ৩টি এমআর ট্যাংকার সংগ্রহের জন্য কাজ চলছে। জাহাজ সংগ্রহে জাপানকে প্রথম পছন্দ হিসেবে রাখা হয়েছে। প্রকল্পটি ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশন হয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং জাপানের প্রাথমিক সম্মতিও পাওয়া গেছে বলে জানান বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তাছাড়া আরও ২টি বাল্ক ক্যারিয়ার ও ২টি ট্যাংকার সংগ্রহের প্রস্তাবও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এগুলোর জন্য বর্তমানে অর্থায়নের উৎস খোঁজা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, বিএসসির ২২টি জাহাজ সংগ্রহের একটি পরিকল্পনা আছে। ২২টি জাহাজ নিয়ে একটি সমন্বিত বহর গঠনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তার মধ্যে দুইটা অলরেডি বহরে যুক্ত হয়েছে। পাইপলাইনে আছে আরও সাতটা। তিনি বলেন, আমরা আশা করছি দুই এক বছরের মধ্যে ১৪টা জাহাজ আমরা বহরে যুক্ত করতে পারবো। এবং সমস্ত প্রসেস যদি ঠিক থাকে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বিএসসির বহরে ২২ টা জাহাজ থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৫ দিন বন্ধ থাকবে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে শনিবার ২৩ মে থেকে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটি শুরু হচ্ছে। শুক্রবার ২২ মে রাতে এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৩ মে থেকে আগামী ৬ জুন পর্যন্ত দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। ১৫ দিনের ছুটি শেষে আগামী ৭ জুন রবিবার থেকে যথারীতি শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হবে।

এর আগে, পবিত্র রমজান মাসে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় পাঠদানের ঘাটতি পূরণে ১০টি শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করেছিল সরকার। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৩ মে শনিবার বিদ্যালয় খোলা থাকার কথা ছিল। তবে বাৎসরিক শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী ২৪ মে থেকে ছুটি শুরু হওয়ার কথা ছিল।

গড়ে প্রতিদিন ১টি চার মাসে সিএমপি’র ১৬ থানায় ১৪৯টি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। মহানগরের বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, বায়েজিদ ও খুলশী এলাকায় দুই দিনে তিনজন শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়- পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে শিশু সুরক্ষায় কাজ করতে হবে। একইসঙ্গে বিচারিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা, মামলার ধীরগতি এবং জামিনে এসে আসামিদের পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। অনেক ক্ষেত্রে বছরের পর বছর মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার হতাশ হয়ে পড়ে এবং অপরাধীরা বিচারহীনতার সুযোগ পেয়ে যায়।

এদিকে শনিবার চিকিৎসাধীন ওই ধর্ষিতা তিন শিশুকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ(চমেক) হাতসপাতালে দেখতে যান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এসময় হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (ওসিসি) তথ্যের বরাত দিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গত ৮ বছরে চট্টগ্রামে ১২ বছরের নিচে ৪২২টি শিশু নির্যাতনের ঘটনার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। লোকলজ্জার ভয়ে অনেকে রিপোর্ট না করায় প্রকৃত সংখ্যা আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।শিশু নির্যাতন ও ধর্ষকদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করতে আইন সংশোধনের দাবি জানান মেয়র।

সমাজবিজ্ঞানী ও আইনজীবীরা বলছেন, বিচারিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা অপরাধ দমনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক সময় অভিযোগ গঠনে দীর্ঘ সময় লেগে যায়, সাক্ষী উপস্থিত না হওয়া বা তদন্তে ধীরগতির কারণে মামলার কার্যক্রম ঝুলে থাকে। এই সুযোগে অনেক আসামি জামিনে বেরিয়ে এসে ভুক্তভোগী পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো কিংবা পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। জানা গেছে, একের পর এক বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসে সিএমপি’র ১৬ থানায় ১৪৯টি মামলা হয়েছে।অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন একটি করে মামলা দায়ের হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিশুর ওপর নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টার পেছনে একাধিক সামাজিক, মানসিক ও অপরাধপ্রবণতা কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে বিকৃত মানসিকতা, নৈতিক অবক্ষয়, মাদকাসক্তি, পর্নোগ্রাফির নেতিবাচক প্রভাব, পারিবারিক সহিংস পরিবেশ এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি। অনেক অপরাধী শিশুদের দুর্বল ও সহজ টার্গেট মনে করে। তারা বিশ্বাস করে- শিশুরা ভয়, লজ্জা বা অক্ষমতার কারণে সহজে প্রতিবাদ করতে পারবে না।

জানা গেছে, গত ২১ মে নগরের বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মনির হোসেন (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। এর পরদিন নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে প্রতিবেশী মো. হাসান (৪২) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে নগরের ডবলমুরিং থানা এলাকায় ৭ ও ১১ বছর বয়সী দুই শিশুকে ডেকে নিয়ে একটি খালি প্লটে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে মো. এহসান (৫৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখে তাকে আটক করে গণপিটুনি দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে যায়। গ্রেফতার এহসান একটি বাসার নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ ধরনের ঘৃণ্য অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের অনেকে আগে থেকেই অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত। প্রথমবার অপরাধ করে দায়মুক্তি পাওয়ায় তারা পুনরায় অপরাধে জড়ানোর সাহস পায়। বিশেষ করে বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়া এবং সহজে জামিন পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি অপরাধীদের মধ্যে ভয় কমিয়ে দিচ্ছে। তাই শুধু অপরাধীদের নয়, যারা তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় কিংবা বিচার এড়িয়ে যেতে সহায়তা করে, তাদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ক্রাইম) মো. রইছ উদ্দিন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এসব মামলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রত্যেক থানাকে তদন্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে চার্জশিট বা পুলিশ প্রতিবেদন দাখিলের পাশাপাশি অপরাধীদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া পুলিশের ওপেন হাউস সভা, মাদকবিরোধী প্রচার ও সচেতনতামূলক কর্মসূচিতেও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, শিশু ধর্ষণ মামলায় ট্রাইব্যুনালে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দ্রুত বিচার সম্পন্নের বিধান রাখা হয়েছে। ১৬ বছরের নিচের শিশুদের মামলাগুলো এখন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে স্পিড ট্রায়ালের আওতায় বিচার হচ্ছে। তবে সাক্ষীর উপস্থিতিতে বিলম্বসহ কিছু কারণে বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়। তবুও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা গেলে অপরাধীদের মধ্যে ভীতি তৈরি হবে। শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও ধর্ষণের ঘটনা কমাতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

আলোচিত খবর

পবিত্র ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, ২৩ মে।শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এই ছুটি থাকছে। তবে ঈদের আগে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে আগামীকাল শনিবারের ২৩ মে ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ঈদের ছুটি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে রোববার পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এর আগে ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও পরদিন ২৪ মে রোববার অফিসগুলো খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ