নেত্রকোণা-ময়মনসিংহ সড়কে বিআরটিসি’র মানোন্নয়ন ও দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

​মোঃ নবু উদ্দিন মন্ডল দুলাল নেত্রকোণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

​নেত্রকোণা-ময়মনসিংহ সড়কে বিআরটিসি দোতলা বাসে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন, যাত্রী হয়রানি বন্ধ এবং ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় নেত্রকোণা বিআরটিসি বাস স্ট্যান্ড এলাকায় ‘সচেতন নাগরিক ও ছাত্র সমাজ’-এর ব্যানারে এই প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।যাত্রীদের অভিযোগ ও ভোগান্তি
​মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারি এই পরিবহন সেবাটিতে সাধারণ যাত্রীরা দীর্ঘ দিন ধরে নানাভাবে নিগৃহীত হচ্ছেন। তাদের অভিযোগের মূল বিষয়গুলো হলো:

অসৌজন্যমূলক আচরণ: বাসের চালক ও সহকারীদের পক্ষ থেকে যাত্রীদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত রুক্ষ ও অপেশাদার আচরণের অভিযোগ রয়েছে।অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা আদায়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে।সময়সূচি বিপর্যয়: বাস চলাচলের কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সূচি না মানায় গন্তব্যে পৌঁছাতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

ডিপো ম্যানেজারের অপসারণ দাবি করে
​মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,বিআরটিসি ময়মনসিংহ ডিপোর অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণেই সেবার মান তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ডিপো পর্যায়ের অনিয়ম সরাসরি যাত্রীসেবায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ সময় তারা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ ডিপো ম্যানেজারের অপসারণ এবং এই চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

বিআরটিসি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর দুর্নীতির কারণে এটি এখন যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা অবিলম্বে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী ছাত্র প্রতিনিধি কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা

কর্মসূচি থেকে যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, ভাড়ার নৈরাজ্য বন্ধ এবং বাসের সময়সূচি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনভোগান্তি লাঘবে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন আয়োজকরা।
​মানববন্ধনে স্থানীয় সচেতন নাগরিক, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং ভুক্তভোগী সাধারণ যাত্রীরা অংশ নেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রূপগঞ্জে বিএসটিআইয়ের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা তারাবো পৌরসভার রূপসী, তারাবো ও ভুলতা এলাকার তিনটি প্রতিষ্ঠানকে বিএসটিআই ভ্রাম্যমাণ আদালত ১০লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। আজ ২৬জুলাই রবিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বিএসটিআইয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাবেকুন নাহারের নেতৃতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় এসিআই গোডরেজ এগ্রোভেট প্রাইভেট লিমিটেড ও আফতাব ফিড প্রডাক্ট লিমিটেডকে ৪ লাখ টাকা করে ৮ লাখ এবং জিউঝৌ ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডকে ২ লাখ টাকা মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএসটিআইয়ের উপপরিচালক কে এম হানিফ, সহকারী পরিচালক রাকিবুল আলম, ফিল্ড অফিসার রেজানুর রহমান সরকার, ফিল্ড অফিসার রাসেদ আল মামুন,পরিদর্শক হাফিজুর রহমান, আনসার ও বিপুল সংখ্যক পুলিশ অংশ নেয়।

বিএসটিআইয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাবেকুন নাহার বলেন, কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের বিএসটিআইয়ের গুনগত মান, সনদ ও মোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ ব্যতীত পণ্য উৎপাদন, বিক্রিসহ নানা অনিয়মে তাদের ১০লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান-এঁর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর প্রথম সাক্ষাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে অভিনন্দন জানান এবং আন্তরিক কুশল বিনিময় করেন। নৌবাহিনী প্রধান দায়িত্ব পালনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি তাঁর দিকনির্দেশনা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনী প্রধানের সফল দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং এ লক্ষ্যে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

সাক্ষাৎকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার, সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও রাষ্ট্রগঠনে নৌবাহিনীর ধারাবাহিক অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের সময়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে নৌবাহিনীকে একটি আধুনিক, ত্রিমাত্রিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনী হিসেবে আরও সুদৃঢ়ভাবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের দক্ষ, বিচক্ষণ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ভবিষ্যতে আরও আধুনিক, সক্ষম ও প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নৌবাহিনী প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে দেশীয় প্রযুক্তির বিকাশ, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে একটি শক্তিশালী, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ডে নিজস্ব সক্ষমতায় দেশীয় প্রযুক্তিতে যুদ্ধজাহাজ ও অন্যান্য নৌযান নির্মাণ ও মেরামতের কার্যক্রম ক্রমান্বয়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে।

একই সঙ্গে ‘সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্টে’র মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে স্বনির্ভরতা অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি এবং সকল স্তরের নৌসদস্যদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যমী নৌবাহিনী গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন নৌবাহিনী প্রধান।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ