আজঃ রবিবার ৩১ মে, ২০২৬

বৈশাখ বাঙালির এক অনন্য চেতনা।

কিরন শর্মা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৈশাখ বাঙালির এক অনন্য চেতনা।চেতানার এ আনন্দ – উৎসবটি একেবারেই সমাগত। বছরব্যাপী অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আমাদের দ্বারপ্রান্তে হাজির হলো পহেলা বৈশাখ।এ দিনে বাঙালির ঘরে একটু হলেও ভালো খাবার আয়োজনের চেষ্টা চলে। বসন্ত পেরিয়ে গ্রীষ্মের আগমনী বার্তা নিয়ে সমাগত। মানুষের জীবনের সব ব্যর্থতা ভুলে নতুন স্বপ্ন নিয়ে বৈশাখকে বরণ করতে ঔ
নানা ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে থাকে।

আবহমান কাল থেকে বৈশাখের উপভোগ করে আসছে বাঙালি জাতি। নববর্ষ কে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৈশাখের আগমন উপলক্ষে বাড়ি বাড়ি চলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা।গ্রামের মাটির ঘর গুলোতে চলছে লেপা পোছার কাজ। বৈশাখের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে গ্রাম বাংলার আকাশে বাতাসে। বৈশাখ আনন্দ দেয়, তবে তবে এ মাসে বৈশাখী ঝড় এসে আবার লণ্ডভণ্ড করেও দেয়। ক্ষতি হয় ফসলের, এমনকি ব্যাপক বিপর্যয়ের ঘটনাও ঘটে থাকে। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল , এ বৈশাখ মাসেই পোলংকার ঘূর্ণিঝড় উপকুলের জনপদ লন্ডভন্ড করে দেয়। ঘটে লক্ষ মানুষের জীবনহানি।

বাংলাদেশের উপকূল বাসী সেদিনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কথা কখনোই ভুলবে না। ষড় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রথম ঋতুটি হচ্ছে গ্রীষ্ম। বসন্তে পুরনো গাছের পাতা ঝরে পরে নতুন পাতায় সবুজে -;শ্যামলে ভরা বৃক্ষরাজির নান্দনিক সৌন্দর্য মনকে ভরিয়ে দেয়।পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির স্পন্দন।

প্রতিবছর বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে নানান আয়োজন করা হয় দেশের গ্রাম থেকে শহর।বৈশাখের আগমনী বার্তাকে কেন্দ্র করে লোকজ গান যারি, শাড়ি, ভাটিয়ারী আয়োজন করা হয় বিভিন্ন জায়গায়। এসব গান উপভোগ করার মধ্য দিয়ে কলেজ চোরের মানুষ একাকার হয়ে যায়। এদিনে সকলের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইয়ে যায়। আবার ইলিশ পান্তার আয়োজন হয়ে থাকে অন্য কোন জায়গায।ঘরে ঘরে ধোয়া মোছার কাজ প্রাশই শেষ পর্যায়ে।

বাঙালির নববর্ষ উদযাপন এক অনন্য বৈশিষ্ট্যমন্ডিত
উৎসব।বাংলা সাহিত্যে ও প্রভাব রয়েছে বৈশাখের। বাংলা বর্ষপঞ্জির উৎপত্তি ও এর বিস্তৃতির এখন অবাধ্য ইতিহাস রয়েছে। ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, মূলত কৃষিকাজ ও খাজনা সংগ্রহের ব্যবস্থাকে ঘিরেই বৈশাখের এআয়োজন। বাঙালির এর উৎসবটি ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে অসম্প্রদায়িক চেতনার। বাংলা নববর্ষে ব্যবসা-বাণিজ্য নতুন উদ্যোগে হয়ে থাকে। পহেলা বৈশাখের ব্যবসায়ীরা হালখাতার আয়োজন করা থাকে। এ সময় গত বছরের হিসাব নতুন খাতায় এনে ক্রেতাদের করিয়ে দেওয়ার রে আজও রয়েছে।

কোথাও কোথাও আয়োজন করা হয় ঘুড়ি উড়ানোর উৎসব। আবার কোথাও হয়ে থাকে গরুর লড়াই লড়াই। চট্টগ্রামের সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য বলি
খেলার আয়োজনও বৈশাখ মাসে হয়ে থাকে। বলি খেলাকে কেন্দ্র করে বিশাল মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। চট্টগ্রাম নগরীর এই মেলার বিস্তৃতি সরিয়ে যায় কয়েক কিলোমিটার দূরে।

মেলায় করতে সারাদেশ থেকে ব্যবসায়ীরা ছুটে আসে চট্টগ্রাম নগরীতে। সারাদেশের বলিরা ছুটে আসে কুস্তি খেলতে চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘি এমাঠে। গ্রাম বাংলার এই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য পৃথিবীর আর কয়টি দেশে আছে? 🇧🇩 প্রখ্যাত গীতিকার দ্বিজেন্দ্র লাল লিখেছেন- ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা…।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে নানা উদ্যাগ, কাস্টমসে ১০ টিম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সচল রাখতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ সময় বন্দর সচল রাখতে গঠন করা হয়েছে তিনটি আলাদা টাস্কফোর্স।একইসঙ্গে কাস্টম হাউসও শুল্কায়ন কার্যক্রম চালু রাখতে ১০টি বিশেষ টিম গঠন করেছে।

ঈদের ছুটির দিনগুলোতে বাণিজ্য সচল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ যে তিনটি পৃথক টাস্কফোর্স গঠন করেছে, সেগুলো মূলত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জোনে কাজ করবে। এগুলো হলো-বহির্নোঙরে বাল্ক পণ্য খালাস বা লাইটারিং তদারকি, জেটিতে কনটেইনার ওঠানামা ও ইয়ার্ড ব্যবস্থাপনা সচল রাখা, বন্দরের জলসীমার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য কমোডর আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ বলেন, ঈদের সময়ে দুটি টাস্কফোর্স সরাসরি পণ্য খালাস ও জেটি-ইয়ার্ড ব্যবস্থাপনায় কাজ করবে। এ ছাড়া সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করবে আরো একটি পৃথক টাস্কফোর্স।

কাস্টমসের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রয়োজনীয় সব পয়েন্টে কাস্টমসের টিম থাকবে। সেবা নিতে এলে যাতে ফেরত যেতে না হয়। সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে ৮ হাজার ৭০০ টিইইউস কনটেইনার ওঠানামা হলেও দৈনিক খালাস বা ডেলিভারি হচ্ছে প্রায় সাড়ে চার হাজার টিইইউস।তবে ঈদের ছুটিতে কনটেইনার ওঠানামা স্বাভাবিক থাকলেও পণ্য খালাস বা ডেলিভারি অস্বাভাবিক কমে যায়। এর পেছনে অনেক কারণ রয়েছে।

বিশেষ করে পোশাক কারখানায় টানা ছুটির কারণে এ শিল্পের কাঁচামাল ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের খালাস কমে যায়। তবে অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে সংশ্লিষ্টরা এ সময়ের কাজগুলো এগিয়ে নেন আগেভাগেই।
বেসরকারি অফডক অ্যাসোসিয়েশন ‘বিকডা’র তথ্য হচ্ছে, ঈদের আগে শিপমেন্টের চাপ বেড়ে যায়। ঈদুল আজহার পর দীর্ঘ ছুটি থাকায় অনেক আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক ঈদের পরের কাজগুলোও আগেভাগে সম্পন্ন করে রাখছেন। এ কারণেই হঠাৎ করে চাপ অনেকটাই বেড়ে গেছে।

৬ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য চসিকের, নগরজুড়ে তদারকিতে থাকবেন- মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দিতে কোরবানির দিন দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘন্টার মধ্যে নগরীর সকল কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কারের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সোমবার টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগ, যান্ত্রিক শাখা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম নগরীর কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম কোরবানির দিন দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে। আমরা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি, পরবর্তী ছয় ঘন্টার মধ্যেই পুরো নগরীর বর্জ্য পরিষ্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।তিনি আরও বলেন, “আমি নিজেও দুপুর ২টা থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করব। বিমান অফিসের সামনের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) এলাকা থেকে এই পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করা হবে।”

মেয়র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়ে বলেন, নগরবাসী যাতে প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্ধারিত স্থানে কোরবানির পশু জবাই করেন এবং জবাই শেষে চসিকের সরবরাহকৃত পলিথিন ব্যাগে বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট পয়েন্টে রেখে যান, সে বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “যত্রতত্র বর্জ্য পড়ে থাকলে রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এজন্য পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ করতে হবে এবং তা যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে কিনা তাও নিশ্চিত করতে হবে।”

সভায় মেয়র পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কোরবানির পশুর চামড়া ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো চামড়া ব্যবস্থাপনা। আমরা ইতোমধ্যে চামড়া ব্যবসায়ী, আড়তদার এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছি। কোরবানির চামড়া যেন যত্রতত্র পড়ে না থাকে এবং পরিবেশের বিপর্যয় সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।তিনি আরও বলেন, “যারা চামড়া সংগ্রহ ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যাতে চামড়াগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা হয়।”

সভায় বক্তব্য রাখেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি এবং যান্ত্রিক শাখার প্রকৌশলীরা।
সভায় জানানো হয়, ঈদের দিন দুপুর ২টা থেকে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হবে। এজন্য প্রতিটি ওয়ার্ডের জন্য পৃথক গাড়ির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জোন কর্মকর্তা, সুপারভাইজার ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সমন্বয়ে ওয়ার্ডভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

যে তিনটি ওয়ার্ড সবচেয়ে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে, সেই সেরা তিনটি ওয়ার্ডকে আকর্ষণীয় পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেন মেয়র। তবে দ্রুততার নামে যেন পরিচ্ছন্নতায় কোনো ঘাটতি না থাকে, সেদিকেও সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।

ঈদের দিন নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে দায়িত্ব পালনকারী পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানান মেয়র। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন কর্মীদের খাবারের মান বজায় রাখতে এবার তিনটি পৃথক গ্রুপের মাধ্যমে খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সভায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে সফল করতে প্রয়োজনীয় জনবল, যানবাহন ও সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

আলোচিত খবর

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার (৩০ মে)। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হচ্ছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এছাড়া বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

কর্মসূচিতে রয়েছে, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা। দেশের সব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য ইউনিটেও একই কর্মসূচি রয়েছে। স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিও পালন করা হবে।

একই দিন বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় এবং দেশের অন্যান্য ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

পরদিন ৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এজন্য তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত সার্ক প্রতিষ্ঠারও স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তিনি। জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ