আবদুল জব্বারের বলীখেলা অন্যতম প্রধান লোকজ উৎসব :চসিক মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আবদুল জব্বারের বলীখেলা অন্যতম প্রধান লোকজ উৎসবে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের লাইব্রেরি অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন তিনি।


নগরের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ১১৭তম আবদুল জব্বারের বলীখেলা। এ উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা আয়োজনেরও সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন আয়োজকরা। শনিবার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এ বলীখেলা।

সংবাদ সম্মেলনে মেয়র বলেন, ১৯০৯ সালে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যুবকদের শারীরিকভাবে প্রস্তুত করতে মরহুম আবদুল জব্বার সওদাগর এ বলী খেলার সূচনা করেন। সেই ধারাবাহিকতায় যুগের পর যুগ ধরে এটি চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান লোকজ উৎসবে পরিণত হয়েছে। মেলা কমিটির পক্ষ থেকে লালদিঘী মোড়কে জব্বারের মোড় করার দাবি জানানো হয়। আমি ইতিহাস ঐতিহ্যের কথা মাথা রেখে চত্বরটিকে নতুন রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

সংবাদ সম্মেলন জানানো হয়, এবারের ১১৭তম জব্বারের বলীখেলায় উদ্বোধক থাকবেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি থাকবেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। জব্বারের বলীখেলা ঘিরে ২৪ এপ্রিল থেকে বৈশাখী মেলা শুরু হবে। এসএসসি পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এবারের মেলার সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। ২৬ এপ্রিল রোববার ভোরের মধ্যে মেলা শেষ হবে।

এসময় আরও জানানো হয়, মেলা ও বলীখেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সিএমপি ও র‌্যাবের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ার, ড্রোন নজরদারি, সোয়াট ও বোম ডিসপোজাল ইউনিট মোতায়েন থাকবে। এছাড়া মেডিক্যাল টিম ও ফায়ার সার্ভিস প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শওকত আনোয়ার বাদল ও সভাপতি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, বলীখেলার ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে তারা কাজ করছেন। একইসঙ্গে মরহুম আবদুল জব্বার সওদাগরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান এবং চট্টগ্রামে একটি বলি খেলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলন শেষে লালদিঘী চত্বরে বলি খেলার প্রতিকৃতি সম্বলিত ম্যুরালের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এসময় জব্বারের বলীখেলার প্রবর্তক আব্দুল জব্বারের নামানুসারে চত্বরটির নাম ‘জব্বার চত্বর’ নামকরণ করা হয়েছে। নবনির্মিত ম্যুরালে টেরেকোটার ত্রিভুজ আকৃতির এ চত্বরের একদিকে রাখা হয়েছে বলীখেলার প্রতিকৃতি, একপাশে হাতুরির প্রতিকৃতি দিয়ে ন্যায় বিচারের পীঠস্থান আর অপর পাশে দুই হাতে শেকল ভাঙ্গার প্রতিকৃতি দিয়ে লালদিঘীর ইতিহাস লেখা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সিটি মেয়র সাংবাদিকদের আরো বলেন, আমি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তারা আমার কাছে অনুরোধ করেছিল এ চত্বরকে আব্দুল জব্বার চত্বর হিসেবে ঘোষণা করার। আমি তাদের কথা দিয়েছিলাম। আজকে সেটার উদ্বোধন করছি। আমরা এখানে এমন একটি ম্যুরাল নির্মাণ করেছি যা বলিখেলা, বীর চট্টলার সংগ্রামী ঐতিহ্য এবং আদালতে ন্যায় বিচার প্রাপ্তির চেতনাকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরে। চট্টগ্রামের এ বলীখেলার ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মকে জানাতে হবে এই ভাবনা থেকে এই ম্যুরালটি নির্মাণ করা হল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা ২৭ জুলাই থেকে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্যার কারণে স্থগিত চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৫ জেলার পরীক্ষা আগামী ২৭ জুলাই শুরু হবে।স্থগিত পরীক্ষাগুলোর নতুন সময়সূচি তৈরি করা হবে। সে অনুযায়ী বোর্ডটির অধীন ৫ জেলায় পরীক্ষা নেওয়া হবে। শিগগির এ সূচি প্রকাশ করা হবে।বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হযরত আলী শাহ হুজুর : আধ্যাত্নিক সাধনার প্রাণ পুরুষ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দরবার এ বেতাগী আস্তানা শরীফের আধ্যাত্নিক সাধনার প্রাণ পুরুষ, উপমহাদেশের বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন এর অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব, সৈয়দুল আজম, হযরত হাফেজ হাকিম শাহ মুহাম্মদ বজলুর রহমান (রহঃ) এর যোগ্যতম উত্তরসুরী ও সাহেব জাদা, একাত্তরের মহান মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক, পীরে তরিকত রাহনুমায়ে শরীয়ত,মুরশীদে বরহক, কুতুবে জামান, হযরত মাওলানা শাহ মুহাম্মদ জিল্লুর রহমান আলী শাহ (রহঃ)।হুজুর কেবলা, তাহার জীবনের বেশিসময় ব্যয় করেছেন, বেতাগী দরবার শরিফের আশেক ভক্ত এবং মুরিদানদের সাথে সু-সম্পর্কের মাধ্যমে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার অন্তর্গত, ধর্মপুর-জাহানপুর ইউনিয়ন এবং রাউজান উপজেলার হলদিয়া-উত্তরসর্তা গ্রামে হুজুর সময় পেলে তশরিফ রাখতেন।

তিনি চট্টগ্রাম-ফটিকছড়ি উপজেলার দক্ষিণ ধর্মপুর ইউনিয়নে, তাঁর পিতার স্মৃতি-বিজড়িত স্থানে ১৯৮৫ সালে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্টা করেন, যার নাম রহমানিয়া মুহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসা। উক্ত মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে, তিনি প্রায় সময় দক্ষিণ ধর্মপুরে তশরিফ রাখতেন। তিনি ধর্মপুরের মানুষকে অনেক বেশি ভালোবাসতেন। তারই প্রেক্ষিতে, তাহার অত্যান্ত স্নেহের রুহানি সন্তান(মুরিদ), দক্ষিণ ধর্মপুর রহমানিয়া মুহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা সদস্য এবং দক্ষিণ ভুঁইয়া গাজীর বাড়ীর নিবাসী এবং আলী শাহ হুজুরের একনিষ্ঠ মুরিদ, মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানির বাসভবনে আসতেন।

মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানিকে তিনি নিজের সন্তান হিসাবে জানতেন। আলী শাহ হুজুর তাহার জীবদ্দশায় মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানিকে খুবই ভালোবাসতেন। যেমন করে আশেক-মাসুক একসুতাঁই গাথাঁ থাকে। হুজুর যতবার দক্ষিণ ধর্মপুরে আসতেন, তিনি মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানির বাসভবনে আরাম আয়েশ করতেন। তাহার বাসবভনে হুজুর থাকতে বেশি পছন্দ করতেন। মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানি এবং তাহার পরিবার, আলী শাহ হুজুরের খেদমতে সবসময় নিবেদিত থাকতেন। পরিবারের সকলে আলী শাহ হুজুরে আদেশ উপদেশ মতো চলতেন। আলী শাহ হুজুর তাহার জীবদ্দশায় মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানিকে নিজের লোহানী সন্তান বলতেন। তাহাকে ছেলে পরিচয় দিতেন।

পুত বলে ডাকতেন। হযরত জিল্লুর রহমান (আলী শাহ্) হুজুর মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানির বাসস্থানের যে রুমে সর্বদা অবস্থান করতেন, সেই স্মৃতি বিজড়িত খাস স্হানটি এখনো সংরক্ষিত আছে এবং মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানির পরিবারবর্গ সেটা যথাযথ মর্যাদার সাথে স্মৃতি বহন করে রেখেছেন হযরতের হাস হুজরা শরীফ।আলী শাহ হুজুরের ইন্তেকালের একবছর আগে হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানি এবং তাহার পরিবার ঐ হাসপাতালে হুজুরকে দেখতে গেলে আলী শাহ হুজুর মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানিকে হাসপাতালে দেখা মাত্রই হঠাৎ জজবা হালতে ডাকে। হুজুরের কাছে নিয়ে গিয়ে হুজুর তাহার সিট থেকে কষ্ট করে নেমে দাড়িঁয়ে মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানিকে নিজের হাতে, নিজের মতো করে মাথায় একটি পাকড়ি পরিয়ে দেন।

তখন উপস্থিত সকলে, পীর-মুরিদের এই ভালোবাসার দৃশটি দেখে অভিভূত হন। এর মাধ্যমে আলী শাহ হুজুর স্বীকৃতি দিয়ে গেলেন তাঁহার আস্থাভাজন মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানিকে। আলী শাহ হুজুরের কেমন ভালোবাসার একজন রুহানি সন্তান ছিলেন। আল্লাহ যেন এই মহান স্বীকৃতি ও তরিকতের খেদমত এবং গুণের উসিলায়, মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানিকে জান্নাতবাসী করেন।

জানা গেছে, ২০০৮ সালের ৩ মার্চ সোমবার বিকেল ৪টায় মরহুম আলহাজ্ব আলী আহমদ কোম্পানীকে তার মহান মুর্শিদ কর্তৃক সেচ্চায় খেলাফত দান করেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পূর্ব পাশ্বে’ পিপলস হাসপাতালে খেলাফত দানকালে আলী শাহ হুজুর নিজ মুখে বলেন,আমাকে আমার পীর ও আমার আব্বা জানের হুকুম মতে মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানিকে খেলাফত প্রদান করতে বাধ্য হলাম। এই কথা বলার সাথে সাথে নিজ মাথায় পাকড়ি বেধে দিয়ে ধন্য করেন। এসময় সাহেব জাদা মরহুম আলহাজ্ব¡

আলী আহম্মদ কোম্পানি মেঝ ছেলে মোরশেদুল আলম, ধর্মপুর ফটিকছড়ির দক্ষিণ ভুইয়া গাজীর বাড়ীর শাহ আলম, রাউজান হলদিয়ার হয়রতের খাস খাদেম মো. ফোরকান, মুহাম্মদ গোলামুর রহমান আশরফ সাহেবের ছোট মামা, চট্টগ্রাম মহানগরীর নবাব সিরাজুদ্দৌলা রোড়স্থ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দেলোয়ার সাওদাগর, মরহুম আলহাজ্ব আলী আহম্মদ কোম্পানির সহধর্মিনিসহ আরো অনেকে উপস্থিতি ছিলেন।

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ