চট্টগ্রামে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শতভাগ বাস্তবায়ন করতে চান বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেছেন, সারা দেশের ন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়েও ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদেরকে বিনামূল্যে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ চলমান রয়েছে। গত ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পেইন জেলা পর্যায়ে আগামী ১০ মে এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় ২০ মে পর্যন্ত এলাকায় চলমান থাকবে।

সরকারী ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময়ে এ বয়সী শিশুকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১ ডোজ এমআর টিকা দেয়া হবে। ৬-৫৯ মাস বয়সী কোন শিশু যাতে টিকা পাওয়া থেকে বাদ না পড়ে সে বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ৪২ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ২৭ এপ্রিল সোমবার পর্যন্ত টিকা প্রদানের হার প্রায় ৪৪ শতাংশ। হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন আমরা শতভাগ বাস্তবায়ন করতে চাই। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত উদ্যোগে প্রয়োজন। মঙ্গলবার সকালে নগরীর সিনেমা প্যালেস সংলগ্ন লয়েল রোডস্থ চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক এসোসিয়েশন (বিপিএ) সদস্যদের সাথে আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয় সভার আয়োজন করেন।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় সমন্বয়কারী ডা. ইমং প্রু চৌধুরী। সভায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুছা মিয়া, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী জেনারেল ও চমেক হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক (শিশু স্বাস্থ্য বিভাগ) ডা. মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ঢালী, চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমাম হোসেন রানা, চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক কর্ণেল (ডা.) তাহমিদ হক, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক এসোসিয়েশনের চট্টগ্রাম জেলা শাখার উপদেষ্টা ডা. মোঃ আবুল কালাম ও ইউসিসেফ’র ন্যাশনাল ইপিআই স্পেশালিষ্ট ডা. সরোয়ার আলম। ওরিয়েন্টেশন সভায় বিপিএ’র চট্টগ্রাম জেলা শাখার কর্মকর্তা ও সদস্যরা হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

ডা. ফজলে রাব্বি বলেন, হাম-রুবেলা নির্মূলে টিকাদান ক্যাম্পেইন একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কর্মসূচী। বিভাগের কোন শিশু যাতে এই টিকার আওতার বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্কদৃষ্টি রাখতে হবে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে। হাম-রুবেলার টিকা অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকরী। তারপরও কখনও কখনও সামান্য কিছু প্রতিক্রিয়া বা লক্ষণ দেখা দিলে ভয়ের কোন কারণ নেই, এমনিতেই সেরে যাবে। হাম একদিকে যেমন দ্রুত ছড়ায়, অন্যদিকে সঠিক সময়ে টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করাও বেশ সহজ।

এটি মূলত ‘হার্ড ইমিউনিটি’ বা গোষ্ঠীগত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মতো কাজ করে। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর বড় অংশকে যদি টিকার আওতায় এনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা যায়, তবে ওই এলাকার সব শিশু সুরক্ষিত থাকবে। অধিকাংশ শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হলে হাম ছড়ানোর আর কোনো সুযোগ থাকবে না। সঠিক তথ্য প্রদান ও টিকাদান কার্যক্রমে শতভাগ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ওরিয়েন্টেশন সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, হাম-রুবেলার (এমআর) টিকা অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকরী। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞদের চেম্বারে চিকিৎসার জন্য আসা ৬-৫৯ বয়সী শিশুদেরকে এমআর টিকা দেয়ার জন্য অভিভাবকদেরকে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করতে হবে।

মূলতঃ পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরপর মিজেলস ছড়িয়ে পড়ায় এটি নিয়ন্ত্রণে বর্তমান সরকার সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়ে পাইলট প্রকল্প হিসেবে প্রথমে দেশের ১৮ জেলার টিকাদান কর্মসূচী শুরু করেন। এ সময়ে শিশুদের জন্য ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রয়োজন থাকলেও প্রয়োজনের তুলনায় সরবরাহ অপ্রতুল। তাই এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে সারাদেশে শিশুদের জন্য ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের সরবরাহ নিশ্চিতসহ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্যাম্পেইন যাতে শুরু করা হয় সে ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ’র মাধ্যমে সরকারকে অনুরোধ জানানো হবে।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, জনসুরক্ষা (পপুলেশন ইমিউনিটি) বৃদ্ধির লক্ষ্যে নির্দিষ্ট সময় পর পর হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন জরুরী। পূর্বে এমআর টিকা পেয়ে থাকলেও অথবা হাম বা রুবেলা রোগ হলেও ৬-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে এ ক্যাম্পেইনের সময় ১ ডোজ এমআর টিকা দেয়া হবে।

অসুস্থ শিশুরা সুস্থ হলে কিংবা উদ্দিষ্ট শিশু পূর্বে হাম বা রুবেলা রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকলেও ক্যাম্পেইন চলাকালে যে কোন টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা নিতে পারবে। এমআর টিকা নিরাপদ হলেও কখনও কখন সামান্য কিছু প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ভয়ের কোন কারণ নেই, এগুলো এমনিতেই সেরে যাবে। ক্যাম্পেইনে টিকা পাওয়া সত্ত্বেও দুই বছরের কম বয়সী শিশুকে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় ২ ডোজ এমআর টিকা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। তবে দু’টি ডোজের মধ্যে অবশ্যই ২৮ দিনের বিরতি থাকতে হবে।

ক্যাম্পেইন নিয়ে যে কোন ধরনের গুজব রোধে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুর ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে এমআর টিকা নিতে পারবে, যাদের জন্মনিবন্ধন সনদ নেই তাদেরকে লাইন লিস্ট করে সরবরাহকৃত এমআর টিকা কার্ড পূরণ করে টিকা প্রদান করতে হবে। সভায় জানানো হয়, হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গত ৫ এপ্রিল থেকেই দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলা ও ১৩টি পৌরসভায় জরুরি ভিত্তিতে প্রথম দফায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে মন্ত্রণালয়। এ সময়ে চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার রামু, মহেশখালী, চাঁদপুর জেলা সদর ও হাইমচর উপজেলাও কর্মসূচী শুরু হয়।

গত ১২ এপ্রিল ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বরিশাল ও ময়মনসিংহে দ্বিতীয় দফায় হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে এই হাম-রুবেলার (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়। চট্টগ্রাম বিভাগে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৪২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে হাম-রুবেলার টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভাগের মোট ১৬৪টি স্থায়ী কেন্দ্র, ২৪ হাজার ৬৪০টি ভ্যাকসিনেশন সেন্টারে সরকারী ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ টিকা দেয়া হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে ১ হাজার ১৫টি মপ-আপ টিম ও সান্ধ্যকালীন ১৬টি টিম এ টিকা প্রদানের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফরিদা ইয়াসমিন চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন মিরসরাই থানার ফরিদা ইয়াসমিন। এর আগেও তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছিলেন। অপরাধ দমন ও মাদক উদ্ধারে বিশেষ অবদানের জন্য মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার মাসুদ আলম তার হাতে শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার তুলে দেন।

পুলিশ জানায়, ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত মিরসরাই থানার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রথম নারী ওসি ফরিদা ইয়াসমিন অপরাধ দমন এবং মাদক উদ্ধার অভিযানে সাফল্য দেখিয়েছেন।এছাড়াও ডাকাতির মালামাল উদ্ধার ও আসামী গ্রেফতার, হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য তাকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম ছাড়াও জেলার অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ওসি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, এই সম্মাননা মিরসরাই থানার প্রতিটি পুলিশ সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক, ফের উৎপাদনে ফিরল সিইউএফএল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবশেষে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় উৎপাদনে ফিরেছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)।দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে কারখানাটিতে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়। এর আগে গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

দীর্ঘদিন পর কারখানাটি পুনরায় চালু হওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ও উৎসাহ ফিরে এসেছে।কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মিজানুর রহমান জানান, দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস পর আমরা উৎপাদনে ফিরেছি। এই দীর্ঘ সময়ে যে ক্ষতি হয়েছে, নিয়মিত উৎপাদনের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই তা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।

সিইউএফএলের বিগত কয়েক বছরের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কারখানাটি মাত্র পাঁচ দিন চালু রাখতে পেরেছিল। ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বন্ধ হওয়ার দীর্ঘ সময় পর তা অক্টোবরে চালু হয়। এরপর ২০২৫ সালের বিভিন্ন সময়ে যান্ত্রিক ত্রুটি ও গ্যাস সংকটের কারণে বারবার কারখানাটি বন্ধ ও চালুর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছে। সর্বশেষ গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, যা দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময় পর ১৫ সেপ্টেম্বর পুনরায় চালু হলো।

সিইউএফএলের উৎপাদন বিভাগের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) উত্তম চৌধুরী মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ সকালে আমাদের উৎপাদন প্রাথমিকভাবে শুরু হয়েছে। গত মাসের শেষের দিকে আমরা গ্যাস পেলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে তাৎক্ষণিকভাবে উৎপাদনে ফিরতে পারিনি। এরপর একে একে সব যন্ত্রপাতি সচল করার চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করি, আগামীকালের মধ্যে কারখানাটি পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত ও স্বাভাবিক অবস্থায় আসবে।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ছয়টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়। এর আগে গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর প্রথমে অ্যামোনিয়া উৎপাদন শুরু করা হয়। এরপর ধাপে ধাপে ইউরিয়া প্ল্যান্ট চালুর কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। চালুর প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু যান্ত্রিক জটিলতা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা হয়।

কাফকোর পাশেই অবস্থিত সিইউএফএলে দীর্ঘদিন ধরেই গ্যাস সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে আসছে। কারখানাটির পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনের জন্য দৈনিক প্রায় ৪৮ থেকে ৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হয়। একসময় দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও বিভিন্ন কারণে বর্তমানে এর কার্যকর সক্ষমতা অনেকটাই কমেছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ