আজঃ শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬

পরিবহন খাতের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে : মেয়র ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ট্রেইলার ট্রান্সপোর্ট মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন–এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রবিবার চসিকের প্রধান নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পরিবহন খাতের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি-দাওয়া ও পেশাগত প্রতিবন্ধকতার বিষয় মেয়র মহোদয়ের কাছে তুলে ধরেন।

এ সময় তারা নগরের সড়ক ব্যবস্থাপনা, ভারী যানবাহন চলাচল, ট্রেইলার পার্কিং সংকট এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা কামনা করেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। এ নগরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে পরিবহন খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই খাতের যৌক্তিক সমস্যা সমাধানে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “নগরবাসীর স্বার্থ রক্ষা এবং যানজট ও জনদুর্ভোগ কমিয়ে সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। চট্টগ্রামকে আধুনিক, নিরাপদ ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

সাক্ষাৎ শেষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মেয়র মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরের অংশগ্রহণে চট্টগ্রামে শিয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে শোক মজলিস ও শোক র‌্যালি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে কারবালার শোকাবহ ঘটনা স্মরণে চট্টগ্রামে শিয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে শোক মজলিস ও শোক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ইমাম হোসাইন (আ.)-এর আত্মত্যাগের আদর্শ তুলে ধরার পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, বিশ্ব শান্তি এবং জঙ্গিবাদ-উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া র‌্যালীতে শোকাবহ কারবালার নানা ঘটনাবলি তাজিয়া, প্রতীকী কফিন, পতাকা, স্লোগান, মাতম ও কথামালায় তুলে ধরেন। শুক্রবার নগরের সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহ থেকে হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে শোক মিছিল বের হয়। মিছিলটি নিউমার্কেট, জিপিও, কোতোয়ালী মোড়সহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহে এসে শেষ হয়।

শোক মিছিলে শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোর অংশ নেন। তারা ইমাম হোসাইন (আ.)-এর প্রতীকী কফিন ও বিভিন্ন লেখা সম্বলিত পতাকা (আলাম) বহন করেন। মিছিলজুড়ে কারবালার শহীদদের স্মরণে নওহা ও মার্সিয়া পাঠ করা হয়। ‘ইয়া হোসাইন’ ও ‘লাব্বাইক ইয়া হোসাইন’সহ বিভিন্ন শোকধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহে মাসায়েব মজলিস অনুষ্ঠিত হয়। এতে হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা আমজাদ হোসেন কারবালার প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে হযরত ইমাম হোসাইন (আ.) ও তাঁর পরিবার-পরিজনের শাহাদাতের হৃদয়বিদারক ঘটনা তুলে ধরেন। তাঁর বয়ানে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে অংশগ্রহণকারীরা বুক চাপড়ে মাতমের মাধ্যমে শোহাদায়ে কারবালার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

নিউমার্কেট এলাকায় অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মাওলানা আমজাদ হোসেন মুসলিম উম্মাহর ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।তিনি বলেন, ‘কারবালার শিক্ষা কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি সত্য, ন্যায়বিচার ও মানবতার পক্ষে দাঁড়ানোর এক চিরন্তন আহ্বান। আজ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানসহ নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর ওপর হত্যা, নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, আমরা সকল প্রকার যুদ্ধ, আগ্রাসন ও নিরপরাধ মানুষের রক্তপাতের তীব্র নিন্দা জানাই। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং সব ধরনের জুলুম-নির্যাতনের অবসানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা কামনা করছি। একই সঙ্গে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিকে হত্যাকারীদের কঠিন শাস্তি কামনা করি ও ধিক্কার জানাই। ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার রক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কারবালার মহান আদর্শ আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং শান্তি, ন্যায় ও মানবতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকতে শিক্ষা দেয়।’

মিছিলে ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর’, ‘ইয়া হোসেন’, ‘লাব্বায়িক ইয়া হোসেন’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়। হৃদয়গ্রাহী কণ্ঠে ‘আখেরি সালাম লও ওহে নানাজান, তোমারি হোসেন যায় কারবালা ময়দান’সহ ধর্মীয় নাত, গজল পরিবেশন করে যুবকরা মাতম করেন।পিপাসার্ত পথচারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয় শরবত।
মিছিলটি কালীবাড়ি মোড়, নিউমার্কেট মোড়, কোতোয়ালী মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ইমাম বাড়িতে ফিরে যায়। সেখানে দিনব্যাপী শিয়াদের চিরায়ত ঐতিহ্য অনুযায়ী আচার-অনুষ্ঠান, আলোচনা আর প্রার্থনা হয়।

বাবা তার ছোট্ট সন্তানকে কাঁধে নিয়ে শরিক হয়েছেন মিছিলে। ছোট্ট শিশুটির হাতে কালো পতাকা। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে এই বাবা বলেন, ১০ মহরম হৃদয়বিদারক ঘটনা। ইমাম হোসাইন সপরিবারে কারবালার মরু প্রান্তরে শহীদ হয়েছেন। আজ আমার বাচ্চাকে নিয়ে হাঁটছি কিন্তু সেদিন ছয় মাসের সন্তানও রেহাই পাননি ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে। সেই স্মৃতি বুকে ধারণ করে আমার সন্তানকে নিয়ে কারবালার জুলুসে এসেছি।

একজন নারী বলেন, আজ ১০ মহররম। আমাদের পবিত্র আশুরা। কারবালায় ইমাম হোসাইন শহীদ হয়েছেন, তাঁর স্মরণে আমরা শোক পালন করছি। ইসলামের জন্য, হক প্রতিষ্ঠার জন্য নবীজীর বংশধর জীবন দিয়েছেন। এমনকি ছোট্ট আলি আজগর পিপাসার্ত অবস্থায় শহীদ হয়েছেন। উনাকে তীর মেরে শহীদ করা হয়েছে। ইমামের মিছিলে যে নারীরা ছিলেন, তাঁদের ওপর জুলুম করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রতিবছর ১০ মহরম পবিত্র আশুরার দিনে কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা স্মরণে নগরীর সদরঘাট থেকে এই শোক মিছিলের আয়োজন করে শিয়া সম্প্রদায়। এ উপলক্ষে সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানও পালন করা হয়।

পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার ২৫ জুন, সকালে বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদের হল রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান ফারুক এর সভাপতিত্বে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ জহির উদ্দিন ভূঁইয়া সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন বোয়ালখালী ইউসিসি (বিআরডিবি) র চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নুরুন্নবী চৌধুরী।আহলা কড়লডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হামিদুল হক মান্নান। পৌরসভা বিএনপি সাবেক আহবায়ক শহীদুল্লাহ চৌধুরী, সাবেক সদস্য সচিব ইউসুফ চৌধুরী, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এ এম কামাল উদ্দিন।

সভায় সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় দিবসটি আগামী ৬ জুলাই সোমবার সকাল ১১টায় যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাঈম হাসান, উপজেলা সমবায় অফিসার মো. রাসেল চৌধুরী, উপজেলা স প্রা শিক্ষা অফিসার শিবলু দাশ, বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ হাসান চৌধুরীসহবিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যানবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, সমবায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সাংবাদিক অন্যান্য গণমাধ্যমকর্মী।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ