আজঃ মঙ্গলবার ১২ মে, ২০২৬

চট্টগ্রামে তাজা গুলি উদ্ধার মামলায় রিমান্ডে দুই অস্ত্র কারবারি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের খুলশী থানায় বিদেশি পিস্তলের ১৫০ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধারের মামলায় গ্রেফতার দুই আসামির দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন, মো. ফয়সাল আহমেদ রনি (৪০) ও আমিনুল হক বাপ্পী (৩৯)। রোববার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো.মহিদুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ মে মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের একটি দল নগরের খুলশী থানার ওয়াসা মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল আহমেদ রনিকে আটক করে। এসময় তার কাছে থাকা একটি শপিং ব্যাগ থেকে ১৩৯ রাউন্ড বিদেশি পিস্তলের তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চকবাজার থানার দামপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আমিনুল হক বাপ্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে আরও ১১ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় খুলশী থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করেন, উদ্ধার হওয়া গুলির উৎস, সরবরাহ চক্র এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত করতে আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) আরিফ ইকবাল বলেন, ১৫০ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধারের মামলায় গ্রেফতার দুই আসামির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।আদালত শুনানি শেষে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে : মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান মাসব্যাপী নালা নর্দমা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে আরও গতি আনতে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রবিবার (১০ মে ২০২৬) নগরীর দেওয়ান বাজার ও জামাল খান ওয়ার্ডে পরিচালিত ক্র্যাশ প্রোগ্রামের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

দৈনিক কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১টায় সাব এরিয়া এলাকা এবং সকাল সাড়ে এগারটায় রহমতগঞ্জ, মিডটাউন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন মেয়র। এ সময় সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, পাইপ দিয়ে পানি নিষ্কাশন হচ্ছে, তবে তা এখনো পর্যাপ্ত নয়। ভারী বৃষ্টিপাত হলে এসব এলাকায় জলাবদ্ধতার ঝুঁকি থেকে যায়। তাই দ্রুত মাটি অপসারণসহ চলমান কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।তিনি ৩৪ ব্রিগেড আর্মি ইঞ্জিনিয়ারিং টিমকে দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যার অন্যতম কারণ হচ্ছে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা ও নালায় বর্জ্য নিক্ষেপ। এতে পানি চলাচল ব্যাহত হয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই জলজট সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, যারা নালা খালে ময়লা ফেলবে, অবৈধ দখল করবে কিংবা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবে এবং আইন অনুযায়ী জরিমানা ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মেয়র স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ভবন মালিক, ব্যবসায়ী ও সমাজের সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, গত বছর সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা অনেকাংশে জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছিলাম। এবারও সব সেবা সংস্থা, জনপ্রতিনিধি ও নগরবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে কাজ করছি।তিনি নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রথমবারের মতো ‘নিরাপত্তা সপ্তাহ’ উদযাপন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘নিরাপদ বন্দর, সমৃদ্ধ দেশ’ এ প্রতিপাদ্যে প্রথমবারের মতো ‘নিরাপত্তা সপ্তাহ-২০২৬’ উদযাপন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। সকালে বেলুন উড়িয়ে সপ্তাহব্যাপী এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বন্দরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমোডর আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহ।এ সময় তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও নিরাপদ অপারেশনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা ও সমৃদ্ধ বন্দর উপহার দেয়া এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। শুধু স্থাপনা নয় বন্দরেরর প্রত্যেক শ্রমিক -কর্মচারী ও অংশীজন, সবার জানমাল, সম্পদ ও বন্দরের যন্ত্রপাতি সব কিছুকে একই ছাতার নিয়ে এসে নিরাপদ বন্দর নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম।

সপ্তাহব্যাপী এ আয়োজনে বন্দরের মেরিন, মেকানিক্যাল, ট্রাফিকসসহ সব বিভাগের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অপারেশনের ঘাটতি পর্যালোচনা করে পদক্ষেপ নেয়া হবে। সেই সঙ্গে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন ধরনের মহড়া ও অনুশীলন কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্বে নিরাপদ বন্দর হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরের সুনাম বজায় রেখে উৎপাদনশীলতা আরও বাড়াতে নজর দেওয়া হবে।এ লক্ষে যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মনুষ্য সৃষ্ট দুর্ঘটনায় প্রত্যেকটি বিভাগের কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে কীভাবে সংকট উত্তরণ করা যায় সেটি নিশ্চিত করা হবে বলে জানান বন্দরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।শেষে বন্দরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে বন্দর ভবন প্রাঙ্গণ থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ