সাধারন মানুষের সুখ দুঃখ আমাদের ধারণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়ন এবং তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জনগণকে সঙ্গে সম্ভব।শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ি মোড়ে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দুস্থ, অসহায় ও পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা আজ এমন একটি স্থানে দাঁড়িয়ে আছি, যার সঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।এই সার্কিট হাউসেই তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তুতিনি বাংলাদেশে একদলীয় শাসনের পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন।তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হলে তাঁর আদর্শ ধারণ করতে হবে এবং জনগণের পাশে থাকতে হবে।

বিএনপির নেতাকর্মীদের মনে রাখতে হবে, জনগণই দলের মূল শক্তি। তাদের স্বার্থ, চাহিদা ও প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাদের জন্য আমরা রাজনীতি করি, সেই সাধারণ মানুষকে কখনো ভুলে গেলে চলবে না। তাদের সুখ দুঃখ আমাদের ধারণ করতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই মানুষগুলোকে আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। তাদের পাশে থাকতে হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
আমির খসরু বলেন, বিএনপি একা কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না। দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে, সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেই আমরা একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ জিয়া ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা এবং সম্মুখ সমরে তাঁর বীরোচিত অংশগ্রহণ জাতিকে স্বাধীনতা অর্জনে অনুপ্রাণিত করেছিল। পঁচাত্তর পরবর্তী এক ক্রান্তিকালে যখন জাতি দিশেহারা, ঠিক তখনই তিনি দেশের হাল ধরেছিলেন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে গেছেন।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি আজ দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। তাঁর শাসনামলে দেশে অর্থনৈতিক মুক্তি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি খাল কাটা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। পোশাক শিল্পকে বিকশিত করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছিলেন। তার বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ দেশের আপামর জনসাধারণকে এক নতুন পরিচয়ে পরিচিত করেছিল।
অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধান অতিথি ও সভাপতি উপস্থিত মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সদস্য মো. কামরুল ইসলামের পরিচালনায় এ কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এমপি, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এমপি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ, শাহ আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহ্বায়কত কমিটির সদস্য ইসকান্দার মির্জা, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, আনোয়ার হোসেন লিপু, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় রিহ্যাব কমিটির সদস্য ডা. এস এম সারোয়ার আলম, মহানগর মহিলাদলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, বাগমনিরাম ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী আবু ফয়েজ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জুলাই নিয়ে বিভাজন তৈরি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য এক বড়ো অশনিসংকেত – মুহাম্মদ শাহজাহান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই গণঅভুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে কেরানিহাটে মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্য, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা । ৫ আগস্ট বিকাল ৫টায় আয়োজিত এই মিছিল ও সমাবেশে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহানসহ ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।

মিছিলোত্তর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, জুলাইয়ের ছাত্রজনতার জীবন ও রক্তদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ এক অভিশপ্ত ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পেয়েছে। অসংখ্য মানুষ এই মুক্তির আন্দোলনে ত্যাগ স্বীকার করেছে। সেসব নির্যাতিত, নিপীড়িত, অকুতোভয় মানুষদের আমরা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। সেই বিপুল আত্মত্যাগের মাধ্যমেই বাংলাদেশের মানুষ ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার জনগণের সেই অধিকারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। আর সেই সুযোগে পেশিশক্তি ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের বৃথা স্বপ্ন দেখছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আজকে তারই আগাম মহড়া দেখাচ্ছে সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল।

কিন্তু আমরা স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই, ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগের সন্ত্রাস ও অস্ত্রের মুখেও এদেশের মানুষ নতিস্বীকার করেনি। সুতরাং যারা দ্বিতীয় ফ্যাসিবাদ কায়েমের স্বপ্ন দেখছেন, তাদের সেই স্বপ্নকে জুলাইজনতা দুঃস্বপ্নে পরিণত করবে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি করলে জনগণ আবারও রাজপথে নেমে আসবে। গণভোটের রায় মেনে না নিলে গণরোষের জন্য প্রস্তুত থাকুন। জুলাই নিয়ে বিভাজন তৈরি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য এক বড়ো অশনিসংকেত। গণভোটের রায় মেনে নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নই বর্তমান রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা জামায়াতের আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী বলেন, রক্তাক্ত জুলাই আমাদেরকে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ দিয়েছে। আর সেই সুযোগকে বাস্তবে পরিণত করার সবচেয়ে বড়ো দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু সরকারের সেদিকে কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। তারা পুনরায় লুটপাটের রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে চায়। তারা পুনরায় দুর্নীতির মহোৎসব করতে চায়। তারা পুনরায় ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার দিকেই হাঁটতে চায়। আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, এই বিপজ্জনক পথে হাঁটবেন না। বরং অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন। বাংলাদেশকে জনগণের আকাঙ্ক্ষিত পথে পরিচালনা করুন।

খেলাফত মজলিসের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা নেছার উদদীন বলেন, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেখিয়ে দিয়েছে, তারা কতটা সাহসী। তারা কতটা আত্মত্যাগী তাও তারা প্রমাণ করেছে। সুতরাং এরকম একটি জাতির গণরায়কে অসম্মান করার দুঃসাহস দেখাবেন না। অনতিবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। দুর্নীতি-দুঃশাসন থেকে বিরত থাকতে হবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এলডিপির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া শিমুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জাতি দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসন ও ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করেছে। যে জাতি একবার বিজয়ী হতে শিখে গেছে, তাদের জনমতকে অশ্রদ্ধা করে পার পাওয়া যাবে না। অতএব, এখনও সময় আছে, জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে তা বাস্তবায়ন করুন। সবাই মিলে একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে আসুন। যদি তা না করে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃশাসন চাপিয়ে দিতে চান, তাহলে পরিণতিও একই হবে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ বদরুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাছের, এনসিপি নেতা সিফাত হোসেন, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জায়েদ হোসেন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবুল ফয়েজ, আ.ক.ম. ফরিদুল আলম, সাতকানিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা কামাল উদ্দীন, সাংগু থানা আমীর মাষ্টার সিরাজুল ইসলাম, সাতকানিয়া পৌরসভার আমীর অধ্যক্ষ হামিদ উদ্দিন আজাদ, উপজেলা সেক্রেটারি তারেক হোসাইন, কেরানীহাট সেক্রেটারি আবদুল মালেক, পৌরসভা সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

অন্যদিকে, পটিয়া উপজেলা আমীর জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে সকাল ১১:৩০টায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম অঞ্চল টীম সদস্য অধ্যাপক জাফর সাদেক। পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম অঞ্চল টীম সদস্য জনাব জাফর সাদেক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা গাজী আবুল কালাম, জাহাঙ্গীর আলম, পটিয়া শহর শিবিরের সভাপতি মাহবুব উল্লাহ প্রমুখ ১১ দলীয় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

কর্ণফুলী উপজেলা আমীর মনির আবছার চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকাল ০৫ টায় কর্ণফুলীর ক্রসিং মোড়ে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল আমিন চৌধুরী। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবুল ফয়েজ, নুরুল হক, উপজেলা সেক্রেটারি নুরুদ্দীন জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কর্ণফুলী উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আবরার হোসাইন, চট্টগ্রাম পশ্চিম জেলা শিবিরের সাহিত্য সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম মোরশেদ, উপজেলা জামায়াতের বায়তুলমাল সেক্রেটারি এডভোকেট মুহাম্মদ হারুন সহ প্রমুখ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে বোয়ালখালী উপজেলা ও পৌরসভা জামায়াতের উদ্যোগে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর জননেতা আনোয়ারুল আলম চৌধুরী।

উপজেলা আমীর ডাঃ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মিছিলোত্তর সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আরিফুর রশীদ, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা ইমাম উদ্দীন ইয়াছিন, বোয়ালখালী পৌরসভা জামায়াতের নায়েবে আমীর জয়নাল আবেদীন, সেক্রেটারি আব্দুর রহমান, ছাত্রশিবির বোয়ালখালী সদর শাখার সভাপতি আবু তাহের নোমান, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন এর সভাপতি মাওলানা নুরুল কবির, পৌরসভা সভাপতি মাওলানা মফিজুর রহমান প্রমুখ।

আনোয়ারা উপজেলা আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার আবদুল গণির সভাপতিত্বে বিকাল ০৫ টায় আনোয়ারা টানেল মোড়ে অনুষ্ঠিত মিছিলোত্তর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ড. হেলাল উদ্দিন মুহাম্মদ নোমান। আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী, উপজেলা সেক্রেটারি আবুল হাছান সহ প্রমুখ ১১ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস গণতন্ত্র, অধিকার ও ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের এক গৌরবময় স্মারক দিপ্তী-শাহেদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আমাদের গণতন্ত্র, অধিকার ও জনগণের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের একটি গৌরবময় স্মারক। আগামী ৪ আগস্ট চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন র‌্যালির মাধ্যমে আমরা সেই সব শহীদ ও আহত সংগ্রামীদের গভীর শ্রদ্ধা জানাই, যাদের আত্মত্যাগে দেশের মানুষ নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছে।

তিনি আজ ০৩ আগস্ট সোমবার বিকালে কাজীর দেউরীস্থ নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয় সম্মুখ মাঠে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আগামীকাল ৪ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের র‌্যালি ও ১৪ আগস্ট চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে মহানগর বিএনপি আয়োজিত শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিজ্ঞতা করছে শহীদের স্বপ্নে বাংলাদেশ গড়তে যুব সমাজকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস কেবল একটি স্মরণীয় দিন নয়, এটি অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে তরুণদের সাহসী অবস্থানের প্রতীক। আগামী কালকের র‌্যালি থেকে আমরা দেশের যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং দেশ গঠনে ইতবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাই। তিনি আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ যেন কখনো বৃথা না যায়, সে লক্ষ্যে আমরা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সামাজিক ন্যায় বিচার এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাব। নগর বিএনপি আয়োজিত শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট সফল করার লক্ষ্যে যুবদল সার্বিক শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করবে।

প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাবেক সহ-সভাপতি এস এম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, মোহাম্মদ মুসা, মিয়া মোহাম্মদ হারুন, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, মুজিবুর রহমান, জসিমুল ইসলাম কিশোর, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির, রাশেদুল হাসান লেবু, এরশাদ হোসেন, সেলিম উদ্দিন রাসেল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, মোরশেদ আলম, রাজন খাঁন, তানভীর মল্লিক, হেলাল হোসেন, গুলজার হোসেন, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, জাহাঙ্গীর আলম বাঁচা, ওসমান গনি সিকদার, শাহজালাল পলাশ, মুজিবুর রহমান রাসেল, সাবেক সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মহিউদ্দিন মুকুল,

এস এম বখতিয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, মোহাম্মদ ইকবাল, আসাদুজ্জামান রুবেল, সাবেক সহ- সম্পাদকবৃন্দ আতিকুর রহমান, মনোয়ার হোসেন মানিক, কমল জৌতি বড়ুয়া, কামরুল ইসলাম, কোরবান আলী, শাহেদুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, জিয়াউল হক মিন্টু, গুলজার হোসেন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, মোহাম্মদ ইউসুফ, মোহাম্মদ হাসান, আবুল কালাম, মনজুর আলম মনজু, মিজানুর রহমান দুলাল, হোসেন জামান, ইয়াছিন আজাদ, আবদুল্লাহ আল জিতু, মোহাম্মদ জসিম, সাবেক সদস্য শাবাব ইয়াজদানী, কলিম উল্লাহ, প্রফেসর সাইদুল হক সিকদার, শাখাওয়াত কবির সুমন, থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আজম, মোশাররফ আমীন , বজল আহমেদ, কুতুবউদ্দিন কুতুব, মোহাম্মদ সেলিম, সাবেক সদস্য সচিব শেখ রাসেল, মোহাম্মদ হাসান, শওকত খান রাজু, মোহাম্মদ মুসা, মোরশেদ কামাল, আশিক মল্লিক আরসি, মনজুর আলম মনজু, মোহাম্মদ সোহেল, ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আকতার, এস এম আলী, আবু বক্কর বাবু, সাইফুল আলম, জহিরুল ইসলাম, মাসুদ আলম, জাহাঙ্গীর আলম বাবলু প্রমুখ।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ