আজঃ সোমবার ১ জুন, ২০২৬

পূর্বধলায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন আতকাপাড়া নবজাগরণ স্পোর্টিং ক্লাব

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী বিশেষ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। শনিবার (৩০ মে) সকাল ১০টায় উপজেলার আতকাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় যুবকদের অংশগ্রহণে এই প্রাণবন্ত ক্রিকেট উৎসবের আয়োজন করা হয়।

তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যে ছাত্রনেতা এস এম সোহাগ মিয়ার উদ্যোগে ও অর্থায়নে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।টুর্নামেন্টে স্থানীয় মোট ৪টি দল অংশ নেয়। দলগুলো হলো— বাঁশাটি যুব উন্নয়ন স্পোর্টিং ক্লাব, আতকাপাড়া নবজাগরণ স্পোর্টিং ক্লাব, বাশাউড়া উদয়ন স্পোর্টিং ক্লাব এবং বাদেবিন্না একাদশ স্পোর্টিং ক্লাব।

দিনব্যাপী খেলা শেষে একটি রোমাঞ্চকর ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে চমৎকার নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ‘আতকাপাড়া নবজাগরণ স্পোর্টিং ক্লাব’। বিজয়ী দলের হাতে প্রথম পুরস্কার হিসেবে আকর্ষণীয় ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। অন্যদিকে রানারআপ দল ‘বাঁশাটি যুব উন্নয়ন স্পোঙর্টিং ক্লাব’কে নগদ অর্থ সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হয়। টুর্নামেন্টের ৪টি দলেরই জার্সি স্পন্সর করেন উদ্বোক্তা এস এম সোহাগ মিয়া।

ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেম্বার জনাব আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টটি উদ্বোধন করেন মোঃ হেলাল মেম্বার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সহ-organizational (সহ-সাংগঠনিক) সম্পাদক এস এম সোহাগ মিয়া।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানব কল্যাণ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি সুর্যোদয় স্পুটিং ক্লাব জনাব আবু তাহের খান দুর্জয়, ইঞ্জিনিয়ার সাদ্দাম হোসেন, সরকারি কর্মকর্তা শহীদ মাহমুদ, রবিন মিয়া, মেহেদী হাসান রাহুল, সাদ্দাম হোসেন, এমবিশন বিসিএস কোচিং-এর ম্যানেজার সুজন আহম্মেদ জনি, ব্যাংকার এ.কে মুন্না সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় মুরুব্বিয়ানরা। পুরো আয়োজনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আতকাপাড়া নবজাগরণ স্পোর্টিং ক্লাবের সদস্যবৃন্দ ও এলাকাবাসী।

প্রধান অতিথি এস এম সোহাগ মিয়া তাঁর বক্তব্যে বলেন, “নিয়মিত শারীরিক চর্চা ও খেলাধুলা কেবল মানবদেহকে সুগঠিত করে না, বরং মানসিক অবসাদ দূর করে একাগ্রতা ও দলবদ্ধভাবে কাজ করার মানসিকতা তৈরি করে। আধুনিক জীবনযাত্রায় প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে যে স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হচ্ছে, তা থেকে মুক্তির অন্যতম প্রাকৃতিক উপায় হলো খেলাধুলা।”

তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা জয়-পরাজয় মেনে নিয়ে বাস্তব জীবনে ধৈর্যশীল হতে শেখায়। তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকাসক্তি থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে তৃণমূল পর্যায়ে এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জঙ্গল সলিমপুরকে আর কোনোভাবেই অপরাধীদের আস্তানা হতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরকে আর কোনোভাবেই অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, এখানকার অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তবে জঙ্গল সলিমপুরের স্থানীয় প্রকৃত অধিবাসীদের কাউকেই উচ্ছেদ করা হবে না। তাদের কীভাবে পুনর্বাসন করা যায়, সরকার সেই ব্যবস্থা করবে। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।


তিনি বলেছেন, এই আলীনগর-জঙ্গল সলিমপুর, এই জায়গাটা আর কোনো বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসীদের এলাকা থাকবে না, অভয়ারণ্য থাকবে না। এর আশেপাশে দুইটা পাহাড় টিলা শ্রেণী আছে-একটা হচ্ছে বেতুয়া আরেকটা চা-বাগান।এই এরিয়াতেও সন্ত্রাসীদের আনাগোনা আছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেখান থেকেও তাদেরকে উচ্ছেদ করা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাঁড়াশি এবং যৌথ অভিযানের মাধ্যমে, পরিকল্পিত অভিযানের মাধ্যমে সারা দেশব্যাপী মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া এবং চাঁদাবাজি-এই চারটাকে আমরা অ্যাড্রেস করেছি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে। এগুলোকে আমরা নির্মূল করার চেষ্টা করব এবং তার জন্য আমরা আইনি সংস্কার করছি। কারণ দেখা যায়, ১৮৬৭ সনের জুয়া আইনের মধ্য দিয়ে জুয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না; এখন অনলাইন জুয়া, অফলাইন জুয়া, বিভিন্ন রকমের মডারেট জুয়া এবং বেটিং চালু হয়েছে অনেক বছর আগে থেকে। এগুলোকে আমরা কখনোই আইনিভাবে অ্যাড্রেস করতে পারছি না। কারণ আইনটাই নেই অথবা আইনটাই দুর্বল। সেই আইনটা আমরা আগামী সেশনে পার্লামেন্টে নিয়ে আসার চেষ্টা করব, তাহলে আইনি কাঠামোগতভাবে এগুলোকে আমরা অ্যাড্রেস করব।

তিনি বলেন, একই সাথে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে আমরা যাতে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করতে পারি সেই সংশোধনীটাও আনব। এখানে হাজার হাজার মাদকের মামলা আছে যেগুলো বছরের পর বছর পেন্ডিং হয়ে আছে, সেগুলো নিষ্পত্তি হবে। এইভাবে আমরা আমাদের দেশকে বাঁচাতে পারি, যুব সমাজকে বাঁচাতে পারি। আর কিশোর গ্যাংয়ের যে উৎপাত হয়েছে সেটার জন্য আমাদের কিছুটা আইনি সংস্কার আনতে হবে। কিশোর গ্যাং বলতে কত বয়স পর্যন্ত তাদেরকে কিভাবে কী সুবিধা দেয়া যায়, কারণ আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে কিশোরদের যে সুবিধা আছে (জুভেনাইল ডিলিনকোয়েন্সি) সেটা তারা নিচ্ছে। এই কিশোররা যারা কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত তারা আক্রমণাত্মক ও ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীতে পরিণত হচ্ছে। সুতরাং এখানে আইনের সংস্কার দরকার আছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, পুলিশের আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান, এলজিইডি প্রকৌশলী সহ বিভিন্ন সংস্থার প্রধানরা।

ভাঙ্গুড়ায় পাটুলিপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠে প্রবেশের কোন রাস্তা নেই; ঈদে নামাজিদের ভোগান্তি     

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পাটুলিপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠে প্রবেশের কোন রাস্তা নেই, ঈদের নামাজে ভোগান্তি নামাজিদের। ৩১ মে রবিবার সারুটিয়া কমিউনিটি সেন্টার কাম-পাবলিক লাইব্রেরি সেন্টারে ভাঙ্গুড়া পাটুলিপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠের বিভিন্ন সংস্কার ও উন্নয়নমুলক কাজের আলোচনা সভা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা সভাটি কাহার বাবরের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন, ভাঙ্গুড়া সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রী অনার্স কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুজ্জামান তরুণ।

এছাড়াও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোহাম্মদ, আহবায়ক, ভাঙ্গুড়া উপজেলা কমান্ড, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মোঃ মোক্তার হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য হাজী মোঃ আব্দুল কাদের, ছাত্রদল নেতা মোঃ রাসেল রানা পিন্টু, ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ রাজু আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ আবু বক্কার সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তরা তাদের বক্তব্যে বলেন, আমাদের গ্রামে প্রায় ৬০০ পরিবার আছে সব মিলে এই মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করতে আসেন আনুমানিক ৪,৫০০-৫,০০০ সাধারণ মানুষ।

এত মানুষ হওয়ার কারণে প্রবেশ করতে ও বের হতে খুবই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।তাই সর্বপ্রথম ঈদগাহ্ মাঠে সুন্দর ভাবে নামাজিদের প্রবেশের ব্যবস্থা করতে হবে, মাঠের বাউন্ডারী পুর্ননির্মান বা রিপাইরিং করতে হবে এবং তা রং করতে হবে। ঈদগাহ্ মাঠের নামাজের স্থান পাকা করতে হবে, ঈদগাহ্  মাঠের গেট মেরামত করতে হবে,ঈদগাহ্ মাঠের পুর্ব উত্তরের খাল ভরাট করতে হবে।
ঈদগাহ্ মাঠের সরঞ্জাম রক্ষনাবেক্ষন করতে হবে।

আলোচিত খবর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান লিখেছেন, আমি দীপেন দেওয়ান, এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর হতে আমি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছি।

আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে।বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধির স্বার্থে আমার বর্তমান পদ থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করা আবশ্যক বলে মনে করছি। উপর্যুক্ত কারণে আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ