আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

পূর্বধলায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন আতকাপাড়া নবজাগরণ স্পোর্টিং ক্লাব

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী বিশেষ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। শনিবার (৩০ মে) সকাল ১০টায় উপজেলার আতকাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় যুবকদের অংশগ্রহণে এই প্রাণবন্ত ক্রিকেট উৎসবের আয়োজন করা হয়।

তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যে ছাত্রনেতা এস এম সোহাগ মিয়ার উদ্যোগে ও অর্থায়নে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।টুর্নামেন্টে স্থানীয় মোট ৪টি দল অংশ নেয়। দলগুলো হলো— বাঁশাটি যুব উন্নয়ন স্পোর্টিং ক্লাব, আতকাপাড়া নবজাগরণ স্পোর্টিং ক্লাব, বাশাউড়া উদয়ন স্পোর্টিং ক্লাব এবং বাদেবিন্না একাদশ স্পোর্টিং ক্লাব।

দিনব্যাপী খেলা শেষে একটি রোমাঞ্চকর ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে চমৎকার নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ‘আতকাপাড়া নবজাগরণ স্পোর্টিং ক্লাব’। বিজয়ী দলের হাতে প্রথম পুরস্কার হিসেবে আকর্ষণীয় ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। অন্যদিকে রানারআপ দল ‘বাঁশাটি যুব উন্নয়ন স্পোঙর্টিং ক্লাব’কে নগদ অর্থ সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হয়। টুর্নামেন্টের ৪টি দলেরই জার্সি স্পন্সর করেন উদ্বোক্তা এস এম সোহাগ মিয়া।

ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেম্বার জনাব আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টটি উদ্বোধন করেন মোঃ হেলাল মেম্বার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সহ-organizational (সহ-সাংগঠনিক) সম্পাদক এস এম সোহাগ মিয়া।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানব কল্যাণ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি সুর্যোদয় স্পুটিং ক্লাব জনাব আবু তাহের খান দুর্জয়, ইঞ্জিনিয়ার সাদ্দাম হোসেন, সরকারি কর্মকর্তা শহীদ মাহমুদ, রবিন মিয়া, মেহেদী হাসান রাহুল, সাদ্দাম হোসেন, এমবিশন বিসিএস কোচিং-এর ম্যানেজার সুজন আহম্মেদ জনি, ব্যাংকার এ.কে মুন্না সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় মুরুব্বিয়ানরা। পুরো আয়োজনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আতকাপাড়া নবজাগরণ স্পোর্টিং ক্লাবের সদস্যবৃন্দ ও এলাকাবাসী।

প্রধান অতিথি এস এম সোহাগ মিয়া তাঁর বক্তব্যে বলেন, “নিয়মিত শারীরিক চর্চা ও খেলাধুলা কেবল মানবদেহকে সুগঠিত করে না, বরং মানসিক অবসাদ দূর করে একাগ্রতা ও দলবদ্ধভাবে কাজ করার মানসিকতা তৈরি করে। আধুনিক জীবনযাত্রায় প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে যে স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হচ্ছে, তা থেকে মুক্তির অন্যতম প্রাকৃতিক উপায় হলো খেলাধুলা।”

তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা জয়-পরাজয় মেনে নিয়ে বাস্তব জীবনে ধৈর্যশীল হতে শেখায়। তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকাসক্তি থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে তৃণমূল পর্যায়ে এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস এর দ্রুত চিকিৎসা না হলে বাঁচানো সম্ভব নয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস উদ্দীন সে দীর্ঘদিন থেকে শারীরিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। 
জুলহাস উদ্দীন ৫০ সে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের ঢাঙ্গীপুকুর গুচ্ছগ্রামের মৃত ছামাদ আলীর ছেলে। 

তিনি পেশায় একজন দিন মজুর, গেল এক বছর থেকে বিভিন্ন রোগে ভুগছেন তিনি। নিজস্ব কোন জমি না থাকায় সরকারের আশ্রয়ের প্রকল্পের ঘরে বসবাস করছেন। অসচ্ছলতার কারণে ডাক্তার দেখাতে পারছেন না। টাকার অভাবে ঘরের মধ্যে অসুস্থ অবস্থায় ধুকে ধুকে দিন কাটাতে হচ্ছে তাকে। পরিবারের অন্য কেউ হাল ধরার মতো নেই আশপাশের মানুষের সহযোগিতায় চলতে হয় তাকে।

গুচ্ছগ্রামের মানুষেরা জানান দীর্ঘদিন থেকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে বিছানায় আছেন দিনমজুরের কাজ করতেন জুলহাস, কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি আর কাজে যেতে পারছেন না। মানুষটিকে বাঁচাতে হলে অর্থের প্রয়োজন তাই সমাজের বৃত্তবান মানুষ ও সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। দ্রুত চিকিৎসা ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তাকে বাঁচানো সম্ভব নয়।এদিকে জুলহাস জানান ডাক্তারের কথা অনুযায়ী তার চিকিৎসার জন্য প্রায় দুই লক্ষ টাকার উপরে প্রয়োজন। যেটা হলে দ্রুত অপারেশন করা সম্ভব হবে। তার কোন কিছুই নেই যেটা বিক্রি করে চিকিৎসা নিবেন। টাকা জোগাড় করা তার পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছে না, তাই তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।সকলের সহযোগিতায় একটি প্রাণ বেঁচে যেতে পারে। কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে এই নাম্বারে 01760918282 যোগাযোগ করতে পারেন।

চট্টগ্রামে ইস্টার্ণ রিফাইনারীর শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যহত, দাবি ৪ দফা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে দেশের একমাত্র জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে চার দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে টানা আন্দোলন অব্যহত রেখেছে শ্রমিক-কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ইস্টার্ণ রিফাইনারীর প্রধান ফটকের সামনে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটির শ্রমিক-কর্মচারীরা অংশ নেন। বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ অনুযায়ী দ্বিবার্ষিক চুক্তিনামা সম্পাদন, পার্সোনাল পে বাস্তবায়ন, আবাসন সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং পদোন্নতি নীতিমালা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের ৮ম দিনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন তারা।সমাবেশ থেকে সিবিএ নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত এই শিল্পবিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি করা না হলে শ্রম আইন অনুযায়ী আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে এবং নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


সিবিএ নেতারা বলেন, বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ অনুযায়ী পূর্বের নিয়মে ২০২৩-২৪ সালের দ্বিবার্ষিক চুক্তিনামা অবিলম্বে সম্পাদন করতে হবে। পাশাপাশি ২০০৩ সালের চুক্তি অনুযায়ী পার্সোনাল পে বাস্তবায়ন, শ্রমিক-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং পদোন্নতি নীতিমালা সংস্কারের দাবি জানান তারা।বিক্ষোভ সমাবেশে ইস্টার্ণ রিফাইনারী এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি দেওয়ান মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহমানসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য দেন।

সমাবেশে মো. আব্দুর রহমান বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইস্টার্ণ রিফাইনারী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু শ্রমিক-কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবিদাওয়া নিয়ে কর্তৃপক্ষ বারবার নানা জটিলতা সৃষ্টি করছে। তিনি দাবি করেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখের একটি স্মারকের কারণে ২০২৩-২৪ সালের দাবিনামার ভিত্তিতে সম্পাদনযোগ্য চুক্তিনামা বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হয়েছে।তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টি বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬-এর ২১০ ধারা অনুযায়ী যৌথ দরকষাকষির মাধ্যমেই নির্ধারণ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ