চট্টগ্রামে সিএন্ডএফ এজেন্টদের ট্রেড লাইসেন্স নবায়নে অস্থায়ী বুথ স্থাপনের উদ্যোগ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিএন্ডএফ এজেন্টদের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রমকে আরও সহজ, দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করতে আগ্রাবাদ সিএন্ডএফ কার্যালয়ে একটি অস্থায়ী সেবা বুথ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস্ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এই অনুরোধ জানান।ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি লাঘবে মেয়রের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে এই বুথ স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ মেয়রের কাছে তুলে ধরেন যে- প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক সিএন্ডএফ এজেন্টের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে নানাবিধ প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিকতায় সময়ক্ষেপণ হয়। যদি আগ্রাবাদস্থ সিএন্ডএফ ভবনেই চসিকের একটি অস্থায়ী বুথ স্থাপন করা যায়, তবে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল পরিবেশে দ্রুততম সময়ে এই সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের এই যৌক্তিক ও জনবান্ধব অনুরোধে তাৎক্ষণিক সাড়া দেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।

সাক্ষাৎকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে সিএন্ডএফ এজেন্টদের অবদানের কথা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির প্রবেশদ্বার, আর এই প্রবেশদ্বারকে সচল ও প্রাণবন্ত রাখার পেছনে মূল কারিগর হলেন সিএন্ডএফ এজেন্টরা। তারা দিনরাত পরিশ্রম করে রাজস্ব আহরণ ও আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যকে গতিশীল রাখছেন। দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি এই ব্যবসায়ী সমাজকে কোনো ধরনের প্রশাসনিক আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না।ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ মেয়রের এই দ্রুত সিদ্ধান্ত ও ব্যবসাবান্ধব সদিচ্ছার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সারোয়ার কামাল, রাজস্ব কর্মকর্তা সাব্বির রহমান সানি, চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস্ এসোসিয়েশনের বন্দরবিষয়ক সম্পাদক রোকন উদ্দিন মাহমুদ, প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ ও আইন বিষয়ক সম্পাদক এস এম ফরিদুল আলম, সহকারী কাস্টম বিষয়ক সম্পাদক মোরশেদুল আলম, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, মাহবুবুর রহমান সাগর প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অব পেনসিলভানিয়া ইউএসএ ইনকের ২০২৭-২০২৯ মেয়াদের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইব্রাহিম খলিল চৌধুরী রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শরাফত উল্লাহ সোহাগ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয় ৬২ রিচফিল্ড রোড, আপার ডারবি, পেনসিলভানিয়ায় নির্বাচন কমিশন নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করে।কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি হয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন টিপু এবং সহসভাপতি হয়েছেন মো. সাহিদ কামাল সবুজ।

কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন সহসাধারণ সম্পাদক নূর করিম রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক নূর হোসেন এরশাদ, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইউসুফ নবী, সহকারী কোষাধ্যক্ষ শাহাব উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক জহিরুল আলম নয়ন, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মেদ আরিফুর রহমান তারেক, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাইনুর রহমান জনি এবং ক্রীড়া সম্পাদক বেলাল হোসাইন রতন।
এ ছাড়া নির্বাহী সদস্য হয়েছেন ইকবাল চৌধুরী রিপন, ইউসুফ নবী, সালেহ উদ্দিন, আরিফুল হক রনি ও নূরুল আফসার রাজিব।

কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাহফুজুল হক চৌধুরীর ছেলে ইব্রাহিম খলিল চৌধুরী রাকিব নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন। তার নেতৃত্বে প্রবাসে কোম্পানীগঞ্জের মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং প্রবাসীদের কল্যাণে নতুন কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছে প্রবাসীরা।

চট্টগ্রামে পার্সেল ‘ছিনতাইয়ের’ চেষ্টায় পুলিশ কনস্টেবল গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে এস এ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয় থেকে মোড়কজাত পণ্যের (পার্সেল) তিনটি কার্টন জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে নগরীর কোতোয়ালী থানার নুর আহমদ সড়কে এস এ পরিবহনের কাজির দেউড়ি শাখায় এ ঘটনা ঘটে।এ সময় র‌্যাবের সদস্য পরিচয় দেওয়া একজন পালিয়ে যান।

গ্রেফতার কৃষাণ বড়ুয়া (২৭) চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বাসিন্দা। তিনি কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের আইসিটি শাখার কনস্টেবল। পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তির নাম নোটন বড়ুয়া। তার বাড়িও একই উপজেলায়। তিনিও একটি বাহিনীতে কর্মরত বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেয়েছে পুলিশ।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা মোরশেদ জানান, কৃষাণকে গ্রেফতারের খবর পেয়ে নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজার থেকে বেশ কয়েকজন দোকানি ও কর্মচারি এস এ পরিবহনের সামনে ভিড় করেন। তারা অভিযোগ করেন, র‌্যাব ও পুলিশের পরিচয় দিয়ে কৃষাণ ও নোটন তাদের দোকান থেকেও বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের পণ্য আত্মসাৎ করেছেন। দুজনের চাঁদাবাজিতে তারা অতিষ্ঠ ছিলেন।

কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেছেন, প্রতারণার মাধ্যমে নিজের মিথ্যা পরিচয় দিয়ে পুলিশ কনস্টেবল কৃষাণ এস এ পরিবহনের কাউন্টার থেকে তিনটি পার্সেল আত্মসাতের চেষ্টা করেন। তার সঙ্গে ছিলেন নোটন বড়ুয়া নামে একজন। যিনি নিজের নাম নিলয় বড়ুয়া বলেছিলেন। এ বিষয়ে এস এ পরিবহনের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ