একটা মহল দেশে অস্থিতিশীলতা পরিস্থিতি তৈরী করার চেষ্টা করছে -ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

একটা মহল দেশে অস্থিতিশীলতা পরিস্থিতি তৈরী করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এসময় তিনি সকলকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহবান জানান।

ঠাকুরগাঁওয়র রুহিয়া উপজেলা বাস্তবায়ন করার গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এরআগে মির্জা ফখরুলকে রুহিয়া উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ গণসংবর্ধনা প্রদান করেন।

এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বলেন, একটা মহল চেষ্টা করছে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার জন্য। আপনাদের কাছে আমার আবেদন- এই অস্থিতিশীলতা যাতে না করতে পারে তারজন্যে আপনাদেরকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহবান করছি। কারণ এই সময়ে যখন আমরা নতুন করে দেশ গড়বার কাজ শুরু করছি তারেক রহমানের নেতৃত্বে, তখন যেন আমরা আবার বিভ্রান্ত না হয়ে যাই।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের সরকার কথার সরকার, যে কথাগুলো দিয়েছি আমরা সেই কথাগুলো আমরা পালন করবার চেষ্টা করছি। তিনি বলেছিলেন- ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি কথা, সেই কাজগুলো আমরা শুরু করেছি। অন্যান্য যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রত্যেকটি পূরণ করার জন্য আমরা ইমিধ্যে কাজগুলো শুরু করেছি। আপনারা দেখেছেন এই সরকারের বয়স মাত্র তিন মাস, এই তিন মাসের মধ্যে আমরা কাজ করবার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বন্ধুগণ আরেকটা ভালো খবর আছে আপনারা সবাই দেখেছেন তারেক রহমানের নেতৃত্বে গতকালকের জাতিসংঘের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে বাংলাদেশ নির্বাচিত হয়েছে। এটা একটা বিরল সংবাদ, বাংলাদেশের মত একটা ছোট দেশ আজকে জাতিসংঘে সভাপতিত্ব করবে এবং আগামী এক বছরের জন্য।

জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, অনেক সমস্যার মধ্যে দিয়ে আমরা দায়িত্ব নিয়েছিলাম, আপনাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই নির্বাচনে আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছিলেন। আমি এখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, সব ধর্মের মানুষ, সব শ্রেণির মানুষকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই তাদের সমর্থণে আজকে আমি কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।

নারী সমাজের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, নারীরা এমনিতেই সংগঠিত, তাদেরকে আরও সংগঠিত হতে হবে। সংগঠিত হওয়ার মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়নকে নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, পরম করুনাময় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করতে চাই আমরা নির্বাচনের পূর্বে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠাকুরগাঁও বড়মাঠে যে সমস্ত প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন তার সবগুলো একে একে আমরা পূরণ করার চেষ্টা করছি।

এসময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, রুহিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল জব্বারসহ বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নোয়াখালীতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের মতবিনিময়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালীকরণ এবং জনগণের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব। আর এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট কর্তৃক পরিচালিত ‘মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং জনগণের ক্ষমতায়ন’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের আয়োজনে এবং গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক অসিম কুমার বকসির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজানুর রহমান। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চাটখিল উপজেলা কৃষি অফিসার জুনায়েদ আলম এবং উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লাভলী ইয়াসমিন।

মতবিনিময় সভায় প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মানবাধিকার ও সুশাসন প্রকল্পের চাটখিল উপজেলা ম্যানেজার শাহজাহান। এছাড়া সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম হাসান, কামাল মজুমদার, লোকমান হোসেন, মো. মানিক ও আমেনা বেগম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজানুর রহমান বলেন, “সমাজের যে অসঙ্গতিগুলো আছে, তা আমরা কমিয়ে নিয়ে আসতে চাই।আমাদেরকে আত্মকেন্দ্রিক না হয়ে পরোপকার এবং মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সাধারণ মানুষের মানবাধিকার নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিতভাবে কাজ করা জরুরি।”

সভায় বক্তারা তৃণমূল পর্যায়ে মানবাধিকার রক্ষা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। সভায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিষাক্ত উপাদানের অস্তিত্ব মিলল চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় খাদ্যগুদামের ১৩৫ টন চালে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের হালিশহর কেন্দ্রীয় খাদ্যগুদামের (সিএসডি) ১৩৫ টন চালে বিষাক্ত উপাদানের অস্তিত্ব ধরা পড়েছে। ভারত থেকে সরকারিভাবে (জিটুজি) আমদানি করা চাল প্রাথমিক পরীক্ষায় ‘খাবার উপযোগী’ ঘোষণা করা হলেও পরবর্তী পরীক্ষায় পাওয়া গেছে বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান ‘আফলাটক্সিন’।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হালিশহর সিএসডির ব্যবস্থাপক ইকবাল মাহমুদ জানান, ১৩৫ টন চালে আফলাটক্সিনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। অধিকতর পরীক্ষার জন্য সেগুলো নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এমভি এইচটি পাইওনিয়ার জাহাজে করে ভারত থেকে চালগুলো আনা হয়। গত ২১ জুলাই জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছালে পরদিন খাদ্য অধিদপ্তরের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের উপস্থিতিতে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় চাল খাবার উপযোগী প্রতিবেদন পাওয়ার পর ২৪ ও ২৫ জুলাই তা খালাস করা হয়।
পরে চালের একটি অংশ ঢাকার তেজগাঁও সিএসডি, চট্টগ্রামের হালিশহর সিএসডি ও দেওয়ানহাট সিএসডি এবং গাজীপুরের জয়দেবপুর স্থানীয় খাদ্যগুদামে (এলএসডি) পাঠানো হয়। তবে গুদামে পৌঁছানোর পর চালের নিম্নমান দেখে আপত্তি তোলেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। চালগুলো খাবারের অনুপযোগী মনে হওয়ায় পরিবহন ঠিকাদারেরাও এর পরিবহন স্থগিত রাখেন। বিষয়টি লিখিতভাবে খাদ্য সচিব ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানানো হয়।

এরপর আমদানি করা চালের মান যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত ১৭ আগস্ট গাজীপুরের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের শস্যমান ও পুষ্টি বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরীফা সুলতানা দীপ্তির নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি দল চট্টগ্রামে যায়। দলটি হালিশহর ও দেওয়ানহাট সিএসডির কয়েকটি স্তূপ থেকে চালের নমুনা সংগ্রহ করে। পরবর্তী পরীক্ষায় হালিশহর সিএসডির ১৩৫ টন চালে আফলাটক্সিনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জসিম উদ্দিন খানের নির্দেশে সাড়ে ৯ হাজার টন চালের বিতরণ স্থগিত রেখে মান পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরীক্ষায় ১৩৫ টন চালে ক্ষতিকর উপাদানটির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। বাকি চাল নিয়ম অনুযায়ী বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হালিশহর সিএসডির ব্যবস্থাপক ইকবাল মাহমুদ ও দেওয়ানহাট সিএসডির ব্যবস্থাপক হামিম রহমান।
চট্টগ্রাম খাদ্য বিভাগের চলাচল ও সংরক্ষণ শাখার নিয়ন্ত্রক রেজোয়ান সাকিব বলেন, হালিশহর সিএসডির চালে আফলাটক্সিনের অস্তিত্ব পাওয়ার বিষয়টি জেনেছি। এ কারণে অধিকতর পরীক্ষার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্যে আফলাটক্সিনের উপস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম মারাত্মক। এটি এক ধরনের বিষাক্ত উপাদান, যা মূলত ‘অ্যাসপারজিলাস’ গোত্রের ছত্রাক থেকে তৈরি হয়। আর্দ্র বা অনুকূল পরিবেশে শস্য, বাদাম ও চাল দীর্ঘক্ষণ থাকলে এ ছত্রাক ও বিষের জন্ম হতে পারে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ