ভাঙ্গুড়ার বড়াল ব্রিজ ও চাটমোহর রেলস্টেশনে ট্রেনের আসন বৃদ্ধির দাবি উত্থাপন করেন জাতীয় সংসদে

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার, বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া ও চাটমোহর এলাকায় ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতি বৃদ্ধি এবং আসন সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ৩৩০,পাবনা ও সিরাজগঞ্জ সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা।

তিনি বলেন, এই দাবি বাস্তবায়িত হলে ৭০,পাবনা-০৩ আসন (ভাঙ্গুড়া,চাটমোহর ও ফরিদপুর) সহ আশপাশের এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকাংশেই কমে আসবে।জানা যায়, ব্রিটিশ আমল থেকে ট্রেনে যাত্রী পরিবহনে ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়াল ব্রিজ ও চাটমোহর রেল স্টেশন অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ স্টেশন।
রাজধানী ঢাকা যাতায়াতে পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর ও চাটমোহর উপজেলা সহ আশেপাশের অঞ্চলের জনগণ বড়াল ব্রিজ রেল স্টেশন বেশি ব্যবহার করে। অন্যদিকে পাবনা সদর, আটঘরিয়া ও চাটমোহরের যাত্রীরা ঢাকা যাতায়াতে চাটমোহর রেল স্টেশন ব্যবহার করে।

বর্তমানে দুটি রেল স্টেশনে ঢাকাগামী পাঁচটি ট্রেনের যাত্রা বিরতি হয়। ভাঙ্গুড়ার বড়াল ব্রিজ রেল স্টেশনে পাঁচটি ট্রেনে প্রায় ১৮০টি ও চাটমোহর স্টেশনে প্রায় ২৮০টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু এ দুটি রেল স্টেশনে প্রতিদিন বরাদ্দের চেয়ে পাঁচ থেকে ছয় গুণ যাত্রী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন রেল স্টেশনে যাতায়াত করেন। ফলে অধিকাংশ যাত্রী কে আসন বিহীন টিকিটে যাত্রা করতে হয়।

এতে যাত্রীদের যেমন ভোগান্তি ও তেমনি সীমাহীন কষ্ট পোহাতে হয়। বিষয়টি বিবেচনা করে সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা এই রুটে ঢাকাগামী সব ট্রেনের যাত্রা বিরতি ও অধিক আসন বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সংসদে।এ বিষয়ে মাননীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা বলেন, কৃষি, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া উপজেলার অনেক গুরুত্ব রয়েছে। এসব প্রয়োজনে এই এলাকার মানুষ কে নিয়মিত ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন শহরে যাতায়াত করতে হয়। ট্রেন পথ এ অঞলের মানুষের ঢাকা যাতায়াতের প্রধান ও সাশ্রয়ী মাধ্যম।

কিন্তু ট্রেনে আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষ কে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তাই তিনি এই রুটের সব ট্রেনের যাত্রা বিরতি ও আসন বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন জাতীয় সংসদে।জৈনক ভাঙ্গুড়া বাজারের বাসিন্দা বলেন, যাত্রীদের চাপের বিবেচনায় বড়াল ব্রিজ রেল স্টেশনে ট্রেনের টিকিট কম। ফলে অনলাইনে টিকিট বরাদ্দের পরপরই শেষ হয়ে যায়। এতে অধিকাংশ যাত্রীকে দাঁড়িয়ে ট্রেনে যাতায়াত করতে হয়,যা অত্যন্ত কষ্টের। তাই সংসদ সদস্যের এই দাবিকে সাধুবাদ জানাই।

বড়াল ব্রিজ রেল স্টেশনের ইনচার্জ শফিউল ইসলাম বলেন, এই রেল স্টেশনে আসন বরাদ্দের চেয়ে যাত্রীর চাপ অনেক বেশি। ফলে সংসদ সদস্যের এই দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক ও জনকল্যাণকর। ফলে এটি বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর উন্নয়নকাজে গতি আনতে সরেজমিনে তদারকি অব্যাহত রেখেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের চলমান কার্পেটিং কাজ পরিদর্শন করেছেন তিনি।

পরিদর্শনকালে মেয়র সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং কার্পেটিং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

দীর্ঘদিন সংস্কারের অপেক্ষায় থাকা অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের উন্নয়নকাজ এগিয়ে যাওয়ায় এ পথে চলাচলকারী নগরবাসীর দুর্ভোগ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। কার্পেটিং কাজ শেষ হলে সড়কটি দিয়ে চলাচল আরও স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপদ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করাই আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিন সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে। কাজের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকবে। নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে আমরা মাঠে থেকে কাজের অগ্রগতি তদারকি করছি।

কার্পেটিং কাজ শেষ হলে অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়ক ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ার পাশাপাশি নগরের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

চট্টগ্রামে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা, অস্বস্তিতে ক্রেতারা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্রগ্রামে নিত্যপণ্যের বাজারে চলছে অস্থিরতা। চাল-ডাল-তেলসহ সব ধরনের শাক-সবজির বাজারে এখনও স্বস্তি ফেরেনি। বাজারে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠেছে সীমিত আয়ের মানুষের।নগরীর কর্ণফুলী মার্কেট, রিয়াজ উদ্দিন বাজার, কাজির দেউড়ি, চকবাজার ও ২ নম্বর গেইট কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বরবটির দাম গত সপ্তাহের ৮০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ১২০ টাকা হয়েছে, কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে। বেগুন গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ১৪০ টাকা, অর্থাৎ ২০ টাকা বেড়েছে। শিমের কেজি ২০০ থেকে ২১০; যা কিছুদিন আগেও ১৮০ থেকে ২০০ ছিল। কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। গত সপ্তাহে শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৮০ টাকা। কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। গাজর গত সপ্তাহের মতোই ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙে ও করলার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পটলের দামও গত সপ্তাহের সর্বনিম্ন দামের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের সবজি বিক্রেতা শামসুল আলম বলেন, সবজির দাম প্রতিদিন একরকম থাকে না। পাহাড়তলী আড়তে সরবরাহ ও কেনা দামের ওপর নির্ভর করে খুচরা বাজারে দাম কিছুটা ওঠানামা করে।
বহদ্দারহাট বাজারে সবজি কিনতে আসা ক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, বাজারে সবজির দাম এখনও পুরোপুরি সহনীয় পর্যায়ে আসেনি। একসঙ্গে কয়েক ধরনের সবজি কিনতে গেলে মোট খরচ বেশ বেড়ে যাচ্ছে।

এদিকে পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের মাছ বিক্রেতা জুয়েল শেখ বলেন, আড়তে মাছের দাম বেশি থাকায় আমাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। পরিবহন ও অন্যান্য খরচও রয়েছে। তাই খুচরা বাজারে মাছের দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে বাজারে অনেকটা চড়া দামে ফার্মের মুরগি ও ডিম বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিমের দাম ১৫০ টাকা।

চকবাজারের ডিম বিক্রেতারা জানান, ডিমের দাম কয়েকদিন ধরে প্রায় একই পর্যায়ে রয়েছে। পাইকারি বাজারে দাম খুব একটা কমছে না। গত পাঁচ-ছয় মাসের মধ্যে বন্যা, অতিবৃষ্টি ও গরমে অনেক খামারে ডিম পাড়া ও ব্রয়লার মুরগির সংখ্যা কমেছে। এতে সার্বিকভাবে সরবরাহে ঘাটতি থাকায় ডিম-মুরগির দাম কমছে না।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ