আন্তর্জাতিক চাকরি বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে প্রয়োজন দক্ষ জনবল

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বর্তমান বিশ্বে পর্যটন ও হসপিটালিটি শিল্প হচ্ছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ।প্রযুক্তি ও বিশ্বায়নের এই যুগে মানুষের ভ্রমণ, অবকাশযাপন এবং মানসম্পন্ন সেবার চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে পর্যটন ও আতিথেয়তা খাত বিশ্বব্যাপী দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বাংলাদেশেও পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং নতুন নতুন পর্যটন কেন্দ্র, হোটেল, রিসোর্ট ও সেবাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণের ফলে দক্ষ জনবলের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

বর্তমানে বিশ্ব পর্যটন বাজারে হোটেল, রিসোর্ট, এয়ারলাইনস, ট্রাভেল এজেন্সি, ক্রুজ লাইন, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেবাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালদ্বীপ, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এই খাতে প্রশিক্ষিত জনশক্তির চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে উচ্চশিক্ষা অর্জন বর্তমান প্রজন্মের জন্য একটি সম্ভাবনাময় ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত।

ইউসিটিসি’র টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম যা বাস্তব শিক্ষার অসাধারন আয়জন
ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চিটাগাং – এর টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পের প্রয়োজনীয় তাত্ত্বিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন করতে পারে। এই প্রোগ্রামে হোটেল ও রিসোর্ট ম্যানেজমেন্ট, ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর অপারেশন, ইভেন্ট ও কনভেনশন ম্যানেজমেন্ট, কাস্টমার সার্ভিস ও গেস্ট রিলেশনস, পর্যটন পরিকল্পনা ও গন্তব্য ব্যবস্থাপনা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং নেতৃত্ব বিকাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।শিল্প-চাহিদাভিত্তিক এই শিক্ষা শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাকরি বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে ভূমিকা রাখে।

কর্মক্ষেত্র ও ক্যারিয়ার সম্ভাবনা : টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে স্নাতক সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীদের জন্য দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় হোটেল চেইন, রিসোর্ট, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, এয়ারলাইনস, এভিয়েশন সেক্টর, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি পর্যটন সংস্থা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থায় ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও এই বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ইউসিটিসি কেন সেরা : চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চিটাগাং (টঈঞঈ) আধুনিক, যুগোপযোগী ও কর্মমুখী বিএসএস ইন টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম চালু করেছে। এতে অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী, আধুনিক পাঠক্রম, ইন্ডাস্ট্রি-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা সফর, ইন্টার্নশিপ সুবিধা এবং কার্যকর ক্যারিয়ার গাইডলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী শিক্ষা প্রদান করা হয়।এছাড়া প্রতিযোগিতামূলক টিউশন ফি, শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা কার্যক্রমের সমন্বয়ে টঈঞঈ ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও বৈশ্বিক চাকরি বাজারে সফল ক্যারিয়ার গঠনের জন্য প্রস্তুত করে।

এখনই সময় ভবিষ্যৎ গড়ার : পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্প আগামী দিনের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত। সঠিক শিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে এই খাতে গড়ে তোলা যেতে পারে একটি সফল ও মর্যাদাপূর্ণ ক্যারিয়ার। বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের ক্রমবর্ধমান সুযোগ এবং শিল্পটির ধারাবাহিক বিকাশের ফলে টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বর্তমানে উচ্চশিক্ষার একটি অন্যতম আকর্ষণীয় বিষয়। আর এই সম্ভাবনাময় যাত্রার অংশীদার হতে টঈঞঈ হতে পারে একটি নির্ভরযোগ্য উপযুক্ত গন্তব্য।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে অনিয়মের অভিযোগে জরিমানা গুনল চার প্রতিষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে চার প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম। নানা অনিয়মের অভিযোগে রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টায় নগরের ঝাউতলা বাজারের অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের উপপরিচালক ফয়েজ উল্লাহ বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং বাজারে সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ঝাউতলা বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অননুমোদিত ওষুধ বিক্রি, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা এবং অননুমোদিত পণ্য বিক্রির মতো অনিয়ম পাওয়া গেছে। এসব অপরাধে চার প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি ও অননুমোদিত ওষুধ বিক্রয়ের দায়ে বিসমিল্লাহ ফার্মেসি ও নাসির ফার্মেসি ১০ হাজার টাকা করে জারিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া ইলিয়াস ব্রাদার্সকে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় ৬ হাজার টাকা এবং নরু সওদাগর জেনারেল স্টোরকে অননুমোদিত পণ্যসামগ্রী বিক্রয়ের দায়ে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিভিন্ন এলাকায় চুলা জ্বলছে না, রান্না না করতে পেরে বিপাকে মানুষ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে গ্যাসের সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সারি তৈরি হওয়ায় রাস্তায় নেমেছে কমসংখ্যক অটোরিকশা। যেগুলো চলছে, তারাও বাড়তি ভাড়া হাঁকছে। একই সঙ্গে গ্যাসচালিত গণপরিবহনেও গাড়ির সংখ্যা কমেছে। ফলে মোড়ে মোড়ে গাড়ির অপেক্ষায় মানুষের জটলা বেড়েছে। কোনো কোনো রুটে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগ করছেন যাত্রীরা।


তবে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়েও সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস সংগ্রহ করতে পারছেনা চালকরা। একেক জন চালক ছয় সাত ঘণ্টা ধরে সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরের টাইগারপাস, আগ্রাবাদ, বহদ্দারহাট, হালিশহর ও ষোলশহর এলাকায় সকাল থেকে যাত্রীরা যানবাহন না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ে।
কোথাও বাসের অপেক্ষায় দীর্ঘ সারি, কোথাও সিএনজি অটোরিকশার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছেন যাত্রীরা। গ্যাসচালিত বাসে উঠতে পারলেও অনেক যাত্রীর অভিযোগ, নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে বাড়তি টাকা চাওয়া হচ্ছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী সাইফুল ইসলাম বললেন, বাসে উঠতে পারছি না, সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিলে বেশি ভাড়া। অফিসে যেতে দেরি হচ্ছে, খরচও বাড়ছে। গ্যাসের সংকট যে এভাবে রাস্তায় এসে পড়বে, ভাবিনি।ফিলিং স্টেশনগুলোর সামনের চিত্রও একই। এখানে যাত্রী নয়, গন্তব্যের অপেক্ষায় সারিবদ্ধ অটোরিকশা। কয়েকটি স্টেশনে দেখা গেছে সড়কজুড়ে দীর্ঘ লাইন, চালকদের কেউ দুই ঘণ্টা, কেউ ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করছেন।

ষোলশহরের একটি ফিলিং স্টেশনে কথা হয় চালক জাকির হোসেনের সঙ্গে। সকাল সাড়ে সাতটায় লাইনে দাঁড়িয়েছেন তিনি। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্তও গ্যাস পাননি। জাকির বলেছেন, এক জায়গায় গ্যাস নেই, আরেক জায়গায় চাপ কম। ঘুরতে ঘুরতে এখানে এসেছি। এখন চার ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। এই সময়টায় তো যাত্রী নিয়ে রাস্তায় থাকার কথা।
স্টেশন মালিকরা জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ লাইনে গ্যাসের চাপ বা প্রেসার মারাত্মকভাবে কমে গেছে। চাপ যখনই সামান্য বাড়ে, তখনই পাম্প চালু করা হয়, আবার কমে গেলে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন তারা।

চালকদের হিসাবে, গ্যাস নিতে প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা চলে যাওয়ায় তাঁদের ট্রিপ কমে গেছে। আয় কমলেও গাড়ির জমা, খাবার ও অন্যান্য খরচ কমেনি। ফলে বাড়তি ভাড়া না নিলে সংসার চালানো কঠিন বলে মনে করছেন অনেকে। চালক সেলিম বলেছেন, আগে দিনে যত টাকা আয় হতো, এখন তার অর্ধেকও হচ্ছে না। গ্যাসের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে যাত্রী পাব কোথায়? আবার মালিকের জমা তো দিতেই হবে।
এই সংকটের প্রভাব পড়েছে বাসাবাড়িতেও। নগরের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় দিনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চুলা জ্বলছে না। কর্মজীবী মানুষকে রান্না না করেই বের হতে হচ্ছে, কেউ কেউ বাধ্য হয়ে হোটেল থেকে খাবার কিনছেন।

কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) জানিয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনালগুলো থেকে এলএনজি সরবরাহ প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট হ্রাস পেয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত কর্ণফুলী গ্যাস অধিভুক্ত এলাকার সব শ্রেণীর গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করছে। ফলে আবাসিক গ্রাহকের পাশাপাশি পরিবহন ও শিল্প খাতেও সংকট তৈরি হয়েছে। কেজিডিসিএলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কমে যাওয়ায় চট্টগ্রামের বরাদ্দও কমেছে, আর পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন খাতে গ্যাসের চাপ কমিয়ে লোড ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে। মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কমে যায়। যাতে দেশের পূর্বাঞ্চলে সংকট তীব্র হয়েছে।

এদিকে গ্যাসের এই সংকট কবে নাগাদ কাটবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এলএনজিবাহী জাহাজকে ভাসমান টার্মিনালের সঙ্গে সংযুক্ত করা না গেলে সরবরাহ আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে চট্টগ্রামের শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সিএনজি স্টেশনে গাড়ির দীর্ঘ সারি, গণপরিবহনের সংকট ও বাড়তি ভাড়ার ভোগান্তিও আরও বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে গ্যাসের সংকট এখন আর শুধু চুলার আগুন বা কারখানার উৎপাদনের বিষয় নয়, এর প্রভাব পড়ছে নগরবাসীর প্রতিদিনের যাতায়াত, আয়-ব্যয় ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ