আজঃ সোমবার ৬ জুলাই, ২০২৬

শহীদ জিয়ার আদর্শে যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম দেশ রক্ষা তারেক মঞ্চের উদ্যোগে আয়োজিত ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) বিকেলে পাহাড়তলী শহীদ শাহজাহান মাঠে অনুষ্ঠিত এই জমকালো আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ফাইনাল খেলার উদ্বোধন করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের পিতা শফিউল আলম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এবং আধুনিক বাংলাদেশের দূরদর্শী নির্মাতা। তিনি যেমন এদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন, ঠিক তেমনি যুবসমাজ ও ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নেও ছিলেন সমান আন্তরিক। আজকের এই টুর্নামেন্ট শুধু একটি খেলা নয়, এটি শহীদ জিয়ার দেশপ্রেম, সাহসিকতা ও আদর্শকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি দারুণ মাধ্যম।

ফুটবল খেলা ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়াচর্চার গুরুত্ব উল্লেখ করে মেয়র আরও বলেন, ফুটবল আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা। মাঠের এই প্রতিযোগিতা যুবসমাজকে শৃঙ্খলা, একতা ও নেতৃত্বের গুণাবলী শেখায়। তরুণদের মাদক, অলসতা ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রেখে একটি সুস্থ ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ওয়াসিম আকরামের মতো যুবকেরা যেভাবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে, আজকের যুবসমাজকেও সেই সাহসিকতায় উজ্জীবিত হয়ে ক্রীড়াঙ্গনসহ দেশের সব ক্ষেত্রে ইতিবাচক অবদান রাখতে হবে।

একটি অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় প্রবাসী কিংস চট্টগ্রাম ও শহীদ ওয়াসিম আকরাম একাদশ। নির্ধারিত সময়ে খেলাটি ২-২ গোলে ড্র হলে ম্যাচ গড়ায় ট্রাইবেকারে। শেষ পর্যন্ত ট্রাইবেকারে শহীদ ওয়াসিম আকরাম একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে প্রবাসী কিংস চট্টগ্রাম।
ম্যাচ ও টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় এবং সেরা গোলরক্ষক নির্বাচিত হন প্রবাসী কিংস চট্টগ্রাম ও জাতীয় দলের গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পান প্রবাসী কিংসেরই জাফর ইকবাল। এছাড়া শহীদ ওয়াসিম আকরাম একাদশের ওহি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় এবং পটিয়া মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব টুর্নামেন্টের সুশৃঙ্খল দল হিসেবে মনোনীত হয়। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি’র সভাপতিত্বে
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্ব অঞ্চলের মহাপরিচালক মো. সুবক্তগীন, প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম, প্রধান পরিবহন কর্মকর্তা মো. শফিকুর রহমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শফিকুর রহমান স্বপন, কেন্দ্রীয় যুবদলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাবেক সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ, কেন্দ্রীয় রেল শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক এড এম আর মঞ্জু, নগর যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি এম এ রাজ্জাক, শাহেদ আকবর, ফজলুল হক সুমন, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া, সদস্য সচিব ইন্জিনিয়ার জমির উদ্দিন নাহিদ, মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য শরিফুল ইসলাম তুহিন, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম, ড্যাব নেতা ডা. একে এম আশরাফুল করিম, ডা. শাহনেওয়াজ সিরাজ মামুন, বেসরকারি কারা পরিদর্শক আঁখি সুলতানা, বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম মনির, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, শাহরিয়ার জিয়া, শহীদুল্লাহ বাহার, যুবদল নেতা হাবিবুর রহমান মাসুম, মো. হেলাল হোসেন, শাহজালাল পলাশ, আশিক মল্লিক, ইউনুছ মুন্না, জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগির, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, গোলজার হোসেন মিন্টু, নগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আসিফ চৌধুরী লিমন, আরিফুর রহমান (মাস্টার আরিফ), স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জহিরুল হক টুটুল, রাজিব আকন্দ, শওকত খান রাজু, মামুনুর রশিদ মামুন, ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহবায়ক সাইফুল আলম, বাদশা আলমগীর, জহিরুল ইসলাম, রাসেল খানসহ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

তীব্র তাপদাহ উপেক্ষা করে ঠাকুরগাঁওয়ে হালচাষের পিছু পিছু মাছ ধরার উৎসব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে কয়েকদিন ধরেই চলছে তীব্র তাপদাহ। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না অনেকেই। তবে এই দাবদাহের মধ্যেও গ্রামবাংলার চিরচেনা এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য নজর কাড়ছে সবার। একদিকে মহেন্দ্রচালিত ট্রাক্টর দিয়ে চলছে জমি চাষের কাজ, অন্যদিকে সেই চাষের পেছনেই মাছ ধরার ছোট্ট উৎসবে মেতেছেন গ্রামের নারী-পুরুষ ও শিশুরা।

রবিবার (৫ জুলাই) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার একটি গ্রামের কৃষিজমিতে এমন দৃশ্য দেখা যায়। জমিতে মহেন্দ্র দিয়ে হালচাষ করার সময় মাটির নিচে ও জমে থাকা পানিতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ ওপরে উঠে আসে। আর সেই সুযোগ কাজে লাগাতে জাল, খালুই, ডালা ও ছোট ছোট পাত্র নিয়ে জমিতে নেমে পড়েন স্থানীয়রা।

কেউ হাত দিয়ে, কেউ ছোট জাল দিয়ে, আবার কেউ খালুই নিয়ে মাছ ধরতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ। শিশুদের কোলাহল, বড়দের হাসি-আনন্দ আর মাছ ধরার প্রতিযোগিতা যেন গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকেই নতুন করে ফিরিয়ে আনে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুমে জমিতে পানি জমলে দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ আশ্রয় নেয়। পরে জমি চাষের সময় সেসব মাছ ওপরে উঠে আসে। এমন দৃশ্য দেখলেই আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন মাছ ধরতে। এটি শুধু মাছ সংগ্রহের বিষয় নয়, বরং গ্রামের মানুষের কাছে একটি আনন্দঘন মুহূর্ত এবং এক ধরনের সামাজিক মিলনমেলাও বটে।

মাছ ধরতে আসা আতিকুল বলেন, এখন অনেক জায়গায় আগের মতো দেশীয় মাছ পাওয়া যায় না। তাই জমিতে হালচাষের সময় মাছ উঠলে সবাই মিলে ধরতে নেমে পড়ি। প্রচণ্ড গরম থাকলেও এই আনন্দ মিস করতে চাই না।

স্থানীয়দের মতে, আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার কারণে গ্রামবাংলার অনেক পুরোনো ঐতিহ্য হারিয়ে গেলেও হালচাষের পেছনে মাছ ধরার এই দৃশ্য এখনও গ্রামীণ জীবনের একটি আনন্দময় অধ্যায় হয়ে আছে।

তীব্র তাপদাহে যখন মানুষ হাঁসফাঁস করছে, তখন ঠাকুরগাঁওয়ের এই ব্যতিক্রমী চিত্র যেন প্রকৃতি, কৃষি ও মানুষের নিবিড় সম্পর্কেরই এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। মহেন্দ্রের পিছু পিছু মাছ ধরার এই উৎসব গ্রামবাংলার সরল জীবনযাপন ও ঐতিহ্যের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে ধরা দিয়েছে।

শতভাগ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তারেক রহমানের সরকার কাজ করছে -এমপি ডাঃ আব্দুস সালাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ও ড্যাবের সাবেক মহাসিচব ডাঃ আব্দুস সালাম বলেছেন, বিগত ১৭ বছরে লুটপাট করে স্বাস্থ্যসেবাকে ভঙ্গুর অবস্থায় পরিণত করে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ। সেই ভঙ্গুর অবস্থার পরিবর্তন করতে তারেক রহমানের সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। আমরা এই দেশের জনগণের শতভাগ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবো। রবিবার (০৫ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এরপর হরিপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাসেবা অফিসের আয়োজনে ক্যান্সর ও জটিল রোগে আক্রান্ত ৯জন ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা করে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন এমপি ডাঃ আব্দুস সালাম। এছাড়াও চিকিৎসা ও দুর্যোগ সহায়তার অংশ হিসেবে ২৫জনকে ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। সেই সাথে অসহায় ২জন ব্যক্তিকে ২টি হুইল চেয়ার, ২০ জন কৃষকের মাঝে স্প্রে মেশিন ও ২০জন দরিদ্র নারীর মাঝে ২০টি সেলাই মেশিন বিতরণ করেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ আব্দুস সালাম।

এমপি ডাঃ আব্দুস সালাম বলেন, স্বাস্থ্যসেবার নামে বিগত ১৭ বছরে জনগণকে ভুল বুঝিয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ লুটপাট করেছে। এই লুটপাটের কারণে আজ স্বাস্থ্যসেবা বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। তাই স্বাস্থ্যখাতকে বেহাল দশা থেকে উত্তোরণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনেক স্বপ্ন, তিনি দেশকে উন্নতির সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে চান। তাই এবারের বাজেটে সবথেকে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে। দেশের মানুষ একদিকে যেমন শিক্ষিত হবেন, ঠিক তেমনি শতভাগ স্বাস্থ্যসেবাও পাবেন।

জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এমপি আব্দুস সালাম বলেন, আসুন আমরা সকলে মিলে তারেক রহমানের সরকারকে সহযোগিতা করি। এক হয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করি। আমরা সবাই এক থাকে বাংলাদেশ উন্নতির সর্বোচ্চস্তরে পৌঁছাবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী ডাঃ , হরিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার চন্দন কর, হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল হক খানসহ হরিপুর উপজেলা বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

এইচএসসি-সমমান প্রথমদিন অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার -৭

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে।০২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন।

অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫ জনকে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৯৭, কুমিল্লা বোর্ডে এক হাজার ৭৯৫, যশোর বোর্ডে দুই হাজার ৭৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক হাজার ৩৪০, সিলেট বোর্ডে এক হাজার ১২৭, বরিশাল বোর্ডে এক হাজার ৩৪৬, দিনাজপুর বোর্ডে এক হাজার ৯৩৭ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে এক হাজার ১৪২ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ে নিবন্ধিত ৮৫ হাজার ১৩১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬৫৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮৩ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে একজনকে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ