চট্টগ্রামে সংবাদপত্রের হকাররা পেল পিআরইউ’র উপহার সামগ্রী প্রদান

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি-পিআরইউ উদ্যোগে সংবাদপত্রের হকারদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পিআরইউ’র অস্থায়ী কার্যালয়ে সংগঠনের আহবায়ক হাসান মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী খাঁন মোহাম্মদ আমিনুর রহমান সুমন।


পিআরইউ সদস্য সচিব ইমরান এমি’র পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন ও আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সেক্রেটারি (ইঞ্জিনিয়ারস রিক্রেশন সেন্টার) প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন।

এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, পেশাজীবী ও সাংবাদিকদের পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আগামী দিনগুলোতেও চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও পেশাগত স্বার্থে দুই সংগঠন একসঙ্গে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

পিআরইউ আহবায়ক হাসান মুকুল বলেন, আমরা চাই, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সরকার সবাই সম্মিলিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াক। সাংবাদিক সমাজ সবসময় মানুষের কথা বলে, মানুষের পাশে থাকে এবং ভবিষ্যতেও এই মানবিক দায়িত্ব পালন করে যাবে। সংবাদপত্রের হকাররা সাংবাদিকদের পরিবারের অংশ, তাদের পাশে যে কোনো সময় আমরা থাকবো।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিআরইউ আহবায়ক কমিটির সদস্য দৈনিক শেয়ার বীজের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান নূর হোসেন মামুন, ঢাকা জার্নালের ব্যুরো প্রধান রাকিব উদ্দিন, মনজুর মোরশেদ রনি, জহিরুল ইসলাম জহির। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সাজ্জাদ হোসেন খান, আবু তাহের, কাজী সাকলায়েন মোস্তফা, মো: সরোয়ার প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে পিআরইউ সদস্য জহিরুল ইসলাম জহিরের লেখা ‘অনন্য রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক বই নেতৃবৃন্দকে উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রাজনীতির মূল লক্ষ্য হোক জনকল্যাণ ও মানুষের সেবা: দীপ্তি-শাহেদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি বলেন, আজ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এই গৌরবময় দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে।

একই সঙ্গে যুবদলের সকল শহীদ নেতাকর্মীদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। তিনি আজ ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর স্মৃতি বিজড়িত ষোলশহর ২নং গেইটস্থ ঐতিহাসিক বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ পূর্বক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ বছরের পথচলা শুধু একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নয়; এটি তারুণ্যের প্রত্যয়, সাংগঠনিক ঐক্য, নেতৃত্বের বিকাশ এবং দেশ ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের প্রতীক। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যুবসমাজের চ্যালেঞ্জও পরিবর্তিত হচ্ছে। বেকারত্ব, কর্মসংস্থানের সংকট, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং তরুণদের দক্ষতা বিকাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যুবদলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, রাজনীতি শুধু স্লোগান কিংবা মিছিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করা। তিনি আরো বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুবদলের নেতাকর্মীরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞবদ্ধ। দেশপ্রেম, ঐক্য, সততা ও জনকল্যাণের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে যুবদল অঙ্গীকারবদ্ধ। যুব-ঐক্য-প্রগতির মূলমন্ত্রে জাতীয়তাবাদী যুবদল এগিয়ে যাক আপন মহিমায়।

পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি ফজলুল হক সুমন, নাসির উদ্দীন চৌধুরী নাসিম, মোহাম্মদ আলী সাকী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশাহ, রাজন খাঁন, তানভীর মল্লিক, জমির উদ্দিন আহমেদ মানিক, মহিউদ্দিন মুকুল, সহ- সম্পাদক আতিকুর রহমান, মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম জহির, জিয়াউল হক মিন্টু, হামিদুল হক চৌধুরী, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, মোহাম্মদ ইদ্রিস, সদস্য প্রফেসর সাইদুল হক শিকদার, থানা যুবদলের আহবায়ক ইসমাইল হোসেন লেদু, সদস্য সচিব মোহাম্মদ হাসান ও জাবেদ হোসেনসহ থানা ও ওয়ার্ড যুবদল নেতৃবৃন্দ।

মা আনন্দময়ী ধামের শ্যামা পূজা উদযাপন কমিটি গঠন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার আকুবদন্ডী (দক্ষিণ কধুরখীল) এলাকার মা আনন্দময়ী ধামের আসন্ন শ্যামা পূজা উদযাপন কমিটি গঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে এক সভা গত শুক্রবার রাতে মন্দির প্রাঙ্গণে স্থায়ী কমিটির সভাপতি দোলন রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিথুন চৌধুরী রণি, দিলীপ দে, জনি চৌধুরী, শিশু নাথ, অরুন সেন, বাপ্পু মল্লিক ,টিংকু দে, সঞ্জয় রায় টিকু, বাবলু দে, অর্ণিবান চৌধুরী রাজা, রাজু রায়, আপেল দে, উত্তম দে, রুবেল দে, রঘুনাথ সেন, হৃদয় দে, রিমন দে ও জুয়েল নাথ প্রমুখ। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে রাজু দে’কে সভাপতি, সঞ্জয় রায় টিকু’কে সাধারণ সম্পাদক ও রিমন দে’কে অর্থ সম্পাদক মনোনীত করা হয়। এ সময় স্থায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী (বিশু) আশু রোগমুক্তি কামনায় মহান সৃষ্টি কর্তার নিকট প্রার্থনা করেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ