মোবাইল ফোনে গান শোনার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু

হৃদয় রায়হান কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়া শহরে দাদার বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে বিদ্যুৎস্পুষ্ট হয়ে নিশান (১৩) নামে এক শিশু মারা গেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত ১০টার দিকে শহরের চৌড়হাস বড়পুকুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিশান জেলার মিরপুর পৌর সভার সুলতানপুর এলাকার আহসান আলীর ছেলে। সে স্থানীয় বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে দাদার বোনের বাড়ি বেড়াতে আসে নিশান। রাতে নিশানসহ তিন শিশু চার্জে দিয়ে মোবাইল ফোনে গান শুনছিল। একপর্যায়ে সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্ততব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিশানের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইকবাল হাসান জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই শিশুটি মারা যায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দৌলতপুরে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন, নদীগর্ভে বিলীন শত শত বিঘা ফসলি জমি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মা নদীতে তীব্র ভাঙনে শত শত বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় ও কোলদিয়াড় এলাকার কৃষকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। ভিটেমাটি ও ফসল হারানোর শঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন পদ্মাপাড়ের বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে গত দুই সপ্তাহে নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চলমান ভাঙনে অর্ধশতাধিক কৃষকের ২৫০ থেকে ৩০০ বিঘা আবাদি জমি, পাটক্ষেত, পশুখাদ্যের ঘাসসহ বিভিন্ন ফসল নদীগর্ভে চলে গেছে।

কোলদিয়াড় গ্রামের কৃষক নেন্টু মিয়া জানান, গত ১৫ দিনে তার প্রায় ৮ বিঘা পাটক্ষেত নদীতে বিলীন হয়েছে। একইভাবে মাজদিয়াড় গ্রামের কৃষক ইউসুফ আলী বলেন, তার প্রায় ৫ বিঘা জমি, পাট ও গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে আবাদ করা ঘাস নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে।

এছাড়া স্থানীয়দের দাবি, ইয়াসিন প্রামাণিক, আমিরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, বাবুল প্রামাণিক ও সাধু ফরাজিসহ ৫০ থেকে ৬০ জন কৃষকের বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি ইতোমধ্যে নদীতে বিলীন হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, প্রায় এক মাস ধরে নদীভাঙন চললেও পানি উন্নয়ন বোর্ড বা প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেননি এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

মরিচা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও পদ্মার ভাঙনে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

তবে কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুর রহমান বলেন, বর্তমানে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে। তবে পানি বৃদ্ধির কারণে কিছু এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ভাঙনকবলিত এলাকায় তা ফেলার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে পদ্মাপাড়ের মানুষের দাবি, প্রতিবছর নদীভাঙনে হাজার হাজার একর ফসলি জমি ও অসংখ্য পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হলেও স্থায়ী নদীশাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণসহ স্থায়ী সমাধানের জোর দাবি জানিয়েছেন।

ভাঙ্গুড়ায় মোবাইল কোর্টে ৬৫ টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও ধ্বংস

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার চকদিগর, সাতবাড়ীয়া ও বৈদ্যমরিচ এলাকায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহার করে মৎস্য ও জলজ প্রাণী ধ্বংসের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে।

রবিবার ১৯ জুলাই ২০২৬ বিকেল ৫ টায় ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান।

অভিযান চলাকালে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী মোট ৬৫ টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে তা ঘটনা স্থলেই ধ্বংস করা হয়। জব্দকৃত জালগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য ২,৬০,০০০/= দুই লাখ ষাট হাজার টাকা।

অভিযানে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আলী আজম এবং ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং জলজ প্রাণীর প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ