পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন আহমদ?

ডেস্ক নিউজ

Oplus_131072

রাষ্ট্রপতি#রাষ্ট্রপতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামীকাল অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ২৪ জুলাপদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আহমেদ। ২৩ জুলাই রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের দেয়া সূত্র মোতাবেক জানা যায় স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগের কথা জানানো হয়েছে।

এখনো পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকবাবে সরকারি কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি বঙ্গভবনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, শুক্রবার পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার দুপুর নাগাদ পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা।

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় দেরি হলে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন। বর্তমান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে সরকারের অভ্যন্তরে কোনো সংশয় নেই বলেও সূত্রটি জানিয়েছে।বিএনপির একটি নির্ভরশীল সূত্র বলেছে, পদত্যাগ করতে ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে দলের উচ্চপর্যায় থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নির্বাচিত হন। ওই বছরের ২৪ এপ্রিল তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। দায়িত্বপালনরত অবস্থায় সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে ওপেন হার্ট সার্জারি করান। এরপর যুক্তরাজ্যে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলাকালে তার হৃদযন্ত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্লক শনাক্ত হওয়ায় জরুরিভিত্তিতে সফলভাবে এনজিওপ্লাস্টি ও স্টেন্ট (রিং) স্থাপন করা হয়।

এরপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণ, রাজনৈতিক সংকট নিরসন এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে অভিভাবকত্ব প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তিনি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের ক্ষতিপুরণ পাচ্ছে ব্যবসায়ীরা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর ইয়ার্ডে কার কী পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এই তথ্য চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে অ্যাক্ট অব গডের অজুহাতে পণ্যের ক্ষতির দায়ভার নেবে না বলে এমন কড়া ভাষায় বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিলেন বন্দরের পরিচালক (পরিবহন) গোলাম মোহাম্মদ সারোয়ারুল ইসলাম। বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এসব পণ্যের ক্ষতিপুরণ দাবি প্রত্যাখ্যান করলেও পরে নিজেদের অবস্থান থেকে সরলো চট্টগ্রাম বন্দর।
জানা গেছে, গত ৫ জুলাই চট্টগ্রাম নগর জুড়ে টানা ভারী বৃষ্টিপাতে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

বৃষ্টির পানিতে বন্দরের ভেতর বিভিন্ন ইয়ার্ডে পণ্যভর্তি কনটেইনারের ব্যাপক ক্ষতি হয়। কনটেইনারের নিচে জমে থাকা পানি ভেতরে ঢুকে পণ্যের ক্ষতি হওয়ার খবর জানা গেছে। একই সঙ্গে বন্দরেরই অংশ হিসেবে পরিচিত বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলোতে পণ্য নষ্ট হওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে দেখা যায়। সেখানে বন্দরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঝাড়ে এবং ক্ষতিপূরণের দাবি ওঠে।

এদিকে টানা বৃষ্টিতে সুরক্ষিত এলাকায় রাখা আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ক্ষয়ক্ষতির দায় নেবে না বলে গত ১০ জুলাই বিজ্ঞপ্তি দেয় চট্টগ্রাম বন্দর। একই সঙ্গে কোনো জবাবদিহি করতেও বাধ্য নয় বলে কড়া ভাষায় বিজ্ঞপ্তি জারি করে তারা। বিষয়টির সমালোচনা করেছিল ব্যবসায়ীদের শীর্ষ চার সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ ও চট্টগ্রাম চেম্বার। তারা ক্ষতিপুরণের দাবি জানিয়ে সরকারকে চিঠি দেওয়ার পর পিছু হটে বন্দর।

আইনের ধারা উল্লেখ করে বন্দর বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে, যেকোনো পক্ষ থেকে আসা ক্ষতিপূরণের যেকোনো দাবি অস্বীকার, বর্জন এবং প্রত্যাখ্যান করছে তারা। বন্দর পরিচালক (পরিবহন) গোলাম মোহাম্মদকে কল দিলে তিনি সাড়া দেননি।

পরিবহন বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেছেন, যেকোনো কারণেই হোক আমরা এখন ক্ষতিগ্রস্ত পণ্য আছে কিনা যাচাইয়ে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে চিঠি দিয়েছি। এখনো জবাব পাইনি। ক্ষতিপুরনের লিস্ট করে আমরা বন্দরকে পাঠাবো। উর্ধতনরা সেটি সিদ্ধান্ত নিবেন।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক দুর্নীতির ক্ষেত্রে আমার অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুর্নীতির ক্ষেত্রে আমার অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিকল্প নেই। অন্যায় বা অনিয়ম কোনো না কোনো সময় প্রকাশ পায়। তারা স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাই। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে জেলা পরিষদের কর্মসম্পাদনে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. মাহবুবের রহমান শামীম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, সম্প্রতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার মানুষের পুনর্বাসনে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হবে। বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চন্দনাইশসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পুনর্বাসনে কীভাবে সহায়তা করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য সরকারের উচ্চপর্যায়েও বিষয়টি তুলে ধরা হবে। জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ইউএনওদের দেওয়া প্রস্তাবগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

সভার শুরুতে নির্ধারিত সময়ের কিছু পরে সভা শুরু হওয়ায় ভবিষ্যতে সময়ানুবর্তিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে কর্মকর্তারা সভায় অংশ নিতে আসেন। তাই নির্ধারিত সময়েই সভা শুরু করার বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। জেলা পরিষদের দায়িত্ব পালনে প্রশাসনের সহযোগিতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ইউএনওরা মাঠ প্রশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা।

তাঁরা জনগণের সবচেয়ে কাছে থেকে কাজ করেন।
তিনি আরও বলেন, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় থাকলে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। একইসঙ্গে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ইউএনওদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ারও আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, একজন ইউএনও চাইলে মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারেন। স্থানীয় সমস্যা সমাধান, দুর্যোগ মোকাবিলা কিংবা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে তাঁদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করলে উন্নয়নের সুফল দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছাবে।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী রওশন ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মো.ইখতিয়ার উদ্দীন আরফাত, সহকারী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) এস.এম খালেকুজ্জামান, প্রসানিক কর্মকর্তা আনিছ উদ্দিনসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার, সমাজ সেবাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভার শেষ দিকে উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করেই জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে চাই। জেলা পরিষদকে একটি সমন্বিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। যেকোনো প্রয়োজন বা সমস্যায় আমাকে সরাসরি জানাতে পারেন। আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চাই। সভায় যেসব সমস্যা ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ