৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগের আমলে ২০১৮ সালের ‘বিতর্কিত’ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। আজ সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তাদের চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং যেহেতু সরকার জনস্বার্থে তাঁকে সরকারি চাকরি হতে অবসর প্রদান করা প্রয়োজন মর্মে বিবেচনা করে; সেহেতু সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৫ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকারি চাকরি হতে অবসর প্রদান করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী এসব কর্মকর্তা অবসরজনিত সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন।যুগ্ম সচিব পদের এসব কর্মকত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তারা হলেন— পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. শহীদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ,

লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, ময়মনসিংহের মো. মিজানুর রহমান, চাপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নুরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার আবুল ফজল মীর, চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাশ, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, শেরপুরের আনারকলি মাহবুব, খুলনার মো. হেলাল হোসেন, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবির মুরাদ, মো. আলী আকবর ও রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

১৯ সেপ্টেম্বর এবার ১১ দলীয় লংমার্চ রংপুর অভিমুখে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে দ্বিতীয় লংমার্চ করবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এর আগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রথম লংমার্চ কর্মসূচি পালন করেছে দলটি। ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবেই রংপুরের উদ্দেশে লংমার্চ করা হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

কুষ্টিয়ায় পদ্মার পানি বেড়ে পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পদ্মা নদীর পানি বাড়তে থাকায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় দুই ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে নদীভাঙন ও সাপ আতঙ্কে দিন কাটছে এসব এলাকার মানুষের।

পরিস্থিতি বিবেচনায় রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের জন্য পাঠদান নিরুৎসাহিত করেছে উপজেলা প্রশাসন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিনের বৃষ্টি ও পদ্মার পানি বৃদ্ধির কারণে শুক্রবার রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। পরে ধীরে ধীরে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়। এতে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও নিচু এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা পানিতে তলিয়ে গেছে।

পদ্মার পানি বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে নদীতীরবর্তী এলাকাতেও। চিলমারী ইউনিয়নের পদ্মা নদীর তীরবর্তী সীমান্তঘেঁষা উদয়নগর, আতারপাড়া ও ডিগ্রীরচর এলাকায় তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও যোগাযোগের সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জানা যায়, পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্লাবিত এলাকার মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে সাপের আতঙ্ক। পানিতে তলিয়ে যাওয়া ঝোপঝাড়, গর্ত ও নিচু জায়গা থেকে সাপ উঠে শুকনো ও উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিতে পারে বলে শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে শিশু ও গবাদিপশু নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন পরিবারগুলো। রাতের বেলায় পানির মধ্যে চলাচল করতে গিয়ে সাপের কামড়ের আশঙ্কায় অনেকে ঘর থেকে বের হতেও ভয় পাচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানান, পানি বাড়ার পর ঘরবাড়ির চারপাশ ডুবে গেছে। এখন আবার সাপের ভয়। রাতে ঘর থেকে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। বাচ্চাদের নিয়ে বেশি চিন্তায় আছি।”

তারা আরও বলেন, পানি আরও বাড়লে পরিস্থিতি খারাপ হবে। ঘরবাড়িতে পানি উঠলে মানুষ শুকনো জায়গায় উঠবে। তখন সাপের ভয়ও বাড়বে।

এদিকে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির বিষয়টি নদীর পানি পরিমাপের তথ্যেও উঠে এসেছে। ১১ সেপ্টেম্বরের ২৪ ঘণ্টার হিসাবে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মার পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে ১২ দশমিক ৯৮ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। আগের দিন পানি ছিল ১২ দশমিক ৯০ মিটার। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে পানি বেড়েছে ৮ সেন্টিমিটার। এই পানি বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় দৌলতপুরের পদ্মাতীরবর্তী চর ও নিম্নাঞ্চলের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

পদ্মার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে তীব্র স্রোতের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। পাশের পাবনা রাজবাড়ী নৌপথে পদ্মার প্রবল স্রোতের কারণে ফেরি চলাচলেও বিঘ্ন ঘটেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে পদ্মায় প্রতিদিনই পানি বাড়ছে। এর আগে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের পদ্মার চরাঞ্চলের ৩৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়। গত তিন দিনে পদ্মায় ৩৭ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধির কথা জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দার সুমন বলেন, হঠাৎ করে পানি বাড়তে শুরু করেছে। বাড়ির চারপাশে পানি, চলাচলও কঠিন হয়ে গেছে। পানি আরও বাড়লে পরিবার নিয়ে কোথায় যাব, সেই চিন্তায় আছি।

আরেক বাসিন্দা মোজাম বলেন, আমাদের এলাকায় প্রতিবছরই পানির ভয় থাকে। এবার পানি যেভাবে বাড়ছে, তাতে নদীভাঙনের আশঙ্কাও করছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

পানিবন্দি মানুষেরা বলছেন, পানি বাড়ার কারণে শিশুদের স্কুলে পাঠানো নিয়ে চিন্তায় আছি। বাড়িঘরে পানি ঢুকে গেলে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সমস্যাও তৈরি হবে।

চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান বলেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে গত দুই-তিন দিনে ইউনিয়নের ১৯টি গ্রামের মধ্যে ১৭টির নিম্নাঞ্চলের ঘর বাড়িতে পানির উঠে গেছে। এতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। স্কুলগুলোতে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি ওঠার পর থেকে বিষধর সাপের উপদ্রবও বেড়েছে। ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছেন অনেকে।

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মণ্ডল বলেন, আমার ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের চারপাশে এখন পানি। সড়কগুলো ডুবে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক বাড়ির ভেতরে পানি না ঢুকলেও ভিটা পর্যন্ত পানি উঠে এসেছে।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ বলেন, ইতোমধ্যে প্লাবিত এলাকার ৩০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন পুরো পরিস্থিতি নজরে রেখেছে। প্লাবিত এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্লাবিত দুই ইউনিয়নের ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের জন্য পাঠদান নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ