বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক পরিষদ চট্টগ্রাম জেলার সাপ্তাহিক উচ্চতর প্রশিক্ষণ ক্লাস

হোমিওপ্যাথির মৌলিক নিয়মনীতির গুরুত্ব ও তাৎপর্য” অনুষ্ঠিত

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা কর্তৃক আয়োজিত সাপ্তাহিক উচ্চতর প্রশিক্ষণ ক্লাস জেলা সভাপতি ও আজকের প্রবন্ধকার অধ্যাপক ডা. দেবব্রত ভট্টাচার্য মহোদয়ের সভাপতিত্বে গত ৩১ জুলাই ২০২৬খ্রি. শুক্রবার বিকাল তিনটায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজিজুর রহমান হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. ফেরদৌসী বেগম। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ডা. মৃদুল কান্তি দে। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ডা. অঞ্জন কুমার দাস, জেলা শাখার সহসভাপতি ডা. সাধন চন্দ্র পাল, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব প্রভাষক ডা. মোহাম্মদ এনামুল হক (এনাম), সরকারি আলাওল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কাজী মোঃ সোলেমান, জেলা শাখার উপদেষ্টা ডা: পি.সি সাহা, জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. এস এম রবিউল হোসাইন।

আজকের প্রবন্ধের বিষয় ছিল “হোমিওপ্যাথির মৌলিক নিয়মনীতির গুরুত্ব ও তাৎপর্য”। জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এর সঞ্চালনায় উক্ত প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন ডা. রতন কুমার বণিক, ডা. অহিদ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, ডা. আবু সাইদ মোঃ নাসের, ডা. এস এম ফয়েজ উল্লাহ আল ফারুক, ডা. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ডা. মোহাম্মদ মুসা, ডা. অমিতা দেবী, ডা. অনিমা পাল, ডা. ফারজানা বাহার, ডা. মৃনাল কান্তি নাথ, ডা. যতীন্দ্রনাথ বল্লভ, ডা. মোঃ আব্দুর রহিম, ডা. বিমল কান্তি মজুমদার, ডা. মীর শারমিন, ডা. সায়মাতুল জান্নাত, ডা. মাসুকা বেগম, ডা. কাবেরী বড়ুয়া, ডা. আরিফুল ইসলাম, ডা. সেলিনা বেগম, ডা. পলাশ ভট্টাচার্য, ডা. হোসনে আরা বেগম, ডা. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। সভাপতি মহোদয় সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চক্ষু চিকিৎসা সেবায় এক অবিস্মরণীয় নাম অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন মহান কর্মবীর
উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি (বিএনএসবি), চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি), ইনষ্টিটিউট অফ্ কমিউনিটি অফথালমোলজী (আইসিও) এবং ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং স্মৃতিচারণে নাগরিক শোকসভা অদ্য ১ আগস্ট শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়। বিএনএসবি ও সিইআইটিসির উদ্যোগে টাইগারপাস আমবাগান রোডস্থ নেভি কনভেনশন সেন্টারে উক্ত নাগরিক শোকসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এমপি। তিনি বলেন, আজ যে মানুষটির স্মরণ সভায় সবাই উপস্থিত হয়েছি সেই মানুষটি হলেন চক্ষু চিকিৎসা সেবায় এক অবিস্মরণীয় নাম অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসন। আমি মনে করি চক্ষু চিকিৎসা সেবায় উজ্জ্বল নক্ষত্র কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন একটি প্রতিষ্ঠান। মানুষের কল্যাণে এবং মানুষের কথা চিন্তা করে তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন। তাঁর আদর্শ ধারণ করে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।


তিনি ছিলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের মত মানুষ হয়না। তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তিনি আমাদের সবার হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকবেন। তিনি ছিলেন, একজন সেরা চিকিৎসক, সেরা ছাত্র ও দেশের গর্ব। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের দেশকে তিনি অনেক উপরে নিয়ে গেছেন। তিনি চট্টগ্রামে চক্ষু হাসপাতাল গড় তুলেছেন। বাংলাদেশের লাখো মানুষের দৃষ্টি ফিরিয়ে দেয়ার মহান ব্যক্তি তিনি। হাসপাতালটি করে চট্টগ্রামকে বিশ্বের মানচিত্রে তুলে ধরেছেন। আমাদের সকলের রবিউল হোসেনের মত এমন উদার দেশ প্রেমিক হওয়া উচিত।

প্রতিমন্ত্রওী বলেন, রবিউল হোসেনের প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি। তিনি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেও সেখানে নিজের নাম লেখাননি। নিজের কথা চিন্তা না করে হাসপাতালটি পরিচালনায় বোর্ড অব ট্রাস্ট করে দিয়ে গেছেন। তিনি মহান কর্মবীর। রবিউল হোসেন চলে গেলেও তার স্বপ্নগুলো ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে। আমাদের সেই স্বপ্ন দেখে এগিয়ে যেতে হবে। অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন যে প্রতিষ্ঠান করে দিয়ে গেছেন তাঁর দুই সন্তান ডা. রাজীব হোসেন ও রিয়াজ হোসেন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তার পিতার আদলে সুন্দরভাবে পরিচালনায়। তবে সেগুলো চালাতে সমাজের কোন অপশক্তি যেন তাদের গ্রাস করতে না পারে সে দিকে আপনারা লক্ষ্য রাখবেন।

গেষ্ট অফ অনারের বক্তব্যে চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান এমপি বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন চাচা সমাজের জন্য অনেক কিছু উপহার দিয়েছেন। তার প্লেজার এন্ড পেইন গ্রন্থে তা উঠে এসেছে। আমাদের দেশে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের সেই কর্মকান্ড ধারণ করে আমরা যাতে সেই মানবকি সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারি। সাঈদ আল নোমান বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন যে চক্ষু হাসপাতাল দাঁড় করিয়েছেন চট্টগ্রামের কোথায়ও এই সহজলভ্য চিকিৎসা সেবা নেই। দেশের আটটি জেলায় তিনি এমন চক্ষু হাসপাতাল দাঁড় করিয়েছেন। এমন মহান মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

মাওলানা মো. মেজবাহ উদ্দিনের কোরআন তেলওয়াাতের মাধ্যমে সভার সূচনা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিইআইটিসি’র ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা.কিউ.এম.অহিদুল আলম। আইসিও’র পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা.মো.মনিরুজ্জামান ওসমানীর উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিইআইটিসি ট্রাস্টের ট্রেজারার মোহাম্মদ রেজওয়ান শাহিদী। বক্তব্য রাখেন, চক্ষু চিকিৎসা সমিতির উপদেষ্টা গোলাম মোস্তফা শামীম, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফুর রহমান, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ছিদ্দীক স্যার, সাইডার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের চেয়ারম্যান নাদের খান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান শিরিন পারভীন হক, ইসলামিয়া হাসপাতাল ঢাকার মো. ফয়সাল সাহেদ, ময়মনসিংহ বিএনএসবি কে জামান হাসপাতালের চীফ কনসালটেন্ট ডা. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের দুই পুত্র যথাক্রমে সিইআইটিসি’র মেডিকেল ডিরেক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজীব হোসেন এবং সিইআইটিসি’র ট্রাস্ট বোর্ডের সদস্য রিয়াজ হোসেন, ফয়েজলেকের মো. মহিউদ্দিন, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ডা. সোমা রানী রায়, কেন্দ্রীয় ওএসবির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. জিন্নুরাইন নিউটন, ডা. আবু নাসেরসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

উক্ত নাগরিক শোক সভা পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করেন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. রুকনুন চৌধুরী এবং আয়োজক কমিটির সদস্য ও চক্ষু হাসপাতালের মহাব্যবস্থাপক (হিসাব ও অর্থ) মো. গোলাম ফারুক।

দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে– স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, দেশের সব ৩০ ও ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে এবং সেইসাথে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, নতুন শিশু হাসপাতাল স্থাপন, নারী স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং ক্যান্সার ও কিডনি রোগের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা জেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আজ শনিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শাহ আলম বীর-উত্তম অডিটোরিয়ামে চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতের সংকটের স্থায়ী সমাধানে সরকার সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। শুধু নতুন হাসপাতাল নির্মাণ নয়, পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ, আধুনিক অবকাঠামো, গবেষণা এবং স্বাস্থ্যসেবার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এখানে বিপুল সংখ্যক অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। শুধু একটি প্রতিষ্ঠানে পদ পূরণ করলেই হবে না, সারা দেশে চিকিৎসক ও শিক্ষকের ঘাটতি পূরণের জন্য সামগ্রিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। স্বাধীনতার পর এ বছরই স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ আরো উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, শুধু চিকিৎসা নয়, রোগ প্রতিরোধেও সরকার সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। নিরাপদ খাদ্য, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও জনসচেতনতা বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। কারণ রোগ প্রতিরোধে সফল না হলে শুধু হাসপাতাল ও যন্ত্রপাতি বাড়িয়ে স্বাস্থ্য সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

এসময় তিনি উল্লেখ করেন,চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়ও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ইতোমধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিকভাবে ১০ জন করে আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে আরো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মেডিকেল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য ড. এম এ মুহিত বলেন, চিকিৎসা পেশা একটি মানবিক ও ত্যাগের পেশা। ভবিষ্যতের চিকিৎসকদের দক্ষতা, গবেষণায় অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক মানের জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য খাতকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে।তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা, ই-জার্নাল ব্যবহারের সুযোগ বৃদ্ধি এবং পোস্টগ্র্যাজুয়েট প্রশিক্ষণের পরিবেশ উন্নত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপাধ্যক্ষ ডা. মো. আব্দুর রব, চট্টগ্রাম ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর বিভিন্ন শাখার নেতৃবৃন্দ, চিকিৎসক, মেডিকেল শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ