এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে প্রতিদিন ঘটছে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা। এসব কিশোর গ্যাংয়ের কারণে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন পার করছেন। গত ছয় মাসে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অর্ধশতাধিক মারামারির ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে উঠতি বয়সী এসব কিশোর। পুলিশ বলছে, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য মোকাবিলা করতে হবে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে।
বিশেষ করে জেলার হাটহাজারীতে কিশোর গ্যাংয়ের কারণে মানুিষ আতংকে রয়েছে।

এখানকার দক্ষিণ মাদার্শা ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকদলের সদস্য বাইক ব্যাবসায়ী ইমন( ৩০) কে সম্প্রতি অস্ত্র মুখে জিম্মি করে তুলে নিয়ে গিয়ে রাতবর নির্যাতন করে মোবাইল বাইক ও দুই লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। ঠিক দুইদিন পর কিশোর গ্যাং লিডার আরাফাত এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে সংঘর্ষের জেরে গুলিবিদ্ধ হয় আরাফাত। এখানকার কিশোর গ্যাং লিডার এর মধ্যম বুড়িশ্চর ফতেহ মো. তালুকদার বাড়ির আরাফাত প্রকাশ ডন আরাফাত। স্থানীয়রা জানান, সে চুরি চিন্তায় মাদক কারবারি সাথে যুক্ত। স্থানীয়রা তার বিরুদ্ধে নানা গুরুতর অভিযোগ ও তাদের ক্ষোভ তুলে ধরেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং বুড়িশ্চর আওয়ামী লীগের সভাপতি বেলাল উদ্দিন বিজয়ের কর্মী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে মাদকাসক্তি, মাদক সংশ্লিষ্টতা, কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং এলাকার তরুণদের বিপথে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এলাকায় ‘আরডিএক্স’ নামে একটি কিশোর গ্যাংয়ের কথাও স্থানীয়ভাবে আলোচিত। অভিযোগ রয়েছে, এই গোষ্ঠীর কিছু সদস্য মাদক, মারামারি, ভয়ভীতি, হুমকি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত।

তাদের কারণে বহু পরিবার আতঙ্কে রয়েছে এবং অনেক তরুণ পড়াশোনা ছেড়ে বিপথে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছে। এদের অপরাধের কারণে একটি পুরো এলাকার শান্তি নষ্ট হচ্ছে। সাধারণ মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে ভয় ও অনিশ্চয়তা।স্থানীয়দের মতে এখনই সময় মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে দাঁড়ানোর। নীরবতা অপরাধীদের আরও সাহসী করে।











