রুপগঞ্জ প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি খলিল সিকদার, সাধারণ সম্পাদক আলম হোসেন

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ(নারায়ণগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইনকিলাব ও বাংলাভিশনের খলিল শিকদারকে সভাপতি ও নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের ও ঢাকা গ্রাফ পত্রিকার মোঃ আলম হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের ৫৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে রুপগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে এ কমিটি ঘোষণা দেওয়া হয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে এশিয়ান টিভির শহীদুল্লাহ গাজী, আগামীর সময় এ হায় মিলন, সহ-সভাপতি হিসাবে স্টার নিউজের এসএম শাহাদাত, জিটিভির আশিকুর রহমান হান্নান, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হিসেবে বিজয় টিভির শরীফ আহমেদ লিটন, সমকালের জিয়াউর রাশেদ, সময়ের আলোর রাশেদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ প্রতিদিনের জাহাঙ্গীর আলম হানিফ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলা টিভির সোহেল কিরণ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক গ্রীন টিভি ও প্রতিদিনের বাংলাদেশের সাইফুল ইসলাম, ক্রীড়া , সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এনটিভির শাকিল আহমেদ ও দৈনিক যাযাদিন পত্রিকা , সহ ক্রীড়া , সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ইসলামিক টিভির আল-আমিন, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কালবেলার জাহাঙ্গীর মাহমুদ, আইন ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সিনিয়র আইনজীবী মাজেদুল হক মোল্লা সোহাগ, দপ্তর সম্পাদক আমাদের সময়ের শহিদুল করিম বিপ্লব, প্রচার সম্পাদক হিসেবে দৈনিক খবরের কগজের রুবেল শিকদার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক দৈনিক প্রভাত পত্রিকার পুনম ফেরদৌস, কার্যকরি সদস্য কান্ট্রি টুডে রুহুল আমিন, নিউজ বাংলাদেশ ডট কমের মনজুরুল কবির বাবু, সিএনএন বাংলার সাইদুর রহমান, ভোরের পাতার ফরহাদুল কবির, আজকের বাংলার মাকসুদুল হক তুষার ও নারায়ণগঞ্জ পোস্টের মেহেদী হাসান ফরহাদ। এছাড়া এ কমিটিতে উপদেষ্টা মন্ডলীতে ৮ জনকে রেখে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা দেয়া হয়।

এ সময় নবনির্বাচিত রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ খলিল সিকদার বলেন, আমরা আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে নতুন এ কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রেস ক্লাবের জন্য নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি জাতীয় প্রেস ক্লাবের আদলে রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবকে একটি আধুনিক ও সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বমাদের।

রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলম হোসাইন বলেন, আমাকে নির্বাচিত করায় আপনাদের সবার প্রতি জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতা।নতুন মেয়াদে আমাদের পথচলায় প্রতিটি পদক্ষেপ নেওয়া হবে সমন্বিত উদ্যোগে। কমিটির সকল সম্মানিত সদস্যকে সাথে নিয়ে, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যের ভিত্তিতে আমরা রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সব কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ত্বরান্বিত করব।
​সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি একটি দায়িত্ব। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হবে রূপগঞ্জের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা নির্ভীকভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরা।

সত্যনিষ্ঠ, বস্তুনিষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনে আপনারা যেন নির্দ্বিধায় কাজ করেু যেতে পারেন, তার জন্য প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা ও সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।আসুন, সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা ও ঐক্যের যে স্তম্ভ আমরা গড়ে তুলেছি, তা অক্ষুণ্ণ রেখে এলাকা ও দেশের কল্যাণে আমরা সবাই এক হয়ে কাজ করি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়াল গ্রেপ্তার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদকে রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় বাবার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। দাফন শেষে তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন উপস্থিত সবার কাছে তার বাবার মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা করেন।

এর আগে বুধবার বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ এবং বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ