পাবনার কৈডাঙ্গায় হিন্দু বাড়িতে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা; ভাঙ্গুড়ায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দাবি

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার, বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কৈডাঙ্গা নদীপাড়া এলাকায় সহাদেব রাজবংশীর বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট বিকাল প্রায় ৪ টার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগুন লাগার সময় বাড়িতে সহাদেব রাজবংশীর মেয়ে ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। বাড়ির পাশে রান্নাঘর থাকায় প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নাঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘরের ডাবের ওপর শোলা থাকায় আগুন দ্রুত তীব্র আকারে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লাগার খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করেন। একই সঙ্গে বিষয়টি চাটমোহর ফায়ার সার্ভিস কে জানানো হয়। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই গ্রামবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দীর্ঘ সময় পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার সময় বাড়িটির বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। বিদ্যুৎ সংযোগ চালু থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত বলে আশঙ্কা করছেন তারা। বর্তমানে বাড়িটি আপাতত বিপদমুক্ত রয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ভাঙ্গুড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম ফারুক টুকুন এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সাগর হাসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের ধৈর্য ধারণের আশ্বাস দেন।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনায় ভাঙ্গুড়ায় দ্রুত একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙ্গুড়ায় অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়দের ওপরই নির্ভর করতে হয়।এলাকাবাসীর দাবি, ভাঙ্গুড়ায় অতি দ্রুত একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ করা হলে ভবিষ্যতে অগ্নিকাণ্ডে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো যাবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফটিকছড়িতে ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মোঃ মোজাম্মেল হোসেনের ইন্তেকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওতাধীন ফটিকছড়ির-শোভন ছড়ি, ভূঁইয়া পাড়া নিবাসী’ মোহাম্মদ শাহ আলম (সাদ্দামের) ছেলে, ১১নং ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মোঃ মোজাম্মেল হোসেন অসুস্থতা জনিত অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২০ আগষ্ট) চট্টগ্রাম শহরের পশ্চিম ষোলশহর বিবিরহাটস্থ” ভান্ডারী লাইনের বাসায়
অকালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)।

শুক্রবার (২১ আগষ্ট) সকাল ১১ টায় ফটিকছড়ির সুয়াবিলাস্থ গ্রামের বাড়ি ভূইয়াপাড়া জামে মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মোকাম্মেলের দাফন সম্পন্ন হয়। ছাত্রদল নেতা মোজাম্মেল হোসেনের এই অকাল মৃত্যুতে শোক ও সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগ’র বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, পাচঁলাইশ থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ আলী সাকি, রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট এনামুল হক, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাজ্জাদ খাঁন, বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম, পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপি সাবেক দপ্তর সম্পাদক মজিব উদ্ দৌল্লা বাচ্চু, পাঁচলাইশ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শফিউল আলম শফি, জিলানী ইলেকট্রনিক্স সার্ভিসের পরিচালক মোঃ আজাদ, এসএম জিলানী,

গ্রীণচিলি রেস্তোরাঁ পরিচালক ইলিয়াছ মোঃ আকাশ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন, পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মোঃ জাবেদ, ফটিকছড়ি দাঁতমারা ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি মেহেদী হাসান, জাতীয়তাবাদী সাইবার দল চট্টগ্রাম মহানগরের দপ্তর সম্পাদক মাহাতাব উদ দৌল্লা মেহেদী, বিএনপি নেতা ইলিয়াস ইলু, আব্দুল মান্নান, যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মামুন, মোঃ সালু সহ প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ বলেন, মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করেন। আমীন।

বোয়ালখালীতে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার ঢেউটিন বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকা। সংগঠনটির উদ্যোগে বোয়ালখালী উপজেলার ৫নং সারোয়াতলী ইউনিয়নের বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে।

আজ সকালে ৫নং সারোয়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের মিলনায়তনে আয়োজিত এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণ ও দুর্ভোগ কিছুটা লাঘবের লক্ষ্যে এ সহায়তা প্রদান করা হয়।

ঢেউটিন বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পারভেজ মো. চৌধুরী, মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, নির্বাহী সদস্য মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী, ৫নং সারোয়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার তৌহিদুর রহমান, নাগরিক ছাত্র ঐক্যের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী, বোয়ালখালী প্রেসক্লাবের সদস্য এম মনির চৌধুরী রানা প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সমাজের প্রত্যেক দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও সংগঠনের নৈতিক দায়িত্ব। চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার এ মানবিক উদ্যোগ বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্দশা কিছুটা হলেও লাঘবে সহায়ক হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্থানীয়রা চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

আলোচিত খবর

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বঙ্গভবন ছেড়েছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বঙ্গভবন ছেড়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে একটি ভিডিওতে তার গাড়িবহর বের হয়ে যেতে দেখা যায়। এর আগে বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে তাকে বিদায় জানান।

বিদায়ের আগে সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল হাফিজ উদ্দিন আহমদকে গার্ড অব অনার দেয়। তিনি গার্ড পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। পরে উপস্থিত ব্যক্তিদের সঙ্গে বিদায়ী শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন।বিদায় অনুষ্ঠানে তিন বাহিনীর প্রধান, রাষ্ট্রপতির সামরিক ও বেসামরিক সচিব এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গভবন ছাড়ার সময় হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশের শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করেন। একই সঙ্গে সরকারের সাফল্য কামনা করে বঙ্গভবন এলাকা ত্যাগ করেন।
উল্লেখ্য এর আগে গত ২৪ জুলাই স্বাস্থ্যগত কারণে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। এরপর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ