সর্বশেষ
শেখ হাসিনাকেই অনুসরণ করা হচ্ছে, অসমাপ্ত আত্মজীবনীবিক্রিতে বাধার প্রতিবাদে আসিফ নজরুল ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে : মেয়র শাহাদাত ছবি-৫ চট্টগ্রাম ব্যুরো: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম নগরের লালদিঘী এলাকায় বিশেষ মশকনিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন। ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় লালদিঘী ও আশপাশের এলাকায় মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে লার্ভা নিধন, মশকনিধন ওষুধ প্রয়োগ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও মশার বংশবিস্তারের সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কর্মসূচি পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের মশকনিধন কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নগরবাসীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।তিনি বলেন, এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমে থাকলে দ্রুত তা অপসারণ করতে হবে। মেয়র আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিক নিয়মিত মশকনিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভা নিধন, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, শুধু ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের মাঠকর্মীদের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করতে হবে। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। নগরবাসী নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখলে এবং কোথাও পানি জমতে না দিলে মশার বংশবিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নিজের ঘর-আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, জমে থাকা পানি অপসারণ করুন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করুন। চসিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নগরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে চট্টগ্রামে কালুরঘাটে দেড় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ চট্টগ্রামে কর্ণফুলী মার্কেটে অভিযান : মরিচে কেমিক্যাল-মাছে কারচুপি চমেক হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগে নতুন সংযোজন ইএমজি মেশিন চুয়েটে স্বাভাবিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা, তৃতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি

নিষিদ্ধ বইনয়-

শেখ হাসিনাকেই অনুসরণ করা হচ্ছে, অসমাপ্ত আত্মজীবনীবিক্রিতে বাধার প্রতিবাদে আসিফ নজরুল

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিক্রয়ে বাধা দেওয়ার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।

আসিফ নজরুল বলেন, ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ কোনো নিষিদ্ধ বই নয়। বইটি বিক্রয়ে বাধা দেওয়া, প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) বাংলাবাজার বিক্রয়কেন্দ্রে তালা দেওয়া এবং এর দুজন কর্মীকে তুলে নেওয়া বেআইনি ও অপরাধমূলক কাজ।তিনি এ বিষয়ে সরকারের উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আসিফ নজরুল বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে এভাবে বই বিক্রিতে বাধা দেওয়া, এমনকি বই নিষিদ্ধ করার বহু ঘটনা ঘটেছে। তারা তখন এসবের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন।

এখন একই ধরনের নিন্দনীয় কাজ করে প্রকৃতপক্ষে শেখ হাসিনাকেই অনুসরণ করা হচ্ছে এবং মুক্তচিন্তার মানুষের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বন্দর রক্ষা কমিটির মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ও চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়ার উদ্যোগ বন্ধের দাবিতে আগামী ৫ অক্টোবর বন্দর প্রধান ফটকে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে বন্দর রক্ষা কমিটি। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের পদত্যাগ দাবি করেছেন শ্রমিক নেতারা। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বন্দর রক্ষা কমিটি, চট্টগ্রামের উদ্যোগে জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানানো হয়। সভা থেকে ৫ অক্টোবর বন্দর প্রধান ফটকে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচিতে শ্রমিক, ট্রেড ইউনিয়ন, জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়নসহ সর্বস্তরের মানুষকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতি ও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান অবকাঠামো। বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ দেশের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। তাই বন্দর রক্ষায় শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে পরিচালনার সুযোগ দেওয়া যাবে না। বন্দরের সঙ্গে দেশের অর্থনীতি, শ্রমিকের কর্মসংস্থান এবং জাতীয় স্বার্থ জড়িত। ৫ অক্টোবরের অবস্থান কর্মসূচি সফল করতে সর্বস্তরের শ্রমিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

বন্দর রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব ফজলুল কবির মিন্টু বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি নয়, এটি দেশের জনগণের সম্পদ। বন্দরের সক্ষমতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিদেশি অপারেটরের হাতে গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল তুলে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়। স্বচ্ছতা ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বন্দরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে হবে।
জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম বলেন, বন্দরের শ্রমিকদের স্বার্থ উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে লাখো মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত। তাই বন্দরের স্বার্থ ও শ্রমিকের অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

সভায় বক্তারা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের পদত্যাগ দাবি করেন। তারা অভিযোগ করেন, বন্দর চেয়ারম্যান ডিপি ওয়ার্ল্ডের স্বার্থে লবিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। তবে এটি সভায় বক্তাদের করা অভিযোগ। এর আগে বন্দর চেয়ারম্যান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে এনসিটি পরিচালনা নিয়ে আলোচনার বিষয়ে দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় না দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

সভায় জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সহ সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম ফরাজী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দীকী, বন্দর শ্রমিক দল নেতা আব্দুর রুফ লিটন, চট্টগ্রাম যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের সদস্য সচিব হাসিবুর রহমান বিপ্লবসহ শ্রমিক নেতারা বক্তব্য দেন।

মালামাল উচ্ছেদ করে সড়কে ফুটপাত দখলমুক্ত করলো চসিক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামী সড়কে ফুটপাত দখল করে রাখা দোকানের মালামাল উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত।বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সড়কের বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা।

চসিক সূত্র জানায়, বায়েজিদ বোস্তামী সড়কের ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে বিভিন্ন দোকানের মালামাল রাখা হয়েছিল। এতে পথচারীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল।অভিযান চালিয়ে ফুটপাত দখল করে রাখা এসব মালামাল জব্দ করা হয়। পরে ফুটপাতটি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়। চসিক জানিয়েছে, জনস্বার্থে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে : মেয়র শাহাদাত ছবি-৫ চট্টগ্রাম ব্যুরো: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম নগরের লালদিঘী এলাকায় বিশেষ মশকনিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন। ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় লালদিঘী ও আশপাশের এলাকায় মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে লার্ভা নিধন, মশকনিধন ওষুধ প্রয়োগ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও মশার বংশবিস্তারের সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কর্মসূচি পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের মশকনিধন কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নগরবাসীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।তিনি বলেন, এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমে থাকলে দ্রুত তা অপসারণ করতে হবে। মেয়র আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিক নিয়মিত মশকনিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভা নিধন, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, শুধু ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের মাঠকর্মীদের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করতে হবে। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। নগরবাসী নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখলে এবং কোথাও পানি জমতে না দিলে মশার বংশবিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নিজের ঘর-আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, জমে থাকা পানি অপসারণ করুন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করুন। চসিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নগরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে