আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি, সুযোগ আছে বিবাহিতদেরও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্প্রতি জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ৫৯তম বিএমএ স্পেশাল, ৫২তম ডিএসএসসি এবং ৩৬তম ডিএসএসসি কোর্সে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

এক নজরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি

প্রতিষ্ঠানের নাম

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

চাকরির ধরন

সরকারি চাকরি

প্রকাশের তারিখ

৬ জুলাই ২০২৩

পদ ও লোক সংখ্যা

নির্দিষ্ট নয়

চাকরির খবর

ঢাকা পোস্ট জবস

আবেদন করার মাধ্যম

অনলাইন

আবেদন শুরুর তারিখ

৭ জুন ২০২৩

আবেদনের শেষ তারিখ

৪ আগস্ট ২০২৩

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট

https://joinbangladesharmy.army.mil.bd/

আবেদন করার লিংক

অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

পদের নাম: সিগন্যালস্ কোর। শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৫০। ইংরেজি মাধ্যম হলে ‘ও’ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ২টিতে ‘এ’ গ্রেড, ৩টিতে ‘বি’ গ্রেড ও ১টিতে ‘সি’ গ্রেড এবং ‘এ’ লেভেলে ২টি বিষয়ে ন্যূনতম ‘বি’ গ্রেড। এছাড়া কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের উপর বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কমপক্ষে সিজিপিএ-৩ থাকতে হবে।

পদের নাম: ইলেকট্রিক্যাল এন্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৫০। ইংরেজি মাধ্যম হলে ‘ও’ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ২টিতে ‘এ’ গ্রেড, ৩টিতে ‘বি’ গ্রেড ও ১টিতে ‘সি’ গ্রেড এবং ‘এ’ লেভেলে ২টি বিষয়েই ন্যূনতম ‘বি’ গ্রেড। এছাড়া মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের উপর বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কমপক্ষে সিজিপিএ-৩ থাকতে হবে।

পদের নাম: আর্মি এডুকেশন কোর। শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৪.০০। ইংরেজি মাধ্যম হলে ‘ও’ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ৪টিতে ‘বি’ গ্রেড, ১টিতে ‘সি’ গ্রেড ও ১টিতে ‘ডি’ গ্রেড এবং ‘এ’ লেভেলে ২টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ১টিতে ‘সি’ গ্রেড এবং ১টিতে ‘ডি’ গ্রেড। এছাড়া স্ব-স্ব বিষয় সমূহের উপর স্নাতকোত্তর ডিগ্রিতে কমপক্ষে সিজিপিএ-৩ থাকতে হবে।

পদের নাম: রিমাউন্ট ভেটেরেনারি এন্ড ফার্ম কোর। শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৪.০০। ইংরেজি মাধ্যম হলে ‘ও’ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ৪টিতে ‘বি’ গ্রেড, ১টিতে ‘সি’ গ্রেড ও ১টিতে ‘ডি’ গ্রেড এবং ‘এ’ লেভেলে ২টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ১টিতে ‘সি’ গ্রেড এবং ১টিতে ‘ডি’ গ্রেড। এছাড়া ভেটেরিনারি সায়েন্স এন্ড এনিমেল হাসবেন্ডারি/এনিমেল হাসবেন্ডারি থেকে স্নাতকে সিজিপিএ-৩ থাকতে হবে।

পদের নাম: জাজ অ্যাডভোকেট জেনারেল। শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৪.০০। ইংরেজি মাধ্যম হলে ‘ও’ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ৪টিতে ‘বি’ গ্রেড, ১টিতে ‘সি’ গ্রেড ও ১টিতে ‘ডি’ গ্রেড এবং ‘এ’ লেভেলে ২টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ১টিতে ‘সি’ গ্রেড এবং ১টিতে ‘ডি’ গ্রেড। এছাড়া এলএলবি থেকে স্নাতকে জিসিপিএ কমপক্ষে ৩ থাকতে হবে। এলএলএম/এমএএলএলএম ডিগ্রিতে কমপক্ষে সিজিপিএ-৩ থাকতে হবে।

বয়সসীমা: পুরুষ: অবিবাহিত। তবে ১ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে যাদের বয়স ২৬ বছরের উপর হবে সে সকল বিবাহিত পুরুষ প্রার্থীগণও আবেদন করতে পারবেন। মহিলা: অবিবাহিত/বিবাহিত।

প্রার্থী নির্বাচন পদ্ধতি: লিখিত পরীক্ষা (পেশাগত বিষয় ১০০ নম্বর) আগামী ১১ আগস্ট সকাল ৯টায় শহীদ বীর বিক্রম রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল, ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল সেপ্টেম্বর মাসের ৪র্থ সপ্তাহে প্রকাশিত হবে।

বেতন-ভাতা: সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সশস্ত্র বাহিনীর বেতনক্রম অনুযায়ী অফিসার ক্যাডেট/ট্রেইনি অফিসারগণ বেতন ও ভাতা প্রাপ্ত হবেন। পরবর্তীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে প্রযোজ্য বেতন ভাতা ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।

আবেদন পদ্ধতি: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে https://joinbangladesharmy.army.mil.bd/ গিয়ে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ৪ আগস্ট, ২০২৩।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নারীদের শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা সরকারের লক্ষ্য : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেছেন, আমাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচীর মধ্যে বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন অন্যতম। দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদেরকে স্বনির্ভর, আত্মপ্রত্যয় এবং শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করে মেয়েদের জন্য এইচ.এস.সি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। এছাড়া নারীদের সার্বিক কল্যাণে তিনি অনেকগুলো কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছিলেন। তাঁরই সুযোগ্য পুত্র বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্সমতায় আসার পর নারীদের ক্ষমতায়নে কাজ করছেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও বেগবান করতে প্রত্যেক নারীকে উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারা কাজও শুরু করেছেন।


সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ের অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় পর্যায়ে ৩ ক্যাটাগরিতে ৪ জন অদম্য নারীকে ফুল, ক্রেস্ট ও সনদপত্রসহ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি। সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা হচ্ছেন-শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আবদুল হালিমের মেয়ে আসমা আকতার রুনা, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের শামসুল ইসলামের মেয়ে শমলা বেগম, সফল জননী নারী ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর গ্রামের আমিন আহমদ ভূঁঞার স্ত্রী বেগম তাজকেরা চৌধুরী ও সফল জননী নারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার চান্দনপুর পাখাচং গ্রামের আবদুল কাদেরের মেয়ে বিলকিছ বেগম। অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা তাদের জীবন-সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন।

অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বৈরী পরিস্থিতিতে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সাথে কথা বলে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা মেরামতের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে বিএনপি ৩১ দফা ঘোষনা করেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই মাসে জাতির সামনে প্রকাশ করা হয়েছিল। বিএনপি চেয়ারম্যান ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহারে ৩১ দফার ৮টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে কাজ শুরু করেছে। তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে-ফ্যামিলি কার্ড। এটি পাবেন পরিবারের প্রধান নারী। কোন রাজনৈতিক বিবেচনা বা জনপ্রতিনিদিদের মাধ্যমে নয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এডমিন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ তালিকার মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে, যাতে পরবর্তীতে কোন সরকার এটি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পারে। পাইলট প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৪টি জেলার ১৪টি ওয়ার্ড/উপজেলার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের পতেঙ্গা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুর ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের সবক’টি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত অদম্য নারীদের বক্তব্যের আলোকে তিনি বলেন, আজকের অদম্য নারীদের মধ্যে এ পুরস্কার সীমাবদ্ধ নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে-ইউনিয়নে-পৌরসভা-উপজেলা-থানা-নগর ও জেলা পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের প্রতিটি নারী সম্মানের হকদার। বাংলাদেশে যত নারী আছেন তারা কোন না কোন জায়গায় অদম্যতার পরিচয়ে ঠিকে আছেন। অদম্য নারীদের জীবন-যুদ্ধে হার না মানার কাহিনীর ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা দরকার এবং সমাজের অন্যান্য নারীদেরকে এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আমরা বাংলাদেশের জন্য কাজ করতে চাই, চট্টগ্রামের জন্য অনেক কিছু করতে চাই, এজন্য সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, সংবিধানে সকলের সমান অধিকার। ১৯ কোটি মানুষের দেশে ৪ কোটি মানুষও যদি কর্মক্ষম বা অর্থনীতির বাইরে থাকে তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা কাঙ্খিত উন্নয়ন কোনভাবে সম্ভব নয়। পুরুষের পাশাপাশি নারীরা উদ্যেক্তা হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে এবং উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবো।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশকে যদি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, সমতা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হয়, তাহলে আমাদের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীদেরকে সাথে নিয়ে পথ চলতে হবে। উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে নারী-পুরুষের সমতা আনায়ন অত্যন্ত জরুরী।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো.জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ নাজিমুল হক, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অদম্য নারী পুরস্কার কর্মসূচীর অতিরিক্ত পরিচালক ও কর্মসূচী পরিচাল মোঃ মনির হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় পরিচালক (উন্নয়ন) নুসরাত সুলতানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত অদম্য নারীগণ, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচিত হয়ে সংসদে ষাচ্ছেন যে সাত বিজয়ী নারী প্রার্থী।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচিত হয়ে সংসদে ষাচ্ছেন যে সাত বিজয়ী নারী প্রার্থী।
১. মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খান রিতা,
২. ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো,
৩. সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা,
৪. ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ,
৫. ফরিদপুর-৩ আসনে নায়াব ইউসুফ কামাল,
৬.নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমিন পুতুল এবং
৭. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ