পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা চট্টগ্রাম মহানগরের ডবলমুরিং ও ইপিজেডে নারীসহ নিহত-৩

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ডবলমুরিং ও ইপিজেড থানা এলাকায় গত বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে ডবলমুরিংয়ের ধনিয়ালাপাড়া এলাকায় এবং বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে সিইপিজেডের ৫ নম্বর সড়কে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ইপিজেড থানাধীন সিইপিজেডের ৫ নম্বর সড়কে পিকআপভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই শ্রমিক গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতরা হলেন- তামান্না ও মো. খলিল। তামান্না শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি নগরের কলসির দীঘির পাড় এলাকার ওয়াসিম চৌধুরী পাড়ায় থাকতেন। তার স্থায়ী ঠিকানা বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে। নিহত মো. খলিলও শ্রমিক ছিলেন। তিনি ইপিজেডের ফ্রি পোর্ট, নিউমুরিং এলাকায় থাকতেন। তার বাবা মৃত গোলাম মোস্তফা ও মা নুর জাহান বেগম। ইপিজেডের দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন ‘স্মার্ট জ্যাকেট’র সুপারভাইজার ছোটন।

চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, গত বুধবার রাত ১১টা ৩৩ মিনিটের দিকে ডবলমুরিং থানাধীন ডিটি রোডের ধনিয়ালাপাড়া রাস্তার মাথায় একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী মাছুম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত মাছুম ডবলমুরিংয়ের ধনিয়ালাপাড়ার মগবুল মঞ্জিল এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত রমজান আলী। বর্তমানে তার মরদেহ চমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নোয়াখালীতে এসিড পান করে যুবকের মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর সেনবাগে দুরারোগ্য রোগের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে রাসায়নিক পদার্থ (এসিড) পান করে দোলন কুমার বণিক (৩০) নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের উত্তর মোহাম্মদপুর গ্রামের বণিক বাড়ির পাশের একটি বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দোলন কুমার বণিক ওই গ্রামের মানিক লাল বণিকের ছেলে। তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দোলন দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ছিলেন। ভারতসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা করিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে বাড়ির পাশের বাগানে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, রোগের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে সবার অগোচরে তিনি সেখানে রাসায়নিক পদার্থ পান করেন। এতে তার পরনের কাপড়ও পুড়ে যায়।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হযরত আলী মিলন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

 

হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু, চাটখিল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভাঙচুর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফাতেমা হাসান রিমি নামে দুই মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে হাসপাতালটিতে ভাঙচুর চালিয়েছেন শিশুটির স্বজনেরা।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল সোয়া ৩টা থেকে রাত পৌনে ৮ পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যান চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ।নিহত রিমি উপজেলার হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের বক্তারপুর মুন্সিমিয়া চৌকিদার বাড়ির রবিউল হাসান ও উম্মে সালমা দম্পতির সন্তান।

নিহতের স্বজনেরা জানান, সোমবার দুপুর ২টার দিকে হামে আক্রান্ত রিমিকে চিকিৎসার জন্য চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এ সময় শিশুটির হামে আক্রান্ত হওয়ার রিপোর্ট কর্তব্যরত চিকিৎসককে দেখানো হয়। পরে কর্তব্যরত নার্স শিশুটিকে ইনজেকশন ও স্যালাইন দেন। ইনজেকশন ও স্যালাইন দেওয়ার কিছুক্ষণ পর রিমির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে অক্সিজেনের প্রয়োজন হলে হাসপাতালে অক্সিজেন নেই বলে জানানো হয়। পরে বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়।শিশুটির মা উম্মে সালমার অভিযোগ, চিকিৎসক ও নার্সের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণেই তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্বজনেরা হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে চাটখিল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং নিহত শিশুর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ইউএনও ও ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তারা।

চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিন আক্তার বলেন, শিশুটি গত এক মাস ধরে অসুস্থ ছিল এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। সেখানে শিশুটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। স্যালাইন চলার সময় শিশুটির মা তাকে বুকের দুধ খাওয়ালে তা শ্বাসনালীতে আটকে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি জানান। শিশুটি নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের মতো ছিল। তবে সে হামে আক্রান্ত ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, শিশুর মৃত্যুর পর স্বজনেরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। এতে তৃতীয় কোন পক্ষের ইন্ধন রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে।

চাটখিল থানার ওসি আবদুল মোন্নাফ বলেন, নিহত শিশুর স্বজনেরা থানায় এসেছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।চাটখিল ইউএনও মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যাওয়ার আগে নিহত শিশুর স্বজনেরা হাসপাতালে কিছু ভাঙচুর চালিয়েছেন।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ