নোয়াখালীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

রিপন মজুমদার জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালীঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এটা

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, জমি দখল, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় তার সহযোগীদের বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দিদারুল আলমের আত্মীয়স্বজন ও সহযোগীদের একটি অংশ বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ডাকাতি, জমি দখল, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা মাস্টার ব্যাপারী অভিযোগ করেন, তার বন্ধক নেওয়া ৩০ শতক জমি দিদারের ভাগ্নি ও বোনের জামাই পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরা জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি বিচার দাবি করেন।

একই এলাকার বাসিন্দা নুরজাহান অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে কেন্দ্র করে তার কাছে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে এবং তাকে মারধর করা হয়েছে। তার দাবি, এর আগে তিনি ৭০ হাজার টাকা দিলেও দিদার ও তার সহযোগীরা আবার টাকা দাবি করছেন।

আমেনা নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, অনেক কষ্ট করে চরের গাছ কেটে তারা বসবাসের উপযোগী করে জায়গা তৈরি করেছেন। কিন্তু দিদার ও তার সহযোগীরা চরের জমি দখল করতে তাদের ওপর অন্যায়-অবিচার করছেন। এ ঘটনায় তিনি বিচার দাবি করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহিম অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে এলাকায় চাঁদাবাজি ও জমি দখলসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এসব ঘটনার তদন্ত করে দিদারুল আলম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা ফারুক মাঝি অভিযোগ করেন, দিদারুল আলমের নেতৃত্বে নাহিদ, জাবেদ ও রিদয়সহ কয়েকজন বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। জমি দখলসহ নানা ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা একাধিক মানববন্ধন করে। উল্টো এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়ানো হয়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম বলেন, ‘আমি সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের সভাপতির বিরুদ্ধে হওয়া একটি সংবাদ ফেসবুকে শেয়ার করি। এরপর উপজেলা যুবদলের সভাপতির অনুসারীরা আমার বিরুদ্ধে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন। আমি এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই।’

তবে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার পরিবেশন চমেক হাসপাতালের সামনে অভিযানে জরিমানা গুনল ৩ প্রতিষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সামনে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বেশি দামে ডাব বিক্রি, অননুমোদিত ওষুধ সংরক্ষণ ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার পরিবেশনের অভিযোগে রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে এ জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ।
জানা গেছে, অভিযানে রাইছা মেডিকেল হলকে ভারতীয় অননুমোদিত ওষুধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার অভিযোগে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া বেশি দামে ডাব বিক্রি ও ক্রয়ভাউচার দেখাতে না পারায় নয়ন (৪২) নামের এক ব্যবসায়ীকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার পরিবেশনের অভিযোগে ভান্ডারী হোটেলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানের সময় ডাবের দাম বেশি রাখার অভিযোগ করেন ক্রেতা মুহাম্মদ শহীদ। তিনি নগরের বহদ্দারহাট থেকে স্ত্রীকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করাতে চমেক হাসপাতাল-সংলগ্ন একটি হাসপাতালে এসেছিলেন।
মুহাম্মদ শহীদ বলেন, পরীক্ষা করানো শেষে ফেরার পথে ডাব কেনার ইচ্ছা ছিল তার। এ জন্য একটি দোকানে গেলে ডাবের দাম ১৫০ টাকা চাওয়া হয়। পরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান দল সেখানে পৌঁছালে ডাবের দাম কমিয়ে ১২০ টাকা করা হয়।
অভিযান শেষে উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ সাংবাদিকদের বলেন, রোগীদের জন্য ডাবসহ বিভিন্ন ফলমূলের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ডাব বিক্রিতে অনিয়ম পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রাইছা মেডিকেল হলে অননুমোদিত ওষুধ পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে ড্রাগ রেজিস্ট্রেশন (ডিআর) নম্বরবিহীন ভারতীয় ইনজেকশন পাওয়া গেছে। এর একটি হৃদ্রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় এবং অন্যটি বিষপানের রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় বলে প্রতিষ্ঠানটি থেকে জানা গেছে। বাংলাদেশে এসব চিকিৎসার জন্য অনুমোদিত ওষুধ ও ইনজেকশন রয়েছে।
ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, ডিআর নম্বর ছাড়া অননুমোদিত ওষুধ বিক্রির সুযোগ নেই। এ ধরনের ওষুধ নকলও হতে পারে, যার কার্যকারিতা না থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এতে রোগীর জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে।
ভান্ডারী হোটেলের বিষয়ে তিনি বলেন, সেখানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ পাওয়া গেছে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
হাসপাতাল-সংলগ্ন দোকানগুলোতে স্যালাইনের সংকট ও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, স্যালাইনের সংকট বা বেশি দামে বিক্রির বিষয়ে এখন পর্যন্ত তাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযান চলাকালে দোকানগুলোতে ওষুধের সরবরাহও যথাযথ বলে মনে হয়েছে। তবে কোনো ভোক্তা প্রমাণসহ অভিযোগ করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল-সংলগ্ন এলাকায় ওষুধ বা ফলমূল কেনার সময় কোনো প্রতিষ্ঠান বেশি দাম নিলে কিংবা অন্য কোনো অনিয়ম করলে ভোক্তাদের প্রমাণসহ অধিদপ্তরে অভিযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযানে সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমানসহ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পণ্যের দাম বেড়েছে কেজিতে ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত নজরদারি বাড়ানো জরুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে পরিবহন খরচ বাড়ায় কয়েকটি পণ্যের দাম ইতোমধ্যে কেজিতে ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, সড়ক ও নৌপথে পণ্য পরিবহনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। ডিজেলের দাম এক লাফে লিটারে ২০ টাকা বাড়ার ধাক্কা পড়তে শুরু করেছে নিত্যপণ্যের বাজারে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, পণ্যের দাম বাড়ার পেছনে প্রধান কারণগুলোর একটি পরিবহন ব্যয়। শুধু সড়কপথ নয়, নৌপথেও বেড়েছে পরিবহন খরচ। খাতুনগঞ্জ থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পণ্য পাঠাতে লাইটারেজ জাহাজ ব্যবহার করা হয়। ডিজেলের দাম বাড়ায় এসব জাহাজের পরিচালন ব্যয়ও বাড়বে, যার প্রভাব পড়বে পণ্যের দামে।
খাতুনগঞ্জের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, আগে যে ট্রাকটি চট্টগ্রামে পণ্য আনতে ২৫ হাজার টাকা ভাড়া নিত, ডিজেলের দাম বাড়ার পর সেই ভাড়া প্রায় ১০ হাজার টাকা বেড়েছে। অর্থাৎ ২৫ হাজার টাকার ভাড়া এখন প্রায় ৩৫ হাজার টাকা হয়েছে। বাড়তি এই পরিবহন ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।
খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু বক্কর বলেন, ডিজেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ভাড়া ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। আগে বগুড়া থেকে ট্রাকে করে পণ্য আনতে আমাদের সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা খরচ হতো। এখন সেটি প্রায় ১০ হাজার টাকা বেড়ে গেছে। একইভাবে নৌপথেও ভাড়া বেড়েছে। শুধু দেশের ভেতরে নয়, বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্য পরিবহনেও ব্যয় বেড়েছে।
খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা, আদা ৩ টাকা বেড়ে ৯৫ টাকা এবং রসুন ৪ টাকা বেড়ে ১২২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় লাল মরিচ ৫ টাকা বেড়ে হয়েছে ৩৫০ টাকা এবং ভারতীয় মিষ্টি মরিচ ৫ টাকা বেড়ে ৪৪০ টাকা হয়েছে। চিনির দামও কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০২ টাকায়।
এ ছাড়া মোটা মসুর ডালের দাম ২ টাকা বেড়ে ৮০ টাকা, মুগ ডাল ৮ টাকা বেড়ে ১৫০ টাকা, মটর ডাল ২ টাকা বেড়ে ৫৪ টাকা এবং সাদা মটর ৩ টাকা বেড়ে ৫৪ টাকা হয়েছে। চিকন মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৫৭ টাকা কেজি দরে। তবে ছোলার দাম এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ছোলা ৯৫ টাকা এবং ভারতীয় ছোলা ৯৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর পাশাপাশি বেড়েছে ভোজ্যতেলের দামও।
এক ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ডিজেলের প্রভাবে স্বাভাবিকভাবেই পণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে যে হারে পরিবহন ভাড়া বেড়েছে, সে তুলনায় পণ্যের দাম এখনো স্থিতিশীলই আছে। কিন্তু মানুষের আয় না বাড়ায় কেনাকাটা কমেছে।
বাজারে যাতে অপ্রত্যাশিতভাবে কোনো পণ্যের দাম বাড়ানো না হয়, সেজন্য নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন। তিনি বলেন, জ্বালানির দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে এর প্রভাব শুরু হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত বাড়তি খরচের চাপ ক্রেতার ওপরেই পড়ছে। সেজন্য বাজারে নজরদারি বাড়ানো জরুরি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ