এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে তিনি পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছেন। দ্রুত সুস্থ হয়ে তাকে ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে পদত্যাগ এবং ভবিষ্যতে চুয়েট ক্যাম্পাসে না ফেরার বিষয়ে কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি দেওয়ার খবরকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। পরে হাসপাতাল থেকে গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান তিনি।এর আগে বিকালে চুয়েট ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবন থেকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
উপাচার্য জানান, দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকায় তিনি ও তার সঙ্গে থাকা আরও ১০ জনের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। তাদের মধ্যে দুজন অ্যালামনাই সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সরকারি চিকিৎসক ও সিভিল সার্জনের পরামর্শে তাকেও হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে তিনি জানান, সরকার আমাকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। দ্রুত সুস্থতা কামনা করে ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছে।
এদিকে পদত্যাগ এবং ভবিষ্যতে চুয়েট ক্যাম্পাসে না ফেরার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে অসত্য দাবি করে একটি বিবৃতি দিয়েছে উপাচার্য। এ প্রসঙ্গে তিনি বললেন, আমি পদত্যাগ করেছি এবং ভবিষ্যতে চুয়েট ক্যাম্পাসে পদার্পণ করব না, এ রকম কোনো বক্তব্য আমি দিইনি। যখন আমাকে নিয়ে আসা হচ্ছিল, তখন আমার কথা বলার মতো পরিস্থিতি ছিল না।
এর আগে মঙ্গলবার বিকালে চুয়েট ক্যাম্পাসে যান চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় উপাচার্যসহ অবরুদ্ধ ব্যক্তিদের বের করে আনা হয়।
যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণবের দাবি, ‘ভিসি হিসেবে এই চুয়েট ক্যাম্পাসে তিনি আর কখনো ফিরে আসবে না’ এই শর্তে জেলা প্রশাসক উপাচার্যকে নিয়ে গেছেন।
এদিকে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন এর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি ও প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন কর্মচারী সমিতির সদস্যরা।













