যানজট সৃষ্টি ও পার্কিংয়ে বিশৃঙ্খলা

চট্টগ্রামে আল হিদায়াহ স্কুলকে ৪৫ লাখ, উৎসব মার্কেটকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরে যানজট সৃষ্টি ও পার্কিংয়ে বিশৃঙ্খলার দায়ে আল হিদায়াহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলকে ৪৫ লাখ এবং উৎসব সুপার মার্কেটকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। আগে সতর্ক করার পরও সংশোধনমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় এই জরিমানা করা হয়। একই অভিযানে ফ্রোবেল প্লে স্কুলকে সতর্ক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সিডিএর স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হামীমুন তানজিমের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এই জরিমানা করেন।
সিডিএ সূত্র জানায়, আল হিদায়াহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে ২০ লাখ এবং ভবনের মালিককে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া উৎসব সুপার মার্কেটকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।এর আগে সিডিএর পক্ষ থেকে পরিদর্শন শেষে আল হিদায়াহ স্কুল ও উৎসব সুপার মার্কেট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছিল। পার্কিং ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে তাদের নির্দিষ্ট সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করায় এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হল। অভিযান চলাকালে ফ্রোবেল প্লে স্কুল কর্তৃপক্ষকে পার্কিং বিষয়ে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ দিয়ে সতর্ক করা হয় এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে নগরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সামনের সড়কে যানজট নিরসনে এই অভিযান চলছে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কার্যক্রমের কারণে সৃষ্ট যানজট কমানো এবং সড়কে মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করা এই অভিযানের লক্ষ্য বলে জানিয়েছে তারা।
সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বলেছেন, সুশৃঙ্খল নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নির্দেশনার পরও সংশোধন না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ভবনমালিকদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহাষষ্ঠীর মধ্য দুর্গোৎসবের সূচনা, পূজামণ্ডপ মূখর ঢাকঢোল ও কাঁসরের বাদ্য এবং চণ্ডীপাঠে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।সকাল থেকেই দেশের প্রতিটি পূজামণ্ডপ মুখর হয়ে উঠেছে ঢাকঢোল ও কাঁসরের বাদ্য এবং চণ্ডীপাঠে।আজ শুক্রবার সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যে দেবী দুর্গার ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এউৎসব। সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমন হচ্ছে ঘোটকে (ঘোড়া) এবং বিদায় নেবেন নৌকায়।

কৈলাস থেকে কন্যা রূপে মর্ত্যলোকে বাবার বাড়িতে দেবীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মনে বইছে আনন্দের জোয়ার।
এবারের দুর্গাপূজার তিথিতে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। কাল শনিবার ও পরদিন রোববার-এই দুই দিনব্যাপী পালিত হবে মহাসপ্তমী।এরপর সোমবার মহাঅষ্টমী ও মঙ্গলবার মহানবমী শেষে বুধবার বিজয়া দশমীতে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবীকে বিদায় জানানো হবে।বিজয়া দশমীর দিন সারা দেশে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের তথ্যমতে, এ বছর দেশজুড়ে ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎসবের আনন্দ বজায় রাখতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলেও, প্রস্তুতিপর্বে দেশের কিছু কিছু স্থানে অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা। পূজার প্রস্তুতিকালে সিলেট, রাজবাড়ী, পঞ্চগড়, নেত্রকোনা ও টাঙ্গাইল জেলায় প্রতিমা ও মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।এ ছাড়া ফরিদপুরের ঐতিহাসিক কালীমন্দিরে চুরি এবং সুনামগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলা-লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
নওগাঁয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচয় দিয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে বেশ কয়েকজন অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে।

উৎসবের দিনগুলোতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা দেখতে চান না বলে উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দরা।পূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে সারা দেশে নিরাপত্তা বাহিনী জোরদার উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান জানিয়েছেন, এবারের পূজায় সীমান্ত ও সীমান্তবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী জানিয়েছেন, যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।পাশাপাশি মণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তায় সারা দেশে ২ লাখ ১২ হাজার ৮১৮ জন সদস্য মোতায়েন করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি)।
দুর্গোৎসবের সূচনা, পূজামণ্ডপ মূখর ঢাকঢোল ও কাঁসরের বাদ্য এবং চণ্ডীপাঠে

মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।সকাল থেকেই দেশের প্রতিটি পূজামণ্ডপ মুখর হয়ে উঠেছে ঢাকঢোল ও কাঁসরের বাদ্য এবং চণ্ডীপাঠে।আজ শুক্রবার সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যে দেবী দুর্গার ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এউৎসব। সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমন হচ্ছে ঘোটকে (ঘোড়া) এবং বিদায় নেবেন নৌকায়।

কৈলাস থেকে কন্যা রূপে মর্ত্যলোকে বাবার বাড়িতে দেবীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মনে বইছে আনন্দের জোয়ার।এবারের দুর্গাপূজার তিথিতে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। কাল শনিবার ও পরদিন রোববার-এই দুই দিনব্যাপী পালিত হবে মহাসপ্তমী।এরপর সোমবার মহাঅষ্টমী ও মঙ্গলবার মহানবমী শেষে বুধবার বিজয়া দশমীতে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবীকে বিদায় জানানো হবে।বিজয়া দশমীর দিন সারা দেশে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের তথ্যমতে, এ বছর দেশজুড়ে ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎসবের আনন্দ বজায় রাখতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলেও, প্রস্তুতিপর্বে দেশের কিছু কিছু স্থানে অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা। পূজার প্রস্তুতিকালে সিলেট, রাজবাড়ী, পঞ্চগড়, নেত্রকোনা ও টাঙ্গাইল জেলায় প্রতিমা ও মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।এ ছাড়া ফরিদপুরের ঐতিহাসিক কালীমন্দিরে চুরি এবং সুনামগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলা-লুটপাটের ঘটনা ঘটে।নওগাঁয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচয় দিয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে বেশ কয়েকজন অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে।

উৎসবের দিনগুলোতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা দেখতে চান না বলে উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দরা।পূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে সারা দেশে নিরাপত্তা বাহিনী জোরদার উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে।বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান জানিয়েছেন, এবারের পূজায় সীমান্ত ও সীমান্তবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী জানিয়েছেন, যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।পাশাপাশি মণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তায় সারা দেশে ২ লাখ ১২ হাজার ৮১৮ জন সদস্য মোতায়েন করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি)।

চট্টগ্রামে পারিবারিক কলহে স্বামীকে হত্যা, ১৬ বছর পর স্ত্রীর যাবজ্জীবন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের লাভলেইন এলাকায় ১৬ বছর আগে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী হেলাল উদ্দিনকে হত্যার মামলায় স্ত্রী হোসনে আরা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১২ অক্টোবর) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১১ এর বিচারক নিষ্কৃতি হাগিদক এই রায় দেন। একই সঙ্গে আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।দণ্ডপ্রাপ্ত হোসনে আরা বেগম মহানগরের কোতোয়ালী থানাধীন লাভলেইন ঝাউতলা এলাকার বাসিন্দা। নিহত হেলাল উদ্দিন তাঁর স্বামী।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ জানান, আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে স্বামী হেলাল উদ্দিনকে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় হোসনে আরা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।তিনি আরও জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে সাজা পরোয়ানামূলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৯ মে রাত ১টার দিকে নগরের এনায়েত বাজার বাটালী রোডের জাফর সওদাগরের কলোনিতে ভাড়া বাসায় হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক কলহ হয়। একপর্যায়ে হোসনে আরা বেগম অস্ত্র দিয়ে স্বামীর মাথায় আঘাত করেন। এতে হেলাল উদ্দিনের মৃত্যু হয়।

পরে ঘরের বাইরে তালা লাগিয়ে আত্মগোপন করেন হোসনে আরা বেগম। একই দিন দুপুরে খবর পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে। তার মুখ, ডান পা ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় কোতোয়ালী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাহাবুদ্দিন খান বাদী হয়ে মামলা করেন। তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে ২০১০ সালের ১৪ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়।

আলোচিত খবর

২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়।

এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ