৪০ শতাংশের বেশি শুল্ক দিয়ে আমদানি করতে হচ্ছে সুতা

রপ্তানিমুখী পোশাক তৈরিতে খরচ বাড়বে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশে পোশাক তৈরিতে ৬০ শতাংশ ব্যবহৃত হয় এক ধরনের সুতা বা কটন। বিশেষ ধরনের (১০ থেকে ৩০ কাউন্ট) এই সুতা দিয়ে প্রধানত নিট ও ওভেন পোশাক তৈরি হয়। নিট পণ্যের মধ্যে টি-শার্ট, পোলো শার্ট, ট্রাউজার, হুডি, সোয়েটার ও আন্ডারগার্মেন্ট অন্যতম। ওভেন খাতে জিন্স, ডেনিম প্যান্ট, ক্যাজুয়াল শার্ট, গৃহস্থালি টেক্সটাইল এবং তোয়ালে তৈরিতেও ব্যবহৃত হয় এ সুতা।রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সুতা আমদানিতে শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা আগেই প্রত্যাহার করেছে সরকার। নানা জটিলতা পেরিয়ে সম্প্রতি সেটি কার্যকরে প্রজ্ঞাপন দিয়েছে রাজস্ব বোর্ড। একই সুতা এখন ৪০ শতাংশের বেশি শুল্ক দিয়ে আমদানি করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় রপ্তানিমুখী পোশাক তৈরিতে খরচ বাড়বে। বিশ্ব প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার শঙ্কায় দেশের পোশাকশিল্প মালিকরা।

প্রজ্ঞাপন জারির পর আক্ষেপ করে নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট দেন গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি ও কেডিএস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম রহমান। তিনি লিখেছেন, যদি আপনি একটি শিল্পকে ধ্বংস করতে চান, তবে এটিই হলো তার সঠিক উপায়। একটি অপ্রতিযোগী ব্যাকওয়ার্ড-লিংকেজ শিল্পকে রক্ষা করতে গিয়ে দিনশেষে আপনি একটি প্রতিযোগী ফরোয়ার্ড-লিংকেজ শিল্পকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন। এটা একেবারেই তাজ্জব ব্যাপার (ইনসেইন)।

‘অপ্রতিযোগী ব্যাকওয়ার্ড-লিংকেজ শিল্প’ বলতে তিনি ফেসবুক পোস্টে কোনো শিল্পের নাম উল্লেখ করেননি। একই সঙ্গে ‘প্রতিযোগী ফরোয়ার্ড-লিংকেজ শিল্প’ কোনটি, সেটিও জানাননি। তবে ‘অপ্রতিযোগী ব্যাকওয়ার্ড-লিংকেজ শিল্প’ মানে টেক্সটাইলস খাত। আর ‘প্রতিযোগী ফরোয়ার্ড-লিংকেজ শিল্প’ মানে গার্মেন্টসশিল্পকেই বোঝায়।

এশিয়ান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি এম এ সালাম বলছিলেন, ৪০ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে প্রবৃদ্ধি গড়া এই শিল্পে এক সার্কুলারেই সব বন্ধ করা সঠিক সিদ্ধান্ত হতেই পারে না। এমন সিদ্ধান্তে সময় বাড়বে, খরচ বাড়বে, ভোগান্তি বাড়বে, নতুন করে ব্যাংকের খরচও যোগ হবে। দুর্নীতিও নতুন করে বাড়বে। সরকার যখন ব্যবসা সহজ করতে চাইছে, উদ্যোক্তারা ব্যবসায় সেট হচ্ছেন। বন্ধ কারখানা চালু করে অর্থনীতি সচলে উদ্যোগ নিচ্ছেন। তখন এমন ঘটনা ব্যবসায় বড় আঘাত।

খরচ বাড়ায় প্রতি পোশাকের উৎপাদন ব্যয় কত বাড়বে, তা জানাতে পারেননি তৈরি পোশাকশিল্প মালিকরা। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এর পরিমাণ ৩-৫ শতাংশ। তবে এটি নিশ্চিত বিশ্ববাজারে অর্ডারের দরকষাকষির সময় ভারত, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার সরবরাহকারীদের চেয়ে পিছিয়ে পড়ছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। তা ছাড়া, অর্ডারের শিপমেন্টে বিলম্ব হলে এবং লিড টাইম বেড়ে গেলে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা কাস্টমাইজড অর্ডারের জন্য বিকল্প দেশের দিকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার ঝুঁকি তো আছেই।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশ থেকে বছরে মোট পোশাক রপ্তানি হয় প্রায় ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা দিয়ে তৈরি পোশাকেই আসে ৬০-৬৫ শতাংশ, যা সাড়ে ৩ হাজার কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা)।
শুল্ক সুবিধা প্রত্যাহার করায় এই পণ্য আমদানিতে বাড়তি খরচ হবে ৭ হাজার কোটি টাকা। আমদানিকারকরা যদি এই সুতা বিদেশ থেকে না এনে দেশীয় টেক্সটাইল মিল থেকে কেনেন, তাহলে এই বিপুল টাকা রাজস্ব হিসেবে পাবে সরকার। তবে শুল্ক দিয়ে পণ্য আনলে বাড়বে পোশাকশিল্পের উৎপাদন খরচ।

জানা গেছে, ২০২৫ সালে দেশে বন্ড সুবিধায় আমদানি হয় প্রায় ১২ লাখ টন সুতা। এর মধ্যে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতার আমদানির পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ টন, যার আর্থিক মূল্য ২০ হাজার কোটি টাকা। শুল্ক যোগের পর একই পণ্যের মূল্য হবে ২৭ হাজার কোটি টাকা। এই আমদানি করা সুতার বেশিরভাগ আসে ভারত থেকে। এ ছাড়া চীন, পাকিস্তান ও ভিয়েতনাম থেকেও কিছু সুতা আমদানি হয়।

দেশীয় স্পিনিং মিল বা সুতা প্রস্তুতকারকদের সুরক্ষা দেওয়া এবং সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধার অপব্যবহার বন্ধ করার যুক্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) গত সেপ্টেম্বর মাসে বন্ড সুবিধা বাতিল করে। আগে শতভাগ কাস্টমস বন্ড সুবিধা থাকায় কোনো শুল্ক বা কর ছাড়াই এই বিপুল সুতা আনতে পারতেন শিল্পমালিকরা। নতুন নিয়মে একই সুতা বাণিজ্যিক আমদানিতে ৩৭ থেকে ৫৮ শতাংশ কর দিতে হচ্ছে। এখন বাণিজ্যিকভাবে সুতা আনতে ব্যাংক গ্যারান্টি দিতে হচ্ছে। লাগছে ব্যাংকে প্রসেসিং ফি। এ অবস্থায় একই পরিমাণ পণ্য এখন আনতে ৭ হাজার কোটি টাকা বাড়তি লাগছে। এই বিপুল টাকা সরকার শুল্ক হিসেবে পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অহিদ নিহাদ এন্টারপ্রাইজের মালিক আহাদ চৌধুরী বললেন, জটিলতার কারণে এখন বিপুল পরিমাণ সুতার চালান চট্টগ্রাম বন্দরে আটকা পড়েছে। রাজস্ব বোর্ড অবশ্য ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়ে আগের মতো বন্ডের শুল্ক সুবিধা ছাড়াই আটকা পণ্য ছাড়ের সুযোগ দিয়েছে। এই নীতিকে দেশি খাতের সুরক্ষার কৌশল বলা হলেও বাস্তবে এটি পোশাকশিল্পকে অসম প্রতিযোগিতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন পোশাক খাতের মালিকরা। বাংলাদেশের স্পিনিং মিলগুলো ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা উৎপাদনে সক্ষম হলেও মোট পোশাক খাতের মানের বৈচিত্র্য মেটাতে যথেষ্ট নয়।
এম এ সালামের মতে, আমদানি করে আনা সুতার চেয়ে দেশীয় সুতার দাম বেশি। এখন দেশীয় স্পিনিং মিলগুলো প্রতিযোগিতামূলক দরে সুতা বিক্রি নিশ্চিত করুক, আমরা তাদের থেকেই কিনব। আমার উদ্দেশ্য, পোশাক তৈরির উৎপাদন খরচ কমিয়ে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা।

স্থানীয় মিলগুলো প্রতিযোগিতা ছাড়া একচ্ছত্র বাজার সুবিধা পেলে কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে এবং সুতার দাম ইচ্ছামতো বাড়ানোর সুযোগ পায়। ফলে এক খাতকে রক্ষা করতে গিয়ে দেশের রপ্তানি আয়ের চালিকাশক্তি পোশাক খাতকে বিশ্ববাজারে দুর্বল করে ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসছেন ২০ অক্টোবর, সর্বাত্মক নিরাপত্তা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফর ও শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নগরে সর্বাত্মক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে নগরের জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।সিএমপি কমিশনার বলেন, পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বক্ষণিক পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ২০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম সফর করবেন। সফরকে কেন্দ্র করে প্রটোকল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


হাসান মো. শওকত আলী বলেন, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে পুলিশের সমন্বয় রয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গেও সমন্বয় সভা হয়েছে।সবাই মিলে দুর্গাপূজা ও প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে নগরের জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আসেন এসআরবি-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরীর পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত টহল, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গুজব ও অপপ্রচার ঠেকাতে সাইবার মনিটরিংও চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন চট্টগ্রামবাসীর জন্য গর্বের বিষয়।
তাঁর সফর ঘিরে নির্ধারিত নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) নির্দেশনা ও সমন্বয়ে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে প্রায় ২ হাজার ৬০০টি পূজামণ্ডপ রয়েছে।

মণ্ডপের সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে অনেক আগে থেকেই নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। র‌্যাবের পাশাপাশি পুলিশ, জেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। পূজামণ্ডপগুলোতে এসআরবি সদস্যরা নিয়মিত পরিদর্শন ও মোবাইল টহল দেবেন। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি থাকছে। বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পূজামণ্ডপগুলোতে র‌্যাবের যোগাযোগ নম্বর দেওয়া হয়েছে।

গুজব ও অপপ্রচার প্রসঙ্গে এসআরবি-৭ অধিনায়ক বলেন, ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে একটি গোষ্ঠী গুজব ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করতে পারে। এ বিষয়ে র‌্যাব সতর্ক রয়েছে। সারাদেশ ও চট্টগ্রামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নজরদারি চালানো হচ্ছে। কোনো অপপ্রচার ছড়ালে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে তা মোকাবিলা করা হবে।
দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।এসময় চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অ্যাডভোকেট নিখিল কুমার নাথ সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

মিরপুর-১০-এ দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মিরপুর-১০ এলাকার দখলমুক্ত ফুটপাত সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকার দখলমুক্ত ফুটপাত সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি পথচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের চলাচলের সুবিধা-অসুবিধার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি ফুটপাত দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন।

আলোচিত খবর

২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়।

এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ