পাবনার চাটমোহরে কৃষক প্রশিক্ষণ ও বিনা সরিষার বীজ বিতরণ

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার, বিশেষ প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার চাটমোহরে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল ও জনপ্রিয় জাতের চাষাবাদ পদ্ধতি, বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ে কৃষক প্রশিক্ষণ এবং বীজ বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর উপজেলা কৃষি দপ্তরের হল রুমে বিনার ঈশ্বরদী উপকেন্দ্রের আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ ও বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, বিনার প্রকল্প পরিচালক ড. মাহবুবুল আলম। সঞ্চালনা করেন বিনার

ঈশ্বরদী উপকেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পিএসও) ড.মুহাম্মদ ফেরদৌস ইকবাল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী কৃষকদল এর কেন্দ্রীয় সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য দেন, বিনার ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্য কৃষিবিদ শফিকুল আলম সোহেল, সদস্য কৃষিবিদ এ.কে.এম আনিসুজ্জামান, চাটমোহর উপজেলা নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা খালিদ হাসান এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কুন্তলা ঘোষ। অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি কৃষকদের মাঝে বিনা সরিষা-১১ জাতের বীজ বিতরণ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

তুরাগ নদীতে সাবেক বিমান কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার। রহস্যময় এমৃত্যুর জট খোলতে কোমর বেঁধে নেমেছে তদন্তকারি সংস্থাগুলো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তুরাগ নদীতে সাবেক বিমান কর্মকর্তার লাশ
উদ্ধার। রহস্যময় এমৃত্যুর জট খোলতে কোমর বেঁধে নেমেছে তদন্তকারি সংস্থাগুলো।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নকল দুধ তৈরির ২৭ শত কেজি জেলি জব্দ; দু’জনের কারাদণ্ড ও অর্থদন্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Ll
বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় একজন দুধ ম্যানেজার এর বসত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নকল দুধ তৈরির জেলি, তেল, কেমিক্যেল ও নকল দুধ জব্দ করেছে ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রশাসন।
এ ঘটনায় ম্যানেজার মোঃ আবুল বাশার কে এক বছরের কারাদন্ড সহ ২ লাখ টাকা অর্থদন্ড ও তার সহযোগী মোঃ সবুজ কে ছয় মাসের কারাদন্ড সহ ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতে। অভিযুক্ত মোঃ আবুল বাশার কৈডাঙ্গা নতুনপাড়া গ্রামের মৃত আবু তালেব প্রামাণিকের ছেলে। তার সহযোগী মোঃ সবুজ একই গ্রামের মোঃ হাবিল প্রামাণিকের ছেলে।

শুক্রবার সকালে ৩০ অক্টোবর উপজেলার ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের কৈডাঙ্গা নতুনপাড়া গ্রামে আবুল বাশারের নিজ বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাহান ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) যৌথ অভিযান টি পরিচালোনা করেন। এ সময় ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ সহযোগিতা করেন।
অভিযানে ৩৬ ড্রাম জেলি, যার ওজন ২৭ শত কেজি, দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত ২০০ লিটার তেল এবং ৩২০ লিটার দুধ জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা উপকরণ ও দুধ ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়। উদ্ধার করা মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮ লাখ টাকা।

জানা যায়, আবুল বাশার দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে ভেজাল দুধ তৈরি ও বাজারজাত করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার বাড়িতে অভিযান চালান।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মোঃ আবুল বাশার নকল দুধ তৈরির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালিয়ে ৩৬ ড্রাম জেলি, ২০০ লিটার তেল ও ৩২০ লিটার নকল দুধ জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ