বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনায়-মাসুম স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু থেকেই শহীদ জিয়া বাংলাদেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান ও মির্জাপুুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও রাজনীতিবিদ সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেছেন ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে দেশ রক্ষায় মেজর জিয়া স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে যে ভূমিকা রেখেছেন তা বাংলাদেশের মানুষ যুগের পর যুগ স্মরণ রেখেছেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক দিন। এই দিনে বাংলাদেশের প্রকৃত স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং দেশকে স্থিতিশীল করতে বন্ধীদশা থেকে জেনারেল জিয়াউর রহমানকে সেনা-জনতার যৌথ প্রচেষ্টায় মুক্ত করে দেশ রক্ষায় দায়িত্ব দিয়েছেন। তার পরবর্তী বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছিল বাকশালের অবসান ঘটিয়ে। তাই প্রকৃতপক্ষে ৭ই নভেম্বর ১৯৭৫ সাল থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণের বাকস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের স্বাদ গ্রহণ করেছিল বাংলাদেশের জনগণ। তাই বাংলাদেশের ইতিহাসে মেজর জিয়া তৎপরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জনগণের কাছে আমরণ জনপ্রিয় নেতা হিসেবে স্বীকৃত।

তিনি আজ সকাল ১১ ঘটিকায় হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আবু সৈয়দ হায়দার’র সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান শিক্ষক সদীপ কুমার শীল, সিনিয়র শিক্ষিকা হামিদা আকতার চৌধুরী, শিরু আক্তার, শিক্ষক প্রতিনিধি শাপলা বড়ুয়া, সহকারী শিক্ষিকা সাদিকা সাবরিন, মুহাম্মদ নুরুল হুদা, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, উৎসব সেন গুপ্ত, তন্ময় লোধ, জবা শ্রী তালুকদার, মুহাম্মদ আজিম উদ্দিন, ইয়াসমিন আকতার, অনিক চক্রবর্ত্তী, ছাত্রীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোছাম্মৎ দিলরুবা আক্তার, রোজাইবা মাহমুদ প্রমুখ। রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে নবম শ্রেণির ছাত্রী মোছাম্মৎ দিলরুবা আক্তার, দ্বিতীয় স্থান রোজাইবা মাহমুদ, তৃতীয় স্থান বৈশাখী সিংহ, দেশাত্ববোধক গানে প্রথম স্থান অধিকার করে রিসতিকা নন্দী, দ্বিতীয় স্থান জয়ন্তিকা বিশ্বাস, তৃতীয় স্থান বৃন্দা নাথ। আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ শেষে ৭ই নভেম্বরের মহান নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনায় এবং বাংলাদেশের সামগ্রিক শান্তি ও মঙ্গল কামনায় বিশেষ মুনাজাত করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ৫৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ৫৮তমপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকী,উপলক্ষ্য উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের উদ্যোগে আয়জন করা হয় আলোচনা সভা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আবৃত্তি এবং এস এস সি উত্তীর্ণ সম্মাননা। আজ ৩১ অক্টোবর সন্ধ্য ছয়টায় মোমিন রোডস্থ চট্টগ্রাম একাডেমী প্রাঙ্গনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি এবং চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি বিশিষ্টা প্রাবন্ধিক জসীম চৌধুরী সবুজ।উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট অসীম বিকাশ দাশের সঞ্চালনায় কথা মালায় অংশ নেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুল আলম,চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট রেজাউল করিম চৌধুরী,

চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমীর কালচারাল অফিসার আয়াজ মাবুদ,এবং উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সহসভাপতি সুনীল ধর,প্রমুখ। কথামালায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, ১৯৬৮ সালের এই দিনে মেহনতি মানুষের সার্বিক মুক্তির স্বপ্ন বুকে নিয়ে শিল্পী-সাহিত্যিক-সংগ্রামী সত্যেন সেন, রণেশ দাশগুপ্ত, শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করেছিল উদীচী। প্রতিষ্ঠার প্রায় ছয় দশক ধরে উদীচী কেবল একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে নয়; বরং রাজনৈতিক গণ-আন্দোলনের এক নিরন্তর ধারায় শোষিত-নির্যাতিত মানুষের দ্রোহের মশাল হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সত্যেন সেন খুব সচেতনভাবেই শিল্পী-জনতার এই সংগঠনটির নাম রেখেছিলেন ‘উদীচী’—যার অর্থ ধ্রুবতারা বা উত্তর দিক। দিগ্‌ভ্রান্ত নাবিক যেমন দূর দিগন্তের ধ্রুবতারা দেখে লক্ষ্য স্থির করেন, তেমনি বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও গণমানুষের অধিকারের সংগ্রামকে মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক ও বহুত্ববাদের চেতনায় সঠিক পথ দেখাতে উদীচী ধ্রুবতারার মতোই আলোকবর্তিকা হয়ে পথ চলছে ৫৭ বছর ধরে। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই সময়ে বিকারগ্রস্তের রাজত্বে উদীচী তার ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্লোগান ঠিক করেচে “ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,এবার আমি গোলাপ নিব,” এই দ্ব্যর্থহীন স্লোগানই আজকের সংক্ষুব্ধ সময়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতা।

প্রধান অতিথির বক্তব্য হাবিবুল আলম বলেন,সারা পৃথিবী আজ এক নজিরবিহীন যুদ্ধোন্মাদনা ও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের জাঁতাকলে পিষ্ট। সাম্রাজ্যবাদ আর সাম্প্রদায়িকতার প্রত্যক্ষ মদদে নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরছে দেশে দেশে, আধিপত্য আর মুনাফার লোভে চলছে মানবতাবিনাশী ধ্বংসযজ্ঞ। প্রিয় স্বদেশও আজ এই আগ্রাসী থাবার নির্মম শিকার। নানা ভূরাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশ আজ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর দাবার ঘুঁটিতে পরিণত হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তথাকথিত কৌশলগত অংশীদারত্বের আড়ালে যে জনবিরোধী দাসত্বমূলক চুক্তি হয়েছে, তা আমাদের রক্তস্নাত সার্বভৌমত্বকে ঠেলে দিয়েছে চরম সংকটের মুখে। আমাদের জাতীয় অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার রাষ্ট্রঘাতী অপতৎপরতা আমাদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছে। উদীচী তার জন্মলগ্ন থেকেই সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন। দেশের সম্পদে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে গণ-প্রতিরোধের মাধ্যমে উদীচীর লড়াই অব্যাহত থাকবে আজ ও আগামীতে।

এডভোকেট রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন,,সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ সমাজ ও রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যে অসাম্প্রদায়িক, বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা আজ সুপরিকল্পিতভাবে পদদলিত করার অপচেষ্টা চলছে। সমাজ ও রাষ্ট্রে বিজ্ঞানমনস্ক, সাংস্কৃতিক ও মুক্তচিন্তার ধারাকে রুদ্ধ করে বিভাজনের কূপমণ্ডূকতা চাপিয়ে দেওয়ার এই বিনাশকালে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আজ আক্রমণ করছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। আমাদের অস্তিত্ব, ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার লড়াই ও মননচর্চার প্রধান বাতিঘর রবীন্দ্রনাথের ওপর আজ বারবার আঘাত হানা হচ্ছে। অথচ ১৯৬১ সালে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এই বাংলার মানুষ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথকে নিজের করে নিয়েছিল। একষট্টির সেই লড়াই ছিল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রধানতম সাংস্কৃতিক ভিত্তি।

পাকিস্তান সরকারের রবীন্দ্রসংগীত নিষেধাজ্ঞার অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে বাংলার মানুষ সেদিন প্রমাণ করেছিল রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কেবলই সাংস্কৃতিক নয়, রাজনৈতিকও বটে। উদীচী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, রবীন্দ্রনাথের রচনা ও দর্শন কেবল সাহিত্য বা শিল্পচর্চাই নয়; এটি বাংলাদেশের মানুষের আত্মমর্যাদা ও ধর্মনিরপেক্ষ জাতিসত্তা টিকিয়ে রাখার মৌলিক সাংস্কৃতিক পরিচয়। এ কারণেই এই সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষার রাজনৈতিক লড়াইয়ে উদীচী একাত্তরের চেতনাকেই একমাত্র আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছে। তাই যেখানেই রবীন্দ্রবিরোধিতা ও অন্ধকারের আস্ফালন, সেখানেই উদীচীর কর্মীরা বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছেন কণ্ঠে প্রতিরোধের গান-কবিতা নিয়ে।

জসীম চৌধুরী সবুজ বলেন,প্রায় ছয় দশক ধরে উদীচীর এই পথচলা সহজ ছিল না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে উদীচীর শিল্পী-কর্মীরা যেমন কাঁধে রাইফেল তুলে নিয়ে লড়াই করেছিলেন, তেমনি স্বাধীন দেশে সামরিক দুঃশাসন, স্বৈরতন্ত্র ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রাজপথে লড়াই করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের রাজনৈতিক সত্তাকে গণমানুষের নিজস্ব ভাষায় রূপান্তরের প্রয়াসেই উদীচী আজও কাজ করে যাচ্ছে। এই আপসহীন দ্রোহের কারণেই প্রতিক্রিয়াশীল অপশক্তির নির্মম আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে উদীচীকে। ১৯৯৯ সালের ৬ মার্চ যশোর টাউন হলের দ্বাদশ জাতীয় সম্মেলনে বর্বরোচিত বোমা হামলা এবং ২০০৫ সালের ৪ ডিসেম্বর নেত্রকোনার কার্যালয়ে উগ্র ধর্মান্ধ জঙ্গিদের বোমা হামলায় উদীচী হারিয়েছে তার নিবেদিতপ্রাণ কর্মী-সংগ্রামীদের। কিন্তু রক্তের বিনিময়েও উদীচী মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হয়নি। ভবিষ্যতেও হবে না।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়ন, একটি বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক এবং সাম্যবাদী রাষ্ট গঠনে রাজপথের লড়াইকে আরও শাণিত করার এক নতুন শপথ। আলোচনা সভা শেষে

সংগীতপরিবেশনকরেন,বিশ্বতান”,আবৃত্তি করেন জয়শ্রী মজুমদার, এবং গণসংগীত পরিবেশন করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের শিল্পীকর্মীরা।সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পরপরই এস এস সি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বোয়ালখালী ফুটবল একাডেমির সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

L

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী ফুটবল একাডেমির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার একটি হোটেলে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার ক্রীড়া সংস্থা সদস্য সচিব হাজি আবু আকতার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ শওকত আলম। সকল সদস্য সিদ্ধান্ত নিয়ে উপস্থিতি সম্মেলনে প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও একাডেমি উপদেষ্টা মোঃ সিরাজুল ইসলাম কমিটি ঘোষণা করেন

৭১ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা সদস্য সচিব হাজী আবু আকতার এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জাতীয় ফুটবল খেলোয়াড় তৌহিদুল আলম।

কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা রেফারি ও ক্রীড়া সংগঠক হেলাল উদ্দিন টিপু। সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন আবুল হাশেম মতি, ইয়াসিন আলী, মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, কাজী জসিম উদ্দিন, মো. নাজিম উদ্দিন, মীর মোহাম্মদ হারুন, জাফর ইকবাল, মোঃ ইউনুচ, মো. লোকমান (কান্তরি), হাফিজুর রহমান খোকন, মহসিন খোকন, মো. লোকমান ও কপিল উদ্দিন চৌধুরী ।

সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সুজন পৌরহিত দেবু, যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে শামশুল আলম এবং সহযুগ্ম সম্পাদক হিসেবে মো. রিপন দায়িত্ব পালন করবেন। সাংগঠনিক সম্পাদক একরামুল হক বাপ্পী এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কেলভেন।

এ ছাড়া অর্থ সম্পাদক হিসেবে মো. নাজিম উদ্দিন (কান্তরি), সহ-অর্থ সম্পাদক মো. সৌরভ জাহেদ, ক্রীড়া সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন হাসান, সহক্রীড়া সম্পাদক মো. জোনায়েদ হোসেন, প্রচার সম্পাদক মারুফ উল হুদা আসিফ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবরার ইমন, সহ-প্রচার সম্পাদক প্রলয় চৌধুরী মুক্তি, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমনানুল হক জিকু, ক্রীড়া ও বিনোদন সম্পাদক সৈয়দ জসিম উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ শফিউল করিম, সহ-দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, প্রকাশনা সম্পাদক মো. মোরশেদ এবং সহ-প্রকাশনা সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাসেল কমিটিতে রয়েছেন।

কমিটিতে সিনিয়র সদস্য হিসেবে বশির আহমেদ, সৈয়দ মো. নজরুল ইসলাম, ইয়াছিন চৌধুরী, পূজন সেন, তৌহিদুর রহমান, মো. ইউনুচ, মো. জামাল ও মেহেদী হাসান সাগরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া মিনহাজ আলম, জিসান আলম, রাশেদুল ইসলাম ফয়সাল, মো. সাজ্জাদ, কামরুল হাসান, মো. নাসিম, আমিন উল্লাহ সোহান, হোসেন রবিন, তানভীর ইসলাম নয়ন, সাইদুর আরমান, জয়নাল আবেদীন জুবায়ের, রোকন উদ্দিন, মোঃ লিটন, মোঃ সাইদ, মোঃ জাহেদ, মোঃ বাহাদুর, মোঃ খোরশেদ, মোঃ ইমন, মোঃ হামিদ, নয়ন দাস, মোঃ সুমন, মোহরাজ, প্রমুখ।

প্রধান উপদেষ্টা হলেন আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ সহ উপদেষ্টা হলেন আলহাজ্ব আজিজুল হক চেয়ারম্যান, মোঃ শওকত আলম, শহীদুল ইসলাম সহ ৩১জন উপদেষ্টা করা হয়। সহ আরও অনেকে সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বোয়ালখালী ফুটবল একাডেমি উপজেলা সদর, বোয়ালখালী, চট্টগ্রাম থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। একাডেমিটির মূল স্লোগান—‘ক্রীড়াই ঐক্য’।নতুন কমিটির মাধ্যমে একাডেমির সাংগঠনিক কার্যক্রম, খেলোয়াড়দের উন্নয়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবলের প্রসারে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে – জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন-দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের প্রত্যেককে একে একে জবাব দেওয়া হবে। আজ ৭ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রার আগে এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর দেশের মানুষ মুক্তভাবে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ পেয়েছে। তবে দেশের বিরুদ্ধে আবারও একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অতীতের মতো এবারও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এ দেশের মানুষকে কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দমিয়ে রাখা যাবেনা।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল। স্বাধীনতার পেছনে মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি। তারা সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্রের সূচনা হয়। তবে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার মেনে নিতে না পারা একটি মহল বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বারবার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবারও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়েও জনগণের সেই অধিকার বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টও জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে অপশক্তিকে পরাজিত করেছে।তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলন শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারী শক্তিকেও দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ অতীতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের আন্দোলন ও অর্জন থামিয়ে রাখা যাবে না।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো আবারও একটি মহল দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বাধাগ্রস্ত করতে চায়। একই সঙ্গে জনগণের ভোটের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনব্যবস্থা বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনা প্রমাণ করে, এ দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে জানে।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জাতীয় ঐক্যের ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মতো এবারও ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি ষড়যন্ত্রের জবাব একে একে দেওয়া হবে। কোনো শক্তিই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ