আজঃ বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বছর শেষে রাজস্ব ঘাটতি ৪৪ হাজার কোটি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বড় অঙ্কের ঘাটতি নিয়ে ২০২২-২০২৩ অর্থবছর সমাপ্ত করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ৪৪ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি নিয়ে বছর (জুলাই-জুন) শেষ হয়েছে।

যদিও মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) চূড়ান্ত হিসাব এখনো আসেনি। আগামী ১৫ জুলাই ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন। ওই সময় শেষে বড় অঙ্কের অর্থ জমা পড়বে। ফলে ঘাটতি কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন এনবিআর সংশ্লিষ্টরা।

গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে সংস্থাটির রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। বিপরীতে এনবিআরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী আদায় হয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ২৭২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় পিছিয়ে আছে প্রায় ৪৪ হাজার ৭২৮ কোটি টাকা। যদিও গত অর্থবছরের তুলনায় রাজস্ব আদায় বেড়েছে ৮.১২ শতাংশ।

এর আগে গত অর্থবছরের ১১ মাস (জুলাই-মে) শেষে ঘাটতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ শেষ পর্যন্ত এনবিআরের জন্য উচ্চাভিলাষী থেকে গেলো।

এনবিআর সূত্রে আরও জানা যায়, গত অর্থবছরে আমদানি-রপ্তানি খাত অর্থাৎ কাস্টমস বিভাগ থেকে ১ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৯১ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা। সবচেয়ে কম ২.৫৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে ঘাটতি প্রায় ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা।

অন্যদিকে ভ্যাট খাতে সর্বোচ্চ সাড়ে ১১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও ঘাটতি থেকে বের হতে পারেনি। ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা। ঘাটতি ১৬ হাজার ২৬৬ কোটি টাকা। ভ্যাট খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন ১৫ জুলাই যখন চূড়ান্ত হিসাব হবে তখন হয়ত ঘাটতি অনেক কমে যাবে।

আর আয়কর খাত থেকে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ২২ হাজার ১০০ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৯২১ কোটি টাকা। ঘাটতি ৯ হাজার ১৭৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। আয়কর খাতে ৯.৬২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

এর আগে গত ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২৮ হাজার কোটি টাকা। ওই বছর ৩ লাখ ৮৫২ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছিল।

নাম প্রকাশ না করে এ বিষয়ে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বলেন, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের এনবিআরের তিন বিভাগে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৮৭.৯১ শতাংশ লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। যার মধ্যে কাস্টমস বিভাগ থেকে ৮২.৬৩ শতাংশ, আয়করে ৯২.৪৮ শতাংশ এবং ভ্যাট বিভাগ থেকে ৮৮.১২ শতাংশ রাজস্ব আহরণ সম্ভব হয়েছে। এটা কম সাফল্য নয়! তবে বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হবে।

চলতি ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে খালাসের অপেক্ষায় ২১ লাখ টন ভোগ্যপণ্য।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রমজান মাসের চাহিদা মেটাতে আমদানি করা ভোগ্যপণ্য খালাসে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। পণ্য সংরক্ষণে পর্যাপ্ত গুদাম না পাওয়া এবং আমদানি বেড়ে যাওয়ায় লাইটার জাহাজের চাহিদাও বেশি থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত ৪৬টি জাহাজে মোট ভোগ্যপণ্যের পরিমাণ ২৩ লাখ ৪৬ হাজার টন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত এসব জাহাজ থেকে ১১ লাখ টন ভোগ্যপণ্য খালাস করা হয়েছে।

খালাসের অপেক্ষায় ছিল প্রায় ১২ লাখ টন। এছাড়া ২৫টি গমবোঝাই জাহাজে আমদানি হয় সাড়ে ১৩ লাখ টন গম। খালাস হয়েছে ৬ লাখ টন। ছোলা, মসুর ডাল ও মটর ডালবোঝাই ৭টি জাহাজে আমদানি হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার টন, খালাস হয়েছে দেড় লাখ টন।
৯টি জাহাজে আছে ৪ লাখ ৩৯ হাজার টন তেলবীজ, যার মধ্যে খালাস হয়েছে তিন লাখ টন।চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন বড় জাহাজ থেকে গড়ে ৫০-৬০ হাজার টন ভোগ্যপণ্য লাইটার জাহাজে স্থানান্তর করার পর বিভিন্ন ঘাটে নিয়ে গিয়ে খালাস করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভোগ্যপণ্যের আমদানি বাড়লেও অনেক প্রতিষ্ঠানের পর্যাপ্ত গুদাম নেই। এ কারণে লাইটার জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করতে সময় লাগছে।


বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেল (ডব্লিউটিসিসি) এর তথ্যমতে, দেড় মাস ধরে দেশের বিভিন্ন ঘাটে পণ্য খালাসের জন্য আটকে আছে ২৬৫টি লাইটার জাহাজ। এর মধ্যে ভোগ্যপণ্যবোঝাই লাইটার জাহাজ ১২২টি। আগে প্রায় ১২০০টি লাইটার জাহাজ পণ্য বোঝাই করতো। এখন জাহাজের সংখ্যা কমে ১ হাজার ২২টিতে এসেছে।এমএসটি মেরিন এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক মেজবাহ উদ্দিন জানান, অনেক আমদানিকারকের গুদাম না থাকায় তারা লাইটার জাহাজ থেকে দ্রুত পণ্য খালাস করতে পারছে না।

১১৮৮ টন ভারতীয় চাল সোনা মসজিদ বন্দর দিয়ে আমদানি।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে আবারও চাল আমদানি শুরু হয়েছে। ভারত থেকে ১ হাজার ১৮৮ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল সোনা মসজিদ বন্দর দিয়ে প্রবেশ করে।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পানামা সোনা মসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান।

তিনি জানান-আমদানির অনুমতি পাওয়ার পর গত ২৪ জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ১ হাজার ১৮৮ মেট্রিক টন চাল বন্দরে প্রবেশ করেছে।
এদিকে সোনা মসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ জানান-গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এ বন্দর দিয়ে ৫৬৩ দশমিক ৭ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় সোনা মসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ