আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

নির্বাচনের আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যবেক্ষণ করতে চায় ইইউ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে চট্টগ্রাম অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করতে চায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল। মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় সপ্তাহ অবস্থান করে সেখানকার সার্বিক পরিস্থিতি যাচাই করতে চান চান জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ মূল্যায়ন করতে আসা দলটি।  

সোমবার (১০ জুলাই) সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ইইউয়ের প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তারা আমাদের কাছে সহায়তা চাচ্ছেন। আমরা বলেছি সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় যাওয়ার বিষয়ে বলেছেন। বিষয়টি দেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমরাও দেখব। আমাদের দিক থেকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে বলেছি। নির্বাচনের সঙ্গে আমাদের মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সুতরাং তাদের থাকা, পরিদর্শন করা বা চলাচল করার ক্ষেত্রে সব ধরনের সহায়তা আমরা দেব।

তিনি আরও বলেন, প্রতিনিধি দল পার্বত্য চট্টগ্রামে গিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ দেখিয়েছেন। এ বিষয়ে তারা জানতে চেয়েছেন। আমরা বলেছি এটা যেহেতু নির্বাচনকেন্দ্রিক পর্যবেক্ষণ তাই এ বিষয়টি নির্বাচন কমিশন দেখবে। তাদের পর্যবেক্ষণের বিষয়টি আমাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।

আমিনুল ইসলাম বলেন, তারা নির্বাচনের আগে ৬ সপ্তাহ পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে চান। তারা নির্বাচনকালীন সময়ে আসবেন। আমাদের দিক থেকে জানিয়েছি, সেখানে বিশেষ তিনটি জেলায় কিছু নিরাপত্তা ইস্যু আছে। যদিও বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো। ওই তিন জেলার ২৬টি উপজেলা, ১২২টি ইউনিয়ন ও প্রশাসনিক বিষয়ে আমরা তাদের জানিয়েছি। এ বিষয়ে তারা খুবই সন্তুষ্ট।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, তারা সরকারের আমন্ত্রণে নির্বাচনের ব্যাপারে পর্যবেক্ষক হিসেবে এসেছেন। যেহেতু এটা নির্বাচনকেন্দ্রিক পর্যবেক্ষণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভ্রমণে তাদের যাবতীয় পরামর্শ দেবে নির্বাচন কমিশন। আমরা তাদের সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানিয়েছি। সেখানে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী রয়েছে। সুতরাং তারা যেন নিরাপত্তার ইস্যুটি মাথায় রাখেন সেটিও বলেছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি বড় ব্যবধানে জিতার পর, তৃণমূলের মমতা ব্যানার্জির বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর তৃণমূল প্রধান ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ
তুলেছেন। তিনি বলেছেন, বিজেপি একশ’র বেশি আসন চুরি করেছে, এই জয় অনৈতিক। সোমবার রাতে সাংবাদিকদের সামনে এই মন্তব্য করেন তিনি।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ