বিপ্লব উদ্যানকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ার দাবি-চসিকের সভা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিপ্লব উদ্যানকে সবুয়ায়নের মাধ্যমে পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে আনার দাবি করেছেন চট্টগ্রাম নগরীর বিশিষ্টজন, নগর পরিকল্পনাবিদ ও পরিবেশ রক্ষায় আন্দোলনকারী কর্মীরা। বিপ্লব উদ্যান নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা তাদের মতামত তুলে ধরেন। সিটি কর্পোরেশন কনফারেন্স রুমে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্ব সভায় মতামত ব্যক্ত করেন প্রফেসর ডা. এমরান বিন ইউনুস, স্থপতি জেরিন হোসেন, প্রকৌশলী সুভাষ বড়ুয়া, প্রফেসর ড. ইমরান বিন ইউনুস, স্থপতি আশিক ইমরান, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, সালাউদ্দিন মো. রেজা, আসমা আকতার, হাসান মারুফ রুমি, শফিক আনোয়ার, হুমায়ন কবির, হাসান মারুফ রুমি, সাংবাদিকনেতা শাহনেওয়াজ প্রমুখ।
বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনের প্রতিনিধির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বাবুল চন্দ বণিক, মো. আল আমিন হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা ইনসিয়াত মো. আলী আকবর, আহমেদ ইকবাল হায়দার, তাসলিমা মুনা, রিতু পারভীন, মনিরা পারভীন রুবা, ফারমিন এলাহি, লায়ন এম.এ হোসেন বাদল, ফারুক আহমদ, আবু সুফিয়ান রাশেদ, রায়হান বাদশা, শ.ম বখতিয়ার, নিজাম সিদ্দিকী, সাবাইতা সুলতানা ইতু, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মো. জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মনীষা মহাজন, চৈতী সর্ববিদ্যা, হুমায়ুন কবির চৌধুরী, মো. সাব্বির রাহমান সানি, মোহাম্মদ ইকবাল হসান, মেহেরীন, শামিলা রিমা, মোহাম্মদ জিয়াউল হক, মো. আশরাফ হোসেন, স্থপতি তুহিন বড়ুয়া, মো. আবদুর রহিম প্রমুখ।
সভার শুরুতে বিপ্লব উদ্যানের পূর্বের ও বর্তমান অবস্থান নিয়ে একটি সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্থপতি আবদুল্লাহ-আল-ওমর।
প্রফেসর ডা. ইমরান বিন ইউনুস বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে প্রায় ৮০ লাখ মানুষের বসবাস। এই নগরীকে সবার বাস উপযোগী করা লাগবে। তাই বিপ্লব উদ্যান নিয়ে সবাইকে সমন্বয় করে পদক্ষেপ নিতে হবে। এ সময় তিনি উড়ান সড়কের ডিভাইডারে পার্কিং স্পেস করার পরামর্শ দেন।
প্রকৌশলী সুভাষ বড়ুয়া বাসযোগ্য চট্টগ্রাম নগরী গড়তে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশনকে দ্রুত সাহসী পদক্ষেপ নিতে বলেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে কোন প্ল্যানিং ইনস্টিটিউশন নাই বলে চট্টগ্রাম নগরীতে জঞ্জাল সৃষ্টি হয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে উড়াল সড়কে অপরিকল্পিত র‌্যাম্প স্থাপন না করতে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে পত্র দিতে বলেন।
সভায় স্থপতি জেরিনা হোসেন বিপ্লব উদ্যানের সবুজায়নের পাশাপাশি ফুটপাতকে জনপরিসরে হাটার উপযোগী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন আইন অনুসারে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উন্মুক্ত স্থান রক্ষায় দায়িত্ব নেয়ার কথা থাকলেও বিপ্লব উদ্যানের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ উদ্যানের বাণিজ্যিকীকরণ হয়ে গেছে। নাগরিকদের স্বার্থে বিপ্লব উদ্যানকে আবারো নাগরিকদের উদ্যান হিসেবে ফিরিয়ে আনতে হবে।
স্থপতি আশিক ইমরান বলেন, বিপ্লব উদ্যানে ডিজাইনের বাইরে প্রচুর স্থাপনা ও দোকান হয়েছে। আমরা স্থপতিদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সংগঠনের সকল সদস্যকে বিপ্লব উদ্যানের ডিজাইনের বাইরে কোন প্ল্যান না করার জন্য বলেছি। নগরীর সৌন্দর্য্যরে স্বার্থে আমাদের বক্তব্য হলো অবিলম্বে বিপ্লব উদ্যান থেকে অননুমোদিত দোকান স্থাপনা সরিয়ে গাছপাড়া লাগিয়ে সবুজায়নের ব্যবস্থা করা। তিনি সভায় অংশনেয়া সকলকে তাদের মতামত ও জ্ঞানগুলেঅ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্টদের সাথে আদান-প্রদানের অনুরোধ জানান।
প্রেস ক্লাবের সভাপতি সালাউদ্দিন মো. রেজা বলেন, বিপ্লব উদ্যানের পূর্বের সৌন্দর্য্য ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। এই উদ্যানে স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসের স্মৃতি বিজড়িত অনেক স্মৃতি ছিল। এটিকে পূর্বের দুই মেয়রের সময়ে নেয়া কার্যক্রম বন্ধ করে পূর্বের ন্যায় সবুজায়ন করতে হবে।
সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহবায়ক জাহিদুল করিম কচি বলেন, বিপ্লব উদ্যানকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার স্মৃতি রক্ষায় সিটি কর্পোরেশনকে ব্যবস্থা নিতে হবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা অধিকার রক্ষা পরিষদের আহবায়ক আসমা আকতার বলেন, আইন অনুযায়ী একটি উদ্যানে ২-৫ শতাংশের বেশি কংক্রিটের স্থাপনা রাখার সুযোগ নেই। কিন্তু বিপ্লব উদ্যানে এর চাইতে অনেক বেশি কংক্রিটের স্থাপনা বর্তমানে আছে। তাই এই উদ্যানকে সবুজায়ন করে সববয়সী নাগরিকের অবকাশ যাপনে পূর্বের ন্যায় ব্যবস্থা করতে হবে কর্পোরেশনকে। এজন্য সবুজায়ন বৃদ্ধি করা লাগবে।
রাজনৈতিক কর্মী হাসান মারুফ রুমি বলেন, উন্নয়নের প্রথম শর্ত হলো পরিবেশ ও প্রাণীকুলকে রক্ষা করা। সবুজায়ন বৃদ্ধি করা। কিন্তু বিপ্লব উদ্যানে অপরিকল্পিত পরিকল্পনার মাধ্যমে ইট-পাথরের জঞ্জাল সৃষ্টি করা হয়েছে। তাই এই উদ্যানকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে এনে সবুজায়নের উদ্যোগ নিতে হবে কর্পোরেশনকে। পরিবেশ কর্মী শফিক আনোয়ার আইকনিক স্থান হিসেবে বিপ্লব উদ্যানকে রক্ষার উদ্যোগ নিতে বলেন সিটি কর্পোরেশনকে। দোকান মালিকদের পক্ষে হুমায়ন কবির বলেন, বিপ্লব উদ্যান আগে অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল। মাদক বেচাকেনা হতো। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পূর্বের মেয়রের সময় ঠিকাদারদের মাধ্যমে দোকান বরাদ্দ দেয়া হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের ১১ এসএসসি পরীক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘শিশু আর থাকবে নাকো সহিংসতার ঝুঁকিতে, সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র আছে তাদের সাথে’- এই স্লোগানকে সামনে রেখেই চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ফরহাদাবাদ ইউনিয়নস্থ সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের ১১ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর জন্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কেন্দ্র মিলনায়তনে মতবিনিময় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পরীক্ষার্থীদের এই সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক। বিশেষ অতিথি ছিলেন হাটহাজারী উপজেলার উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মুজাহিদুল ইসলাম এবং ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোহাম্মদ আইয়ুব।

কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতারের সভাপতিত্বে এবং আউটরিচ ওয়ার্কার বিপুল চন্দ্র পালের উপস্থাপনায় শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন নিবাসী শিশু মো. নাঈম। অত:পর কেন্দ্রের আশ্রয় পাওয়া এক সময়কার সুবিধাবঞ্চিত ১১ জন উত্তীর্ণ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন প্রধান অতিথি।

উপপরিচালক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সবার আগে বাংলাদেশ প্রত্যয়ের আলোকে শিশুদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। তারই ধারাবাহিকতার বহি:প্রকাশ ঘটেছে এই আয়োজনের মাধ্যমে। এছাড়া কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীর দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক ইন-হাউজ প্রশিক্ষণে ‘শিশুর বিকল্প পরিচর্যা’ বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক। অনুষ্ঠানের শেষভাগে শিশুতোষ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গাণ পরিবেশন করেন শিশু শিল্পীরা।

উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার বলেন- কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীর দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিশুদের সর্বোত্তম সেবা প্রদান করে শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের আয়োজনের লক্ষ্য।

হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে ইউসিটিসি’র ড্রামা ক্লাবের মঞ্চে ‘নিমফুল’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি,চট্টগ্রাম (ইউসিটিসি’র) ড্রামা ক্লাব তাঁর কালজয়ী নাটক ‘নিমফুল’ মঞ্চস্থ করেছে।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ প্রযোজনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অভিনয়ের মাধ্যমে নাটকটির মানবিক আবেদন, গ্রামীণ জীবন ও সম্পর্কের সূক্ষ্ম আবেগ দর্শকদের সামনে প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরেন। পুরো পরিবেশনা জুড়ে দর্শকদের উপস্থিতি ও আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন জুনায়েদ হোসেন জাওয়াদ (হেদায়েত চৌধুরী), ফারজানা মুন্সি সীমা (মদিনা), রিফাত হাসান (মাস্টার), ইমতিয়াজ ইমতি (ফজলু), সফল দাশ (কুদ্দুস), সাওয়াদ সামি (মনা ডাকাত), আরিয়ান (মনা ডাকাতের ছেলে), মারুফ চৌধুরী (হেডমাস্টার), সিয়াম (মেম্বার), জয়নাল (অর্নব দত্ত), তাওছিন আক্তার (সালেহার আম্মা) এবং উম্মে সামিহা (সালেহা)। প্রযোজনাটির নির্দেশনা দেন মায়া দত্ত।
হেদায়েত চৌধুরী চরিত্রে অভিনয় করা জুনায়েদ হোসেন জাওয়াদ বলেন, “হুমায়ূন আহমেদের নাটকে অভিনয় করা আমাদের জন্য যেমন গর্বের, তেমনি বড় একটি দায়িত্বও। চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে আমরা দীর্ঘদিন মহড়া করেছি। দর্শকদের ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

নাটকের নির্দেশক মায়া দত্ত বলেন, “হুমায়ূন আহমেদের নাটক শুধু বিনোদন নয়, মানুষের জীবন, সম্পর্ক ও সমাজকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের নিয়ে তাঁর নাটক মঞ্চস্থ করার মাধ্যমে আমরা তাঁর সৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছি।

নাটকটি দেখতে আসা এক দর্শক বলেন, “শিক্ষার্থীদের অভিনয় ছিল আন্তরিক ও পরিণত। সীমিত আয়োজনের মধ্যেও তারা নাটকের আবহ সুন্দরভাবে তৈরি করতে পেরেছে। পুরো প্রযোজনা উপভোগ্য ছিল।আরেক দর্শক জানান, “হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর নাটক মঞ্চস্থ করার উদ্যোগটি সত্যিই প্রশংসনীয়। এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত দর্শকরা অভিনয়শিল্পী ও নির্দেশককে অভিনন্দন জানান। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও বাংলা নাট্যসাহিত্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টিগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ