দেড়দশক পর মহাজোটের গ্যাঁড়াকলমুক্ত হয়েছে কুলাউড়া।

তিমির বনিক মৌলভীবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রায় দেড়দশক পরে মহাজোটের গ্যাঁড়াকলমুক্ত হয়েছে মৌলভীবাজার-২ সংসদীয় আসন। দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে এসেছেন হেভিওয়েট প্রার্থী আ’লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। তাই বিভক্তির কিংবা মনস্তাত্বিক দ্বন্ধ ভুলে নৌকার প্রশ্নে একত্র হয়েছে কুলাউড়া উপজেলা আ’লীগ। একের পর এক বর্ধিত কর্মী সভায় নিজেদের ঐক্যমতের জানান দিচ্ছেন উপজেলা ও ইউনিয়ন আ’লীগের নেতৃবৃন্দ। যা কুলাউড়া উপজেলা আ’লীগে একটি বিরল ঘটনা।

দীর্ঘদিন পর নিজ দলীয় প্রার্থী পেয়ে নেতা কর্মীরা মরুর পানি তৃপ্তির মতো আনন্দিত ও উৎসাহিত। আ’লীগ ছাড়াও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতা কমীর্দের মতে, ২২ বছর পর নিজ দলীয় নেতার হাতে দলীয় প্রতীক নৌকা এসেছে। এই সুযোগ তারা হাত ছাড়া করতে চান না। তাই স্বতন্ত্রের ঘাটিতে সিঁধ কাটছেন তারা।

অন্য দিকে ইমেজ সষ্কট আর বারবার দল পরিবর্তনসহ নানা ঘটনায় ভোটের মাঠে জায়গা করে নিতে অনেকটা বেগ পেতে হচ্ছে নৌকার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীদের। আর ক্লিন ইমেজ নিয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছেন নৌকার প্রার্থী শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। আর এতে বিপাকে পড়েছেন শাহীন-সলমানসহ অন্যান্য প্রার্থীরা।

মৌলভীজার-২ সংসদীয় আসন কুলাউড়া ঘুরে দেখা যায়, দ্বাদশ নিবার্চনের জন্য নৌকার প্রার্থী শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের বিজয় নিশ্চিত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দ। সাথে সরকারের উন্নয়নের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে কাজ করছে আ’লীগের অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

অন্য দিকে এ আসনে কেন্দ্রের মনোনীত প্রার্থীকে তৃণমূল গ্রহণ করে না, যদি তাদের প্রার্থী পছন্দ না হয়। এমন সমীকরনের দোলাচলে বিগত প্রায় ৩০ বছর। তবে এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সাধারণ ভোটারদের কাছে আ’লীগের দলীয়প্রতীক নৌকার চেয়ে ‘ব্যাক্তি নাদেল’এর গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে বেশি।

শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ছাত্রলীগের রাজনীতি করে ধীরে ধীরে উঠে এসেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে। ১৯৮৬ সালে তিনি সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি হন। পরবর্তীতে সিলেট সরকারি কলেজ এবং এমসি কলেজে লেখাপড়াকালীন ছাত্রলীগের রাজনীতি করেন তিনি। পরে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হন। ১৯৯৩ সালে তিনি সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হন। ১৯৯৭ সালে হন সভাপতি। এরপর সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগে শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হন নাদেল। ২০০৪ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের পর তিনি সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কৌলায়।

এম এম শাহীন জাসদ থেকে একসময় বিএনপি নেতা। তারপর দলটির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। পরে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া তাকে পুন:রায় দলে ফিরিয়ে নেন। কিন্তু ওয়ান ইলেভেন এর সময় তিনি যোগ দেন ঐ সময়ের কিংস পার্টি খ্যাত পিডিপিতে। আবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিকল্পধারা বাংলাদেশে যোগ দিয়ে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে কুলাউড়ায় নির্বাচন করে পরাজিত হন। এবার দ্বাদশ নিবার্চনে এ আসনে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন এম এম শাহীন।

বিএনপি থেকে মহাজোটে যোগ দেওয়া এই নেতা বিএনপির মনোনয়নে একবার ও ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে তিনবার এবং সর্বশেষ মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন। এর মধ্যে দু’বার তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এলাকায় নানা কারণে আলোচিত এম এ শাহীন একসময় জেলা বিএনপির সহসভাপতি ছিলেন।

নিজ বাড়িতে এক মতবিনিময় সভায় তৃণমূল বিএনপির মনোনয়ন ফরম ছিঁড়ে টুকরা টুকরা করেন এম এম শাহীন। তখন নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘যে দলের মা নেই, বাপ নেই, ঠিকানা নেই…সেই দলে আমি যেতে চাইনি। কুলাউড়ার মানুষের স্বার্থে সেই দলের হয়ে নির্বাচন করতে চেয়েছিলাম। যেহেতু আপনারা সেটি চাননি, তাই আমি তৃণমূল বিএনপির মনোনয়ন ফরম ছিঁড়ে ফেললাম। আমি আর নির্বাচন করব না।’ যদিও পরদিন তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।

আব্দুল মতিন: সাবেক এ সংসদ সদস্য বহুবার দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে নিবার্চন করেছেন। দ্বাদশ নিবার্চনে দলীয় মনোনয়ন চাননি তিনি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়বেন তিনি। যদিও বয়সের ভারে নুহ্য মাঠেও নিষ্ক্রিয়।

শফি আহমদ সলমান: জাসদের রাজনীতি দিয়ে শুরু, পরে যোগদেন আ’ লীগে। সুবিধা বুঝে ২০১৬ সালে কুলাউড়া পৌর নিবার্চনে অংশ নিয়ে পরাজিত হয়ে সৃষ্টি করেন বির্তক। পরাজিত হয়ে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনুকে পেঠানোর ঘটনায় বহিষ্কৃত হন দল থেকে। পরে নানা কৌশলে দলে ভিড়ে ২০১৯ সালের উপজেলা নিবার্চনে হন বিদ্রোহী প্রার্থী। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আবারও করা হয় দল থেকে বহিষ্কার। চেয়ারম্যান নিবার্চিত হয়ে ইউনিয়নে আ’লীগের নামে ‘সলমান বলয় আ’লীগ’ কমিটি গঠন শুরু করেন। এতে দেখা দেয় নানা বিশৃঙ্খলা। পরে ক্ষমা চেয়ে দলে ফিরে এলে উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি করা হয়। এবার দ্বাদশ নিবার্চনে আ’লীগের মনোনয়ন চান তিনি। না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্ধীতার ঘোষণা দেন।

মৌলভীবাজার-২ আসনে আ’লীগের প্রার্থী শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলসহ মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী এম এম শাহীন, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল মতিন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে উপজেলা চেয়ারম্যানের পদত্যাগ করা কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এ কে এম সফি আহমদ সলমান জাতীয় পার্টির মাহবুবুল আলম ওরফে শামীম ও মো. আবদুল মালিক, ইসলামী ঐক্যজোটের আসলাম হোসাইন রহমানী, বিকল্পধারা বাংলাদেশের মো. কামরুজ্জামান, ইসলামী ঐক্যফ্রন্টের আবদুল মোত্তাকীন তামিম ও এনামুল হক মাহতাব এবং জাসদের প্রার্থী বদরুল হোসেন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৪৭২ জন।

কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগে বর্ধিতকর্মী সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে আটকে রেখে মারধর, নগদ টাকা ও মালামাল ছিনতাই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মী এক যুবককে পথরোধ করে মারধর ও আটকে রেখে ৪০ হাজার টাকাসহ সাথে থাকা মালামাল ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে । গত ২১ আগষ্ট রাতের ঘটনায় ২৪ আগষ্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মো. শাকিল হোসেন (২৫) জানান,
গত ২১ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে হারিন্দা থেকে বাড়ি ফেরার পথে কাঞ্চন ব্রিজের নিচের নির্জন সড়কে পথরোধ করেন ব্রাহ্মণখালী এলাকার আফজাল (৩০), ইকবাল (২৫) ও অজ্ঞাত আরও দুই ব্যক্তি। পরে তাকে জোর করে পাশের একটি বাড়িতে আটকে রাখে। এ সময়

তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি, লাথি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এ সময় জোরপূর্বক তার সঙ্গে থাকা ৪০ হাজার টাকা এবং প্রায় ১০ হাজার টাকা মূল্যের একটি বিদেশি ঘড়ি নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ সময়
বিকাশের মাধ্যমে বড় ভাইয়ের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা গ্রহণের পর ছেড়ে দেয়া হয়। অভিযোগকারীর ধারণা, বিকাশের দোকান থেকেই তাকে অনুসরণ করা হয়ে থাকতে পারে।এ সময় ঘটনার বিষয়টি কাউকে জানালে বা মামলা করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এএইচএম সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনা তদন্ত চলছে।

পাবনা-ঢাকা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনের নামকরণ ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানালেন পাবনা শেকড় ফাউন্ডেশন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হতে যাওয়া ঢাকা–পাবনা সরাসরি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নাম ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানিয়েছে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন।একই সঙ্গে পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের প্রতিনিধিত্ব করে-এমন কোনো নাম বিবেচনারও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

গত শনিবার ২২ আগস্ট এক যৌথ বিবৃতিতে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন এর সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান খান এ দাবি জানান।বিবৃতিতে তারা বলেন, নানা প্রতিকূলতা, দীর্ঘদিনের দাবি ও অপেক্ষার পর ঢাকা–পাবনা সরাসরি ট্রেন চালুর উদ্যোগে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন। এই ট্রেন চালু হলে পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে পাবনার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। এ উদ্যোগের জন্য রেল মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তারা।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রে প্রস্তাবিত ট্রেনটির নাম ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ করা হয়েছে বলে প্রচারিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তারা এখনো পাননি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের নেতারা বলেন, একটি জেলার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগকারী আন্তঃনগর ট্রেনের নাম শুধু একটি আনুষ্ঠানিক পরিচয় নয়। এর সঙ্গে ওই জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, আত্মপরিচয় এবং মানুষের আবেগ জড়িয়ে থাকে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও প্রত্যাশার পর পাবনার জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনটির নামেও তাই পাবনার স্বতন্ত্র পরিচয়ের প্রতিফলন থাকা উচিত।

তাদের মতে, এ বিবেচনায় ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামটি সহজ, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও প্রতিনিধিত্বশীল। পাশাপাশি পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি কিংবা জেলার কৃতী ব্যক্তিত্বের নামেও ট্রেনটির নামকরণের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।বিবৃতিতে বলা হয়, পাবনাবাসীর ওপর কোনো নাম চাপিয়ে দেওয়া হলে ট্রেনটির সঙ্গে মানুষের প্রত্যাশিত আবেগ ও মালিকানাবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যে ট্রেনটি পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের ফল, সেটির নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রেও জেলার মানুষের মতামত ও অনুভূতির যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

‘সপ্তপদী’ নামের প্রসঙ্গে সংগঠনটি বলেছে, নামটি যদি কোনো বিশেষ ঐতিহাসিক বা সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রস্তাব করা হয়ে থাকে, তবুও পাবনার সঙ্গে এর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক কী—তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এবং জনমতের সংবেদনশীলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের নামকে কেন্দ্র করে যেন অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

তবে সংগঠনটি বলেছে, তারা কোনোভাবেই নতুন এই রেল যোগাযোগ কে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে দেখতে চায় না। বরং তাদের প্রত্যাশা, ঢাকা-পাবনা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনটি হবে পাবনার মানুষের গর্ব, পরিচয় ও ঐতিহ্যের প্রতীক।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামের দাবি কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক দলের দাবি নয়; এটি পাবনার মানুষের আত্মপরিচয় ও আবেগের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি দাবি। পাবনার মানুষের জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনের নামেও পাবনার মাটি, মানুষ, ইতিহাস ও গৌরবের প্রতিফলন থাকা উচিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ নামটি যদি কোনো প্রশাসনিক পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েও থাকে, তাহলে পাবনাবাসীর আবেগ, অনুভূতি ও আপত্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। এতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক, অসন্তোষ ও উত্তেজনা এড়ানো সম্ভব হবে।এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ট্রেনটির নাম চূড়ান্ত করে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, পাবনার ট্রেন -পাবনার পরিচয়ে। আমাদের প্রত্যাশা
পাবনা এক্সপ্রেস’।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ