গ্রাম পুলিশকে মারপিট করার অপরাধে ইউপি সদস্য আটক, থানায় মামলা।

শফিকুল ইসলাম শিল্পী রানীশংখৈল:

ঠাকুরগাঁও:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাণীশংকৈলে গ্রাম পুলিশকে মারপিট করার অপরাধে ইউপি সদস্য আটক, থানায় মামলা

সফিকুল ইসরাম শিল্পী, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় এক গ্রাম পুলিশকে বেদড়ক মারপিট করার অপরাধে ইউপি সদস্যকে আটক করেছে রাণীশংকৈল থানা পুলিশ ।

ইউপি সদস্য কর্তৃক মারধরের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে জগেন্দ্র নাথ রায় (৪০) নামের এক গ্রাম পুলিশ। গতকাল রবিবার রাতে নেকমরদ বাজার চেয়ারম্যান মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ওই গ্রাম পুলিশ নেকমরদ পারকুন্ডা গ্রামের মৃত. ভাইন বাবুর ছেলে। জানাগেছে, জগেন্দ্র নাথ রায় ইএসডিও নামের এক এনজিও’র কাছে ঋণ নিয়ে টাকা পরিশোধ করেন। তবে যে কর্মকর্তা টাকা নেন সেই কর্মকর্তা বদলি হওয়ায় টাকা না পেয়ে নতুন এনজিও কর্মকর্তা চাপ প্রয়োগ করলে আবারো ঋণের টাকা পরিশোধ করে দেন। সেই ঘটনা ইউপি সদস্য দবিরুল (৫৫) ইসলামের কাছে বললে হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে দবিরুল ইসলাম ও তার ছেলে রুবেল (৩০) গ্রাম্য পুলিশকে বেধরক মারপিট করে। পরে স্থানীয়রা গ্রাম্য পুলিশের বাড়িতে খবর দিলে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
ঘটনার দিন থানায় ও উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন গ্রাম পুলিশ জগেন্দ্র নাথ রায়।

নেকমরদ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রাতে ইউপি সদস্য ও তার ছেলে কর্তৃক গ্রাম পুলিশকে মারধরের ঘটনা শুনেছি। ইউপি সদস্য কাজটি ঠিক করেননি।

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা রকিবুল হাসান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্তকরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

থানা অফিসার ইনচার্জ সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, থানায় মামলা হয়েছে এবং একজন আসামিকে আজ সোমবার সন্ধায় গ্রেফতার হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে আটকে রেখে মারধর, নগদ টাকা ও মালামাল ছিনতাই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মী এক যুবককে পথরোধ করে মারধর ও আটকে রেখে ৪০ হাজার টাকাসহ সাথে থাকা মালামাল ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে । গত ২১ আগষ্ট রাতের ঘটনায় ২৪ আগষ্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মো. শাকিল হোসেন (২৫) জানান,
গত ২১ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে হারিন্দা থেকে বাড়ি ফেরার পথে কাঞ্চন ব্রিজের নিচের নির্জন সড়কে পথরোধ করেন ব্রাহ্মণখালী এলাকার আফজাল (৩০), ইকবাল (২৫) ও অজ্ঞাত আরও দুই ব্যক্তি। পরে তাকে জোর করে পাশের একটি বাড়িতে আটকে রাখে। এ সময়

তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি, লাথি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এ সময় জোরপূর্বক তার সঙ্গে থাকা ৪০ হাজার টাকা এবং প্রায় ১০ হাজার টাকা মূল্যের একটি বিদেশি ঘড়ি নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ সময়
বিকাশের মাধ্যমে বড় ভাইয়ের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা গ্রহণের পর ছেড়ে দেয়া হয়। অভিযোগকারীর ধারণা, বিকাশের দোকান থেকেই তাকে অনুসরণ করা হয়ে থাকতে পারে।এ সময় ঘটনার বিষয়টি কাউকে জানালে বা মামলা করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এএইচএম সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনা তদন্ত চলছে।

পাবনা-ঢাকা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনের নামকরণ ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানালেন পাবনা শেকড় ফাউন্ডেশন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হতে যাওয়া ঢাকা–পাবনা সরাসরি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নাম ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানিয়েছে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন।একই সঙ্গে পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের প্রতিনিধিত্ব করে-এমন কোনো নাম বিবেচনারও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

গত শনিবার ২২ আগস্ট এক যৌথ বিবৃতিতে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন এর সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান খান এ দাবি জানান।বিবৃতিতে তারা বলেন, নানা প্রতিকূলতা, দীর্ঘদিনের দাবি ও অপেক্ষার পর ঢাকা–পাবনা সরাসরি ট্রেন চালুর উদ্যোগে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন। এই ট্রেন চালু হলে পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে পাবনার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। এ উদ্যোগের জন্য রেল মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তারা।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রে প্রস্তাবিত ট্রেনটির নাম ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ করা হয়েছে বলে প্রচারিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তারা এখনো পাননি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের নেতারা বলেন, একটি জেলার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগকারী আন্তঃনগর ট্রেনের নাম শুধু একটি আনুষ্ঠানিক পরিচয় নয়। এর সঙ্গে ওই জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, আত্মপরিচয় এবং মানুষের আবেগ জড়িয়ে থাকে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও প্রত্যাশার পর পাবনার জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনটির নামেও তাই পাবনার স্বতন্ত্র পরিচয়ের প্রতিফলন থাকা উচিত।

তাদের মতে, এ বিবেচনায় ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামটি সহজ, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও প্রতিনিধিত্বশীল। পাশাপাশি পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি কিংবা জেলার কৃতী ব্যক্তিত্বের নামেও ট্রেনটির নামকরণের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।বিবৃতিতে বলা হয়, পাবনাবাসীর ওপর কোনো নাম চাপিয়ে দেওয়া হলে ট্রেনটির সঙ্গে মানুষের প্রত্যাশিত আবেগ ও মালিকানাবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যে ট্রেনটি পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের ফল, সেটির নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রেও জেলার মানুষের মতামত ও অনুভূতির যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

‘সপ্তপদী’ নামের প্রসঙ্গে সংগঠনটি বলেছে, নামটি যদি কোনো বিশেষ ঐতিহাসিক বা সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রস্তাব করা হয়ে থাকে, তবুও পাবনার সঙ্গে এর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক কী—তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এবং জনমতের সংবেদনশীলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের নামকে কেন্দ্র করে যেন অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

তবে সংগঠনটি বলেছে, তারা কোনোভাবেই নতুন এই রেল যোগাযোগ কে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে দেখতে চায় না। বরং তাদের প্রত্যাশা, ঢাকা-পাবনা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনটি হবে পাবনার মানুষের গর্ব, পরিচয় ও ঐতিহ্যের প্রতীক।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামের দাবি কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক দলের দাবি নয়; এটি পাবনার মানুষের আত্মপরিচয় ও আবেগের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি দাবি। পাবনার মানুষের জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনের নামেও পাবনার মাটি, মানুষ, ইতিহাস ও গৌরবের প্রতিফলন থাকা উচিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ নামটি যদি কোনো প্রশাসনিক পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েও থাকে, তাহলে পাবনাবাসীর আবেগ, অনুভূতি ও আপত্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। এতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক, অসন্তোষ ও উত্তেজনা এড়ানো সম্ভব হবে।এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ট্রেনটির নাম চূড়ান্ত করে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, পাবনার ট্রেন -পাবনার পরিচয়ে। আমাদের প্রত্যাশা
পাবনা এক্সপ্রেস’।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ