রাউজানে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

রাউজান (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের রাউজানে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মিনহাজ রহমান রিয়াদ (২৭) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। (২৭ সেপ্টেম্বর) শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়কে গহিরা বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত প্রবাসী রিয়াদের বাড়ী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রানীর হাট রাজানগর এলাকার মোঃ মফিজ এর ছেলে। জানা যায়, মোটরসাইকেল করে মাইজভান্ডার দরবার শরিফ থেকে বাড়ি যাওয়া আসার পথে রাউজানের গহিরা এলাকায় ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেল সংঘর্ষ হয়। এসময় আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে রাউজান জে.কে মেমোরিয়াল হাসাপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তাদের অবস্থা অবনতি ঘটলে পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান হয়। সেখানে রাতেই প্রবাসী রিয়াদ মারা যান। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রিয়াদ শুক্রবার জীবন জীবিকার তাগিদে প্রবাসে পারিজমার কথা ছিলো। তবে তিনি ছোট বেলা থেকে রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের মানচিপাড়া গ্রামে তার নানুর বাড়িতে বড় হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে রাউজান হাইওয়ে থানার (ওসি) ওবাইদুল হক ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রাউজানে হাত-পা ও চোখ বাঁধা অবস্থায় ছাত্রদলের ২ নেতা উদ্ধার
রাউজান (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা:
চট্টগ্রামের রাউজান থেকে সাবেক দুই ছাত্রদল নেতাকে অপহরণের অভিযোগ মিলেছে। জানা গেছে অপহরণের প্রায় চার ঘন্টা পর হাত-পা ও চোখ বাঁধা এবং মুমূর্ষু অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপতালে পাঠিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। (২৬-সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তাদের অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায় একদল সন্ত্রাসীরা। তারা হলেন রাউজান উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন সোহেল ও নোয়াপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। তাদের হাত-পা চোখ বেঁধে কর্ণফুলী নদীর চরে ফেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সেখান থেকে বিকাল ৩টার দিকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপতালে ভর্তি করা হয়। অপহরণের শিকার দুই ছাত্রনেতা সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম আকবর খন্দকার গ্রুপের অনুসারী বলে জানা গেছে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে সে বিষয়ে এখনো কোন সঠিক তথ্য মিলেনি। এ ব্যাপারে রাউজান থানার সেকেন্ড অফিসার উপপরিদর্শক নাফিজুল ইসলাম দৈনিক সময়ের আলোকে বলেন, এটি অপহরণের ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দলের দুই গ্রুপের মাধ্যে মারামারি ঘটনায় দুইজন আহত হয়েছে। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তিনি জানান। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম জেলার নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন যোগদানের পথে দুর্ঘটনার শিকার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন। কর্মস্থলে যোগ দিতে আসার সময় সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড় কুমিরা এলাকায় তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটিকে একটি মিনিবাস ধাক্কা দেয়।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাজেদুর বলেলেন, অ্যাম্বুলেন্সে করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে যাচ্ছিলাম। বড় কুমিরা নতুন সড়ক এলাকায় এলে পাশ থেকে একটি মিনিবাস আমাদের অ্যাম্বুলেন্সটিকে ধাক্কা দেয়। এতে এক পাশের কাচ ভেঙে যায় এবং ওই পাশটি দুমড়েমুচড়ে যায়।
তিনি জানান, গাড়ির ভাঙা কাচ মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে এসে পড়ে। একটি ঝাঁকুনি লাগে। পরে দুর্ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্সটি রেখে চট্টগ্রাম অফিসের গাড়িতে করে নতুন কর্মস্থলে আসেন।

এর আগে গত বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলমকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয় ঢাকার মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে। কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাজেদুরকে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
যুগ্ম সচিব সাইফুল ইসলামের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বদলি করা কর্মকর্তাদের ২৪ আগস্টের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করলে ২৫ আগস্ট থেকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বা স্ট্যান্ড রিলিজ বলে গণ্য হবেন তারা।

শহীদ মিনারের জায়গা দখলের চেষ্টা, বিএনপি নেতাকর্মীদের উচ্ছেদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে স্মৃতিসৌধের পশ্চিম পাশে ও শহীদ মিনারের সামনে বাংলাদেশ রেলওয়ের জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কথিত বিএনপি নেতা মো. সোহেল হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়। পরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কথিত অবৈধ দখল উচ্ছেদ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে মো. সোহেল হোসেন, পিতা মৃত বাবু হোসেন,সাং মসজিদপাড়া, ভাঙ্গুড়া সিএনজি স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় রেলওয়ের জায়গায় ঘর নির্মাণ করে দখলের চেষ্টা করেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।

স্থানীয়দের দাবি, রোববার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে আবারও গোপনে সেখানে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করা হয়। এলাকাবাসী বিষয়টি টের পেয়ে এগিয়ে গেলে সংশ্লিষ্টরা সেখান থেকে চলে যান। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতে আবারও ওই জায়গায় নির্মাণকাজ চালিয়ে দখলের চেষ্টা হতে পারে।সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙ্গুড়া বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্মৃতিসৌধের পাশে ও শহীদ মিনারের সামনে রেলওয়ের জায়গায় নির্মাণসামগ্রী পড়ে রয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয়টি উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীদের নজরে এলে ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্বাস আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. সাকলু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রিপন হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সুজন আহমেদ, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন, কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক বাইজিদ বোস্তামীসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দখল উচ্ছেদ করেন।

স্থানীয়রা বলেন, শহীদ মিনার ও স্মৃতিসৌধের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সামনে সরকারি জায়গা দখলের চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দখল উচ্ছেদ করায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে মো. সোহেল হোসেনের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ