কেউ আইন হাতে তুলে নিলে কঠোর ব্যবস্থা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামে আইজিপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ মোঃ ময়নুল ইসলাম এনডিসি বলেছেন, মব জাস্টিসের নামে কেউ আইন হাতে তুলে নিলে কঠোর ব্যবস্থা।আইজিপি আজ শনিবার বিকালে চট্টগ্রাম শহরের দামপাড়াস্থ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম বিভাগের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে সিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন। এ সময় র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজ এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আহসান হাবীব পলাশ উপস্থিত ছিলেন।আইজিপি বলেন, যেসব জঙ্গি জামিনে রয়েছে তারা নজরদারির মধ্যে থাকবে। তারা আবার জঙ্গিবাদে জড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।চলমান যৌথ অভিযান প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, এখন পর্যন্ত ২৩৮টি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্রের মধ্যে ৭৫ ভাগ উদ্ধার হয়েছে। তিনি বলেন, অস্ত্র ব্যবহারকারী যেখানেই থাকুক কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে।তিনি বলেন, আসন্ন দুর্গাপূজা উৎসবের মধ্য দিয়েই পালিত হবে। দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী কোনো ঘটনা যাতে না ঘটে সেই ব্যাপারে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। সকল অপতৎপরতা রুখে দিতে হবে। পুলিশ প্রধান বলেন, আমরা পুলিশি কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে চাই। আমরা প্রকৃত অর্থেই জনগণের বন্ধু হতে চাই।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, মামলার আসামি হলেই গ্রেফতার করা হবে না। শুধুমাত্র তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলেই গ্রেফতার করা হবে। নিরীহ কাউকে গ্রেফতার করা হবে না।এর আগে আইজিপি আজ দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইনসে সিএমপি ও চট্টগ্রাম রেঞ্জের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রাম রেঞ্জের সকল পুলিশ ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সকল পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের সাথে বিশেষ কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আহসান হাবীব পলাশের সভাপতিত্বে বিশেষ কল্যাণ সভায় সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজসহ চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটের সকল স্তরের অফিসার ও ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে ১৭ কর্মকর্তা বদলি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি করে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে র‍্যাব, ডিএমপি, পিবিআই, সিআইডি, এসবি, এপিবিএন ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব তৌছিফ আহমেদের সই করা পৃথক তিন প্রজ্ঞাপনে এই রদবদল করা হয়।একটি প্রজ্ঞাপনে- পিবিআইয়ের ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবিরকে র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (ডিআইজি) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবীরকে পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি করা হয়েছে।এছাড়া রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়াকে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে। এপিবিএনের পুলিশ সুপার নাজমুল আলমকে ডিএমপিতে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া এসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিমকে এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে খাগড়াছড়িতে সংযুক্ত করা হয়েছে।অন্য একটি প্রজ্ঞাপনে- এসবির ডিআইজি মু. মাহবুবুর রশীদকে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) করা হয়েছে। ডিএমপির উপ-কমিশনার আসলাম উদ্দিনকে পুলিশ সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এছাড়া নোয়াখালী পিটিসির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরুল আমীনকে খাগড়াছড়ি এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টাররে সংযুক্ত করা হয়েছে।একই প্রজ্ঞাপনে ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর জারি করা আদেশে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি মোহাম্মদ কামরুজ্জামানকে অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সদর দপ্তরে বদলির আদেশ বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি গত ৫ মে জারি করা আদেশে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মল্লিক আহসান উদ্দিন সামীকে নড়াইল পুলিশ সুপার হিসেবে বদলির আদেশও বাতিল করা হয়েছে।আরেক প্রজ্ঞাপনে পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নয় কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। তারা হলে- এপিবিএনের পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেনকে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেনকে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার, আরপিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আবদুর রহমানকে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার, পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. জাফর হোসেনকে সিআইডিতে বদলি করা হয়ছে।এছাড়াও পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদকে ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, গাজীপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট এস এম সিরাজুল হুদাকে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট, পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামানকে সিআইডিতে, পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার এস এম রফিকুল ইসলামকে এপিবিএনে এবং সিলেট এসএমপির উপপুলিশ কমিশনার মো. রিয়াজুল কবিরকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা, ক্ষমা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তারেক রহমান বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শুভাগমন মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক অনন্য ও মহিমান্বিত ঘটনা। তার আবির্ভাব মানুষের জন্য সত্য ও আলোর এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। তিনি মানুষকে তাওহিদের দিকে আহ্বান করার পাশাপাশি সত্য, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, মানবিকতা ও শান্তির শিক্ষা দিয়েছেন। তার পবিত্র জীবন ও কর্ম সমগ্র মানবজাতির জন্য চিরন্তন পথনির্দেশ ও অনুসরণীয় আদর্শ হয়ে আছে।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ বিশ্বের সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি, যিনি মানবজাতির হেদায়াত ও কল্যাণের জন্য সর্বশেষ নবী ও রাসূল, রহমাতুল্লিল আলামিন হজরত মুহাম্মদতে (সা.) পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। তার প্রতি অগণিত দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।

পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আহযাবের ২১ নম্বর আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, মহানবীর (সা.) জীবন ছিল পবিত্র কুরআনের শিক্ষার বাস্তব ও জীবন্ত প্রতিফলন। সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ন্যায়বিচার, ক্ষমাশীলতা, সহনশীলতা, দয়া ও পরোপকারের অনন্য দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন।
মহানবী (সা.) জাতি, বর্ণ, গোত্র, ভাষা ও সামাজিক অবস্থানের বিভেদ অতিক্রম করে মানুষের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় জোর দিয়েছেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, তিনি এতিম, দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল ও সহমর্মী হওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন।

পরিবার, প্রতিবেশী, নারী, শিশু এবং সমাজের দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষের অধিকার রক্ষার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তার শিক্ষা মানুষে মানুষে বিভেদ নয়, বরং ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধের বন্ধনকে সুদৃঢ় করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্ব নানা সংকট ও চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। যুদ্ধ, সংঘাত, হিংসা, বৈষম্য, অসহিষ্ণুতা ও নৈতিক অবক্ষয় মানুষের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনকে ব্যাহত করছে। এমন এক সময়ে মহানবীর (সা.) শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা, ক্ষমা ও মানবিকতার শিক্ষা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

তার জীবনাদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায়, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস, উগ্রতা ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে জ্ঞান, সৃজনশীলতা, নৈতিকতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের চেতনায় গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মহানবীর (সা.) জীবন ও আদর্শ তরুণদের সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে এবং সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে অনুপ্রাণিত করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবীর (সা.) শিক্ষা শুধু মুসলমানদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য নয়, মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশের ক্ষেত্রেও গভীর তাৎপর্য বহন করে। তার আদর্শ ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক আচরণে ধারণ করতে হবে।বাণীর শেষে মহান আল্লাহর কাছে মহানবী হজরত মুহাম্মদের (সা.) জীবনাদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণ করার তাওফিক কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে শান্তি, ন্যায়, সাম্য, সমৃদ্ধি ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠার প্রার্থনা করেন তিনি।পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ