বাংলাদেশের জাহাজ সেক্টরকে বিশ্বের দরবারে মর্যাদাপূর্ণ করতে নৌ সেক্টর সংস্কার জরুরী

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেরিন অফিসার্স এসোসিয়েশন (বিএমএমওএ) নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে স্বৈরাচারের দ্বারা নিগৃহীত মেরিন ক্যাপ্টেন শফিকুল্লাহকে নিয়োগ প্রদান করাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার দুপুরে নগরীর আগ্রাবাদে সংগঠনটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবিগুলো জানান।
বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ক্যাপ্টেন মো. আনাম চৌধুরী’র সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মো. শাখাওয়াত হোসেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সদস্য মেহেরুল করিম, ক্যাপ্টেম মালেক, আতাউল্লাহ খান, আতিক উল্ল্যাহ এবং এসোসিয়েশনের সদস্যবৃন্ধ।
সংগঠনটির পাঁচ দফা দবিগুলো বর্ণনা করে বক্তারা বলেন, গত জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশ স্বৈরাচারমুক্ত হলেও ফ্যাসিবাদী প্রশাসন ব্যবস্থা থেকে মুক্ত হতে পারেনি বাংলাদেশের নৌ-সেক্টর। ২০০৯ সালের মার্চ মাসে তৎকালীন মহাপরিচালক মেরিন ক্যাপ্টেন শফিকুল্লাহকে জামায়াতে ইসলামী ট্যাগ লাগিয়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তর মহাপরিচালক ও অজ্ঞাত মহলের নির্দেশনায় বিভিন্নভাবে দমন-পীড়ন ও কূটকৌশলের প্রয়োগ করে নৌ-সেক্টর ও বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। কাজেই আমাদের দাবি, বর্তমান নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে প্রত্যাহার করে এই পদে স্বৈরাচারের দ্বারা নিগৃহীত মেরিন ক্যাপ্টেন শফিকুল্লাহকে নিয়োগ প্রদান করতে হবে।
আইএমও কর্তৃক প্রবর্তিত প্রায় ৫০-এর অধিক মেরিটাইম কনভেনশনের কোন জ্ঞান ছাড়াই মেরিটাইম এডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান বনে যাওয়া সব কাজের কাজী কমোডর মাকসুদ নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরে পদোন্নতি যোগ্য ও নিয়োগযোগ্য প্রার্থী থাকা স্বত্ত্বেও সরকারকে উপযুক্ত কোন প্রার্থী নেই বলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেন। এছাড়া নৌ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদ চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার, চিফ ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভেয়ার, নটিক্যাল সার্ভেয়ার ও ডেপুটি নটিক্যাল সার্ভেয়ার পদ মন্ত্রণালয়ের অনীহা স্বত্ত্বেও মেরিনারদের বঞ্চিত করে ভিন্ন জায়গা থেকে অনুপযুক্ত লোক এনে পূরণ করার খেলায় মত্ত থাকেন। এতে বাংলাদেশের মেরিটাইম প্রশাসন আইএমওর প্রবর্তিত আইএমএসএএস অভিট পাস করতে পারবেনা। ফলে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ বিশ্বে চলতে পারবেনা। এতে মেরিনারদের বিশাল অংশ বেকার হয়ে পড়বে এবং দেশের সম্ভাবনাময় জাহাজ সেক্টরের মৃত্যু ঘটবে। তাই নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দ্বারা অন্য সেক্টর থেকে অনুপোযুক্ত লোক এনে মেরিন প্রশাসনকে ধ্বংস করার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র রুখতে হবে এবং উপযুক্ত প্রার্থীদের পদোন্নতি ও নিয়োগ প্রদান করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি বরিশালের কমান্ড্যান্ট নৌ বাহিনীর ক্যাপ্টেন আতিক তার পত্রের মাধ্যমে নিজেদের স্বৈরাচারী মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছেন। আইএমওর এসটিসিডব্লউ কনভেনশনের বিধান লঙ্ঘন করে তিনি সকল একাডেমির কমান্ড্যান্ট ও প্রফেশনাল প্রশিক্ষকের পদ নৌ-বাহিনী দ্বারা পূরণ করার দাবি জানিয়েছেন। এতে করে বাংলাদেশ আইএমওর ব্ল্যাক লিষ্টেড হয়ে যাবে। মেরিনাররা হারাবে চাকরি এবং সেই সাথে বাংলাদেশ হারাবে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা। তাই বরিশাল ও রংপুর মেরিন একাডেমির কমান্ড্যান্টকে অতিদ্রুত প্রত্যাবর্তন করে ওই পদে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নিয়োগসহ সকল প্রশিক্ষকের পদে নিয়োগবিধি মোতাবেক অতি সত্ত্বর উপযুক্ত জনবল নিয়োগ প্রদান করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের মেম্বার (হারবার) পদে পদোন্নতি যোগ্য উপযুক্ত প্রার্থীকে পদোন্নতি দেয়ার মাধ্যমে স্বৈরাচারী ব্যাবস্থার বিনাশ করতে হবে।
বিএমএমওএর দাবি, বাংলাদেশের জাহাজ সেক্টরকে বিশ্বের দরবারে মর্যাদাপূর্ণ করার লক্ষ্যে নৌ সেক্টরের সংস্কার, পুণর্গঠন ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় দেশ-বিদেশে সুনামের সাথে কাজ করা দক্ষ সিনিয়র মেরিনারদের সম্পৃক্ততা, অংশগ্রহণ ও পরামর্শ গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই দেশ গত ১৫ বছরে যতো অযাচীত ও অলাভজনক প্রকল্প হতে মুক্তি পাবে। সেই সাথে বর্তমান নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় উপদেষ্টাকে উল্লেখিত নৌ সেক্টরে সকল প্রশান্ত মহাসাগরীয় দূর্ণীতির তদন্ত করতে হবে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স এসোসিয়েশন শ্রম অধিদপ্তর, সমুদ্রগামী দেশি ও বিদেশি জাহাজে এবং স্থলে কর্মরত সকল বাংলাদেশি মেরিন অফিসারদের নিয়ে গঠিত একমাত্র ট্রেড ইউনিয়ন। এটি বাংলাদেশি মেরিন অফিসারদের একমাত্র পেশাগত সংগঠন যেখানে প্রায় ১২ হাজারের অধিক বাংলাদেশি মেরিন অফিসার ও ইঞ্জিনিয়ারের প্রতিনিধিত্ব করে থাকে, যারা বিশ্ব বাণিজ্য পরিবহনে সর্বদাই সম্মুখ যোদ্ধা।বাংলাদেশি নাবিক তথা মেরিনাররা দেশের জন্য বয়ে আনছেন প্রায় ৬৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উল্লেখ্য, বিগত ১৫ বছর ধরে মেরিন সেক্টরে নানাবিধ সমস্যার উদ্ভব হয়েছে, যা বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার পত্র প্রেরণ, সরাসরি সাক্ষাৎকার, সংবাদ সম্মেলন, পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক্স সংবাদ মাধ্যমের সহায়তায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচরে আনা হয়। কিন্তু বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো এখনও কার্যকরভাবে সমাধান হয়নি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের কয়েকটি হাসপাতালের পার্কিংয়ে ক্যান্টিন-ওষুধের দোকান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বেসরকারি হাসপাতাল ল্যানসেটে অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়ে। এতে দেখা যায়, আবাসিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা, পার্কিংয়ের জায়গায় বসেছে ক্যান্টিন ও ওষুধের দোকান, নেই বিকল্প অগ্নিনিরাপত্তা ও নির্গমন ব্যবস্থা। সোমবার (২৪ আগস্ট) বেসরকারি হাসপাতালের অনিয়ম তদন্তে যায় সংস্থাটি। শুধু ল্যানসেট নয়, শেভরণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আল হিদায়াহ স্কুলেও অভিযান চালিয়েছে সিডিএ। অভিযানে এসব প্রতিষ্ঠানে নকশা ও বিধিবিধান না মানার বিভিন্ন চিত্র উঠে আসে। অনিয়ম দূর করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক মাসের সময় দিয়েছে সংস্থাটি।

নগর পরিকল্পনাবিদ ও নাগরিকরা বলছেন, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা নকশাবহির্ভূত ব্যবহার দীর্ঘদিনের সমস্যা। বিশেষ করে হাসপাতালের পার্কিং ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জননিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই শুধু অভিযান নয়, নির্ধারিত সময় শেষে প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম মানছে কি না, তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং জরুরি।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম, হাসপাতালের পার্কিং ব্যবস্থার কারণে যানজট এবং নকশাবহির্ভূত ভবন ব্যবহারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়, অনিয়মের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আবাসিক ভবনে পরিচালিত হাসপাতালগুলোকে এক মাসের মধ্যে বিকল্প জায়গায় স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে আবাসিক ভবনে পরিচালিত একটি স্কুলকেও এক মাসের মধ্যে বিকল্প স্থানে যাওয়ার অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলোর কিছু পার্কিং-সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে তিন মাসের সময় দেওয়া হয়েছে।সিডিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, অভিযানের পর কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পার্কিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে। তবে এসব পরিবর্তন কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা দেখতে নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।

এদিকে ল্যানসেট হাসপাতালের পরিচালক মহসীন হোসেন বলেন, হাসপাতাল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন আমাদের রয়েছে। মানুষের সেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে। এখানে অনেক কর্মচারীর জীবিকা নির্ভরশীল। আমাদের লাইসেন্সসহ অন্যান্য অনুমোদনও আছে। তবে পার্কিংয়ের জায়গায় কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে। সিডিএ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা সরকারের সহযোগী হিসেবে তাদের নির্দেশনা মেনে প্রয়োজনীয় দুর্বলতা দূর করার চেষ্টা করব।

তিনি আরও বলেন, ভবনটি আবাসিক হিসেবে কীভাবে অনুমোদন পেয়েছে, সেটি ভবন মালিকের বিষয়। আমরা ভাড়াটিয়া হিসেবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছি। অতীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করেই বিভিন্ন অনুমোদন দিয়েছে। তবে সিডিএ এখন যেসব বিষয় চিহ্নিত করেছে, সেগুলো সমাধানে আমরা সহযোগিতা করব।
সিডিএ জানিয়েছে, এক মাসের সময়সীমা শেষে এসব প্রতিষ্ঠান পুনরায় পরিদর্শন করা হবে। নিয়ম না মানলে সিলগালা ও উচ্ছেদসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে নিলামে বিক্রি হচ্ছে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা ৪৪২ কনটেইনার পণ্য

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ৪৪২ কনটেইনার পণ্য ই-অকশনের মাধ্যমে নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। কাস্টমসের আগস্ট মাসের নিলাম কার্যক্রমে দুটি ই-অকশনের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এ ১০১ লটে ২৯০ কনটেইনার এবং ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এ ১০৯ লটে ১৫২ কনটেইনার রয়েছে। বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর ২৯০ কনটেইনারে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক বর্জ্য, চেস্ট ফ্রিজার, পাইপ, সুতা, কাপড়, সৌর মডিউল, বিভিন্ন ধরনের লবণ, কাগজ, টাইলস ও গৃহস্থালি পণ্য রয়েছে।

বন্দরের কনটেইনার জট কমানো, সক্ষমতা ও কর্ম উপযোগিতা বাড়ানো এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে এসব পণ্য নিলামে তোলা হচ্ছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।
জানা গেছে, এ নিলামে ৮৬টি পুরোনো খালি কনটেইনারও রাখা হয়েছে। এসব পণ্যের ক্ষেত্রে কোনো সংরক্ষিত মূল্য রাখা হয়নি।অন্যদিকে, ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর ১৫২ কনটেইনারে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপিটাল মেশিনারি, ফেব্রিক্স, পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার, কেমিক্যাল, এসির যন্ত্রাংশ, টাইলস, স্টেইনলেস স্টিল কয়েল, স্ক্যানার, ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট, এলিভেটর ও লবনসহ বিভিন্ন পণ্য।

কাস্টমস হাউস জানিয়েছে, পুরো নিলাম কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অফিস চলাকালে সরেজমিনে পরিদর্শন করা যাবে।আগ্রহী ক্রেতারা ২৭ আগস্ট থেকে অনলাইনে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন।

ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর শেষ সময় ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা।অনলাইন বিডিংয়ের সময় প্রস্তাবিত দর মূল্যের ন্যূনতম ১০ শতাংশ জামানতের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪-এর প্রযোজ্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পণ্য খালাস নিতে হবে। ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর দরপত্র ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর দরপত্র ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় উন্মুক্ত করা হবে।
কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, ই-অকশনের মাধ্যমে বন্দরে পড়ে থাকা অখালাসকৃত ও নিলামযোগ্য পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তির পাশাপাশি কনটেইনার জট কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বন্দরের ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ