চট্টগ্রামে সবজির বাজারে আগুন

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখিয়ে বাজারে এখনও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সবজি। কেজি প্রতি ১০০ টাকার নিচে তেমন কোন সবজি মিলছে না বললেই চলে। তবে বিপুল পরিমাণ আমদানির খবরে কমতে শুরু করেছে ডিমের দাম। ডজন প্রতি ডিম এখন ১৭৫/১৮০ টাকা থেকে কমে ১৬৫/১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বাজারে।
আজ শুক্রবার ( ১১ অক্টোবর) নগরীর অক্সিজেন, আতুরার ডিপো, বহদ্দারহাট, চকবাজার, বিবিরহাট, কর্ণফুলী কমপ্লেক্স, কাজীর দেউড়ি, চকবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বরবটি ১১০ থেকে ১২০, বেগুন ৯০-১০০, পেঁপে ৪০-৫০, কাঁকরোল ১০০-১২০, মিষ্টি কুমড়া ৫৫-৬০, টমেটো ২২০-২৪০, পটল ৬০-৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর বাইরে শসা ৭৫-৮০, শিম ১৮০-২০০, বাঁধাকপি ৬৫-৭০, আলু ৫৫-৬০, ঢেঁড়স ৭০, গাজর ১৬০, কাঁচা মরিচ ৩৮০-৪০০, চিচিঙ্গা ৭০, বিলেতি ধনিয়া পাতা ৪০০-৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে, পাইকারিতে দাম কমায় খুচরায় ও কমেছে পেঁয়াজের দাম। তবে পাইকারিতে আদা-রসুনের দাম কমলে ও খুচরায় বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে এই দুই পণ্য। এর মধ্যে পেঁয়াজ ১০০, রসুন ২৪০ এবং আদা ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। লইট্টা, তেলাপিয়া ও পাঙাস মাছের দাম কিছুটা কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে মাংসের দাম। নগরীতে লইট্টা ১৮০-২০০, পাঙাস ও তেলাপিয়া ১৮০-২৪০, নারকেলি ২০০, কাতল ৩২০-৩৫০, রুই ৩৫০-৩৮০, পোয়া ৩০০ এবং পাবদা ৩৮০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। তবে বাজারে এখনও বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সবধরনের মুরগি। দেশি ৫২০, সোনালি ৩৪০ এবং ব্রয়লার মুরগি ১৯০-১৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে চট্টগ্রামের বাজারে। এর বাইরে ৭৮০ থেকে ৯৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিদ্যুৎ সংকট কাটিয়ে উৎপাদনে ইপিজেডের ৫০১টি শিল্প প্লট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাহিদার সমান বিদ্যুৎ পেয়ে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় চট্টগ্রাম ইপিজেডের ৫০১টি শিল্প প্লটে। স্বস্তি ফিরেছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। এর আগে গ্যাস সংকটের কারণে প্রায় অচল হয়ে পড়ে ইপিজেডের নিজস্ব ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্র। ফলে পিডিবি থেকে পাওয়া ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিয়ে মেটানো যাচ্ছিল না চাহিদার অর্ধেকও। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল কারখানাগুলোতে। গত শনিবার থেকে ইপিজেডের চাহিদা অনুযায়ী ৬৫ থেকে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম ইপিজেডে কর্মসংস্থান প্রায় দুই লাখ মানুষের। এখানে আছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫০১টি শিল্প প্লট। বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, মালয়েশিয়া ও ভারতের বিনিয়োগকারীরা এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত।বছরে প্রায় ২৩৭ কোটি ৫৭ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয় ইপিজেড থেকে। প্রতি ডলার ১২৫ টাকা হিসাবে এর পরিমাণ প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা।চট্টগ্রাম ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে শনিবার থেকে সব শিল্প প্লট চাহিদা অনুযায়ী ৬৫ থেকে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছে। পুরো বিদ্যুৎই পিডিবি সরবরাহ করছে। এতে স্বাভাবিক হয়েছে উৎপাদন।

জানা গেছে, ইপিজেডের কারখানাগুলো পুরোদমে চালাতে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। এর মধ্যে ১৫ থেকে ১৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহার করে বেসরকারি ইউনাইটেড গ্রুপের ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা। গ্যাস সংকটের কারণে ওই কেন্দ্র থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছিল না। এ অবস্থায় ইপিজেড কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পিডিবি ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। বাকি ৩৫ মেগাওয়াট না পাওয়ায় ৫০১টি শিল্প প্লটে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিনিয়োগকারীরা সাপ্তাহিক ছুটি পরিবর্তন, কর্মঘণ্টা কমানো, ওভারটাইম বন্ধ এবং ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহারের মতো বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।

পিডিবি দক্ষিণ জোনের প্রধান কামাল উদ্দিন বললেন, চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুত দেয়ার সক্ষমতা আমার ছিল না। এরপরও আমি দেশের স্বার্থে বিকল্প চেষ্টা করেছি। সফলও হয়েছি। দেশের অগ্রাধিকার এই খাতে বিদ্যুত দিতে পেরে আমারও ভালো লাগছে।হেমপেল রি ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। উৎপাদন স্বাভাবিক করতে কারখানাগুলো পুরোদমে কাজে নেমেছে। এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হবে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১১৭ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের চলমান যুদ্ধের অস্থিরতায় দেশে জরুরি গ্যাসের চাহিদা পূরণে চারটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে সরকার যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১২ বছরে ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এছাড়া তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ছয় কার্গো এলএনজি কেনা হবে।

আজ বুধবার(১২ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন হয়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করেন।

ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যুক্তরাজ্যের ব্ল্যাককিউব ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কাছ থেকে দুই কার্গো এলএনজি প্রতি এমএমবিটিইউ ১৫ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার দরে এবং ওমানের ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসির কাছ থেকে দুই কার্গো এলএনজি জেকে এম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউ শূন্য দশমিক ৫৪ মার্কিন ডলার যোগ করে কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া হংকংয়ের ঝেনইউ শিপিং কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকে ২০২৬ সালে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। প্রতি এমএমবিটিইউ ১৪ দশমিক ৯৫ মার্কিন ডলার দরে এসব এলএনজি কেনার সুপারিশ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের গানভর ইউএসএ এলএলসির কাছ থেকে ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালে পাঁচ কার্গো, ২০২৭ সালে ছয় কার্গো এবং ২০২৮ সালে তিন কার্গো এলএনজি জেকে এম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউ শূন্য দশমিক শূন্য ৮৭৫ মার্কিন ডলার যোগ করে কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ২০২৮ সালে আরও তিন কার্গো এবং ২০২৯ থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর ১০ কার্গো করে এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব এলএনজির মূল্য নির্ধারণ করা হবে ১২১ শতাংশ এইচএইচ সূচকের সঙ্গে ৫ দশমিক ২০ মার্কিন ডলার যোগ করে।জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে বৈঠকে জানানো হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে জ্বালানির নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ