নেত্রকোনা গন হয়রানির বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান।

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল, নেত্রকোনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনায় নদী উদ্ধারের নামে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বেআইনি ও গন হয়রানিমূলক পরিমাপকার্য বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত ও স্বারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। নেত্রকোনার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এ কর্মসূচী পালন করা হয়।

নদী উদ্ধারের নামে জন হয়রানি বন্ধের দাবিতে নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাসের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, নেত্রকোনা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খালিদ সাইফুল্লাহ মুন্না, জেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাজমুশ শাহাদাৎ নাজু, সাহিত্য সমাজের সাধারণ সম্পাদক কবি তানভীর জাহান চৌধুরী, এবিএম আব্দুল ফরাজী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় কর্মচারী নদী উদ্ধারের নামে নেত্রকোনা পৌরসভাস্থ মগড়া নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের মালিকানাধীন বসতভিটা এবং দোকানপাটে অবৈধ অনুপ্রবেশপূর্বক বিনা নোটিশে সিএস নকশা মোতাবেক পরিমাপ কার্য পরিচালনা করছেন। এতে নদী তীরবর্তী সকল নাগরিকের মনে ব্যাপক আতঙ্ক এবং উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

নদী তীরবর্তী বসবাসকারী নাগরিকগণ সরকারি আইন মোতাবেক বিআরএস খতিয়ানের খাস খতিয়ান বা এরূপ সরকারি কোন জমি ব্যতীত ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি ক্রয় করে সেখানে বাড়িঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসছেন।

সরকার যেখানে বিআরএস খতিয়ান ছাড়া কোন খাজনা গ্রহণ করে না, জমা খারিজ অনুমোদন করে না, সম্পত্তি হস্তান্তর, ক্রয়-বিক্রয় অনুমোদন করে না সেই পরিস্থিতিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মচারীরা কিসের ভিত্তিতে দেশের প্রচলিত আইন লংঘন করে জনগণের ব্যক্তিগত সম্পত্তি সিএস নকশা মূলে পরিমাপ করার দুঃসাহস দেখায় এমন বক্তব্যই সকলের।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে আটকে রেখে মারধর, নগদ টাকা ও মালামাল ছিনতাই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মী এক যুবককে পথরোধ করে মারধর ও আটকে রেখে ৪০ হাজার টাকাসহ সাথে থাকা মালামাল ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে । গত ২১ আগষ্ট রাতের ঘটনায় ২৪ আগষ্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মো. শাকিল হোসেন (২৫) জানান,
গত ২১ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে হারিন্দা থেকে বাড়ি ফেরার পথে কাঞ্চন ব্রিজের নিচের নির্জন সড়কে পথরোধ করেন ব্রাহ্মণখালী এলাকার আফজাল (৩০), ইকবাল (২৫) ও অজ্ঞাত আরও দুই ব্যক্তি। পরে তাকে জোর করে পাশের একটি বাড়িতে আটকে রাখে। এ সময়

তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি, লাথি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এ সময় জোরপূর্বক তার সঙ্গে থাকা ৪০ হাজার টাকা এবং প্রায় ১০ হাজার টাকা মূল্যের একটি বিদেশি ঘড়ি নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ সময়
বিকাশের মাধ্যমে বড় ভাইয়ের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা গ্রহণের পর ছেড়ে দেয়া হয়। অভিযোগকারীর ধারণা, বিকাশের দোকান থেকেই তাকে অনুসরণ করা হয়ে থাকতে পারে।এ সময় ঘটনার বিষয়টি কাউকে জানালে বা মামলা করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এএইচএম সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনা তদন্ত চলছে।

পাবনা-ঢাকা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনের নামকরণ ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানালেন পাবনা শেকড় ফাউন্ডেশন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হতে যাওয়া ঢাকা–পাবনা সরাসরি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নাম ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানিয়েছে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন।একই সঙ্গে পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের প্রতিনিধিত্ব করে-এমন কোনো নাম বিবেচনারও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

গত শনিবার ২২ আগস্ট এক যৌথ বিবৃতিতে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন এর সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান খান এ দাবি জানান।বিবৃতিতে তারা বলেন, নানা প্রতিকূলতা, দীর্ঘদিনের দাবি ও অপেক্ষার পর ঢাকা–পাবনা সরাসরি ট্রেন চালুর উদ্যোগে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন। এই ট্রেন চালু হলে পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে পাবনার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। এ উদ্যোগের জন্য রেল মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তারা।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রে প্রস্তাবিত ট্রেনটির নাম ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ করা হয়েছে বলে প্রচারিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তারা এখনো পাননি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের নেতারা বলেন, একটি জেলার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগকারী আন্তঃনগর ট্রেনের নাম শুধু একটি আনুষ্ঠানিক পরিচয় নয়। এর সঙ্গে ওই জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, আত্মপরিচয় এবং মানুষের আবেগ জড়িয়ে থাকে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও প্রত্যাশার পর পাবনার জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনটির নামেও তাই পাবনার স্বতন্ত্র পরিচয়ের প্রতিফলন থাকা উচিত।

তাদের মতে, এ বিবেচনায় ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামটি সহজ, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও প্রতিনিধিত্বশীল। পাশাপাশি পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি কিংবা জেলার কৃতী ব্যক্তিত্বের নামেও ট্রেনটির নামকরণের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।বিবৃতিতে বলা হয়, পাবনাবাসীর ওপর কোনো নাম চাপিয়ে দেওয়া হলে ট্রেনটির সঙ্গে মানুষের প্রত্যাশিত আবেগ ও মালিকানাবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যে ট্রেনটি পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের ফল, সেটির নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রেও জেলার মানুষের মতামত ও অনুভূতির যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

‘সপ্তপদী’ নামের প্রসঙ্গে সংগঠনটি বলেছে, নামটি যদি কোনো বিশেষ ঐতিহাসিক বা সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রস্তাব করা হয়ে থাকে, তবুও পাবনার সঙ্গে এর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক কী—তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এবং জনমতের সংবেদনশীলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের নামকে কেন্দ্র করে যেন অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

তবে সংগঠনটি বলেছে, তারা কোনোভাবেই নতুন এই রেল যোগাযোগ কে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে দেখতে চায় না। বরং তাদের প্রত্যাশা, ঢাকা-পাবনা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনটি হবে পাবনার মানুষের গর্ব, পরিচয় ও ঐতিহ্যের প্রতীক।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামের দাবি কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক দলের দাবি নয়; এটি পাবনার মানুষের আত্মপরিচয় ও আবেগের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি দাবি। পাবনার মানুষের জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনের নামেও পাবনার মাটি, মানুষ, ইতিহাস ও গৌরবের প্রতিফলন থাকা উচিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ নামটি যদি কোনো প্রশাসনিক পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েও থাকে, তাহলে পাবনাবাসীর আবেগ, অনুভূতি ও আপত্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। এতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক, অসন্তোষ ও উত্তেজনা এড়ানো সম্ভব হবে।এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ট্রেনটির নাম চূড়ান্ত করে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, পাবনার ট্রেন -পাবনার পরিচয়ে। আমাদের প্রত্যাশা
পাবনা এক্সপ্রেস’।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ