বাংলাদেশ আইনের শাসনে ফিরে আসা শুরু হয়েছে: জামায়াত নেতা মুহাম্মদ শাহজাহান

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটিএম আজহারুল ইসলাম খালাস পাওয়ায় দোয়া ও শোকরানা মাহফিল করেছে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াত ইসলামী। এতে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, এ রায়ে প্রমাণ হল, পুরো মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে জামায়াত নেতাদের দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর দেওয়ান বাজারে নগর জামায়াতের কার্যালয়ে এ দোয়া ও শোকরানা মাহফিল হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, এ রায়ের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হল, টোটাল বিচারিক প্রক্রিয়াটা ন্যায়ভ্রস্ট ছিল, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে আমাদের শহিদ নেতাদেরকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। সেটি দুনিয়াবাসীর সামনে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মহান রব আমাদের প্রিয় নেতা আজহার ভাইকে জীবিত রেখেছিলেন। তার ওপর যে পরিমাণ মানসিক, শারীরিক নির্যাতন হয়েছে, এই নির্যাতনের মুখে একজন মানুষের বেঁচে থাকা দুষ্কর ছিল।

তিনি বলেন, আজহার ভাইয়ের খালাসের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আইনের শাসনে ফিরে আসা শুরু হয়েছে। বিচারাঙ্গন কলঙ্কমুক্ত হওয়া শুরু হয়েছে। সত্যের বিজয় আর মিথ্যার পরাজয় শুরু হয়েছে। আমাদের জন্য পহেলা জুন আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দলের যে অন্যায়ভাবে নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে, নিবন্ধনও আমরা ফিরে পাব ইনশল্লাহ। একইসঙ্গে ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকও ফিরে পেয়ে আমরা পার্লামেন্টে বিজয় অর্জন করে দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করবো ইনশল্লাহ।

সভাপতির বক্তব্যে নগর জামায়াতের আমীর শাহজাহান চৌধুরী বলেন, আল্লাহতালা আজহার ভাইকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আপীল বিভাগের মাধ্যমে। এ রায় শুনলে আজ সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ভাই। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ব্যারিস্টার রাজ্জাক ভাই যেভাবে মোকাবেলা করেছেন, আজ উনি সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন। কিন্তু উনি তো দুনিয়া থেকে চলে গেছেন।

তিনি বলেন, আমাদের নেতৃবৃন্দের যদি ফাঁসি না হতো, তাহলে সবাই আজহার ভাইয়ের মতো বেকসুর খালাস হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসতেন। নেতৃবৃন্দের ফাঁসির মাধ্যমে জামায়াত ইসলামীকে, এই বিশাল বাগানকে শূন্য করে দেয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। আমাদের ওপর এখন বিশাল দায়িত্ব। আজহার ভাই আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। পহেলা জুন আমাদের নিবন্ধনের রায় হবে। আমাদের হৃদয়ের মার্কা, আবেগের মার্কা, প্রাণের মার্কা দাঁড়িপাল্লা যাতে আমরা নিবন্ধনসহ ফেরত পাই, সেজন্য সবাই মিলে দোয়া করবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শহীদ মিনারের জায়গা দখলের চেষ্টা, বিএনপি নেতাকর্মীদের উচ্ছেদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে স্মৃতিসৌধের পশ্চিম পাশে ও শহীদ মিনারের সামনে বাংলাদেশ রেলওয়ের জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কথিত বিএনপি নেতা মো. সোহেল হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়। পরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কথিত অবৈধ দখল উচ্ছেদ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে মো. সোহেল হোসেন, পিতা মৃত বাবু হোসেন,সাং মসজিদপাড়া, ভাঙ্গুড়া সিএনজি স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় রেলওয়ের জায়গায় ঘর নির্মাণ করে দখলের চেষ্টা করেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।

স্থানীয়দের দাবি, রোববার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে আবারও গোপনে সেখানে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করা হয়। এলাকাবাসী বিষয়টি টের পেয়ে এগিয়ে গেলে সংশ্লিষ্টরা সেখান থেকে চলে যান। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতে আবারও ওই জায়গায় নির্মাণকাজ চালিয়ে দখলের চেষ্টা হতে পারে।সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙ্গুড়া বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্মৃতিসৌধের পাশে ও শহীদ মিনারের সামনে রেলওয়ের জায়গায় নির্মাণসামগ্রী পড়ে রয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয়টি উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীদের নজরে এলে ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্বাস আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. সাকলু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রিপন হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সুজন আহমেদ, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন, কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক বাইজিদ বোস্তামীসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দখল উচ্ছেদ করেন।

স্থানীয়রা বলেন, শহীদ মিনার ও স্মৃতিসৌধের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সামনে সরকারি জায়গা দখলের চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দখল উচ্ছেদ করায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে মো. সোহেল হোসেনের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে রশি ছিঁড়ে পাইলট আহত, বিদেশি জাহাজ আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে একটি বিদেশি জাহাজ থেকে পড়ে বন্দরের নিজস্ব পাইলট আহত হয়েছেন। ‘বক্স এনডেভার’ জাহাজ থেকে মই (ল্যাডার) বেয়ে নিচে নামার সময় রশি ছিঁড়ে নিচে পড়ে যান তিনি। আহত ব্যক্তির নাম ক্যাপ্টেন আ জ ম রবিউজ্জামান। গত শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে এ ঘটনার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ আগষ্ট) সকাল থেকে তদন্ত শুরু করেছে কমিটি।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, জাহাজের পাশে থাকা বোটে না পড়ে গভীর সাগরে পড়ে গেলে রবিউজ্জামানের মৃত্যুঝুঁকি ছিল। সৌভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে যান। ডান হাতে ও পিঠে আঘাত পেয়েছেন তিনি। তাকে বন্দর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দুর্ঘটনার পর জাহাজটি আটক করে বন্দরের বহির্নোঙরে চার্লি অ্যাংকরেজে নোঙর করে রাখা হয়েছে। বহির্নোঙর থেকে মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাঙ বন্দরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার কথা ছিল জাহাজটির। এ ঘটনায় দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগষ্ট) সকাল থেকে তদন্ত শুরু হয়।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ