নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের দাবি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি’প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বুধবার ৯ম বারের মতো জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উযদাপিত হয়ে আসেছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে চট্টগ্রামে বেসরকারী উন্নয়ন সংগঠন স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট, পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ-চট্টগ্রাম ও ক্যাব চট্টগ্রামের উ্দ্েযাগে নগরীর জামাল খান প্রেস ক্লাব চত্ত্বরে মানববন্ধন ও গণজমায়েতের আয়োজন করা হয়। পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ চট্টগ্রামের সভাপতি ও বিশিষ্ট কলামিস্ট মুহাম্মদ মুসা খানের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ও দৈনিক পূর্বদেশের বার্তা প্রধান আবু মোশারফ রাসেলের সঞ্চালনায় সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও ক্যাব চট্টগ্রামের সহ-সভাপতি এম নাসিরুল হক, ক্যাব বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, রাজনীতিবিদ মিটুল দাস গুপ্ত, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী রোটারিয়ান এস এম আজিজ, অপকার নির্বাহেী পরিচালক মোঃ আলমগীর,

জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাধারন সম্পাদক লায়লা ইয়াসমিন, অপরাজেয় বাংলাদেশ এর বিভাগীয় সমন্বয়কারী জিনাত আরা বেগম, পার্কের নির্বাহী পরিচালক নজরুল ইসলাম মান্না, বোয়ালখালী উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সাবেক সভাপতি নুর মোহাম্মদ চেয়ারম্যান, সাংবাদিক কমল চক্রবর্তী, ক্যাব সীতাকুন্ডের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন অনিক, এডাব চট্টগ্রামের বিভাগীয় সমন্বয়কারী মোঃ ফোরকান, জেলা সামাজিক উদ্যোক্তা পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক মোহাম্মদ জানে আলম, ক্যাব সদরঘাটের সভাপতি মোহাম্মদ শাহীন চৌধুরী, ক্যাব পাচলাইশের মাজেদ ভাষানী, যুব ক্যাব কর্নফুলী উপজেলা সভাপতি আরফিন সুমন, যুব ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক আমজাদুল হক আয়াজ, সদস্য মোঃ সালমান রশীদ, সমাজকর্মী, মুজিব উল্লাহ তুষার, অধিকার চট্টগ্রামের সমন্বয়ক সাংবাদিক ওসমান জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তরা বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে হলে সড়কের সাথে জড়িত সকল স্টেকহোল্ডারকে সম্মিলিতভাবে কাজ কতে হবে। সড়কে দুর্ঘটনার জন্য চালক ও হেলপার একা দায়ী নয়। এর সাথে যাত্রী, সড়কের অবকাঠামো, ফুটপাত দখল ও আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা দরকার। আইন প্রয়োগে ক্ষমতাসীন দল ও বড়লোকদের প্রতি আইনের আওতায় আনতে অনীহা ও বিমাতাসুলভ আচরন আইন মানতে সর্বসাধারণের অনাগ্রহী দায়ী।

বক্তরা আরও বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র একা সড়কে দখল ও ফুটপাত উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করছেন। কিন্তু সিটিকরপোরেশনের প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ, সিডিএ ও বিআরটিএসহ অন্যরা সেখানেই নাই। সেকারণে সকালে হকার উচ্ছেদ হলেও বিকালে আবার বসে যাচ্ছেন। ফলে যে লাউ সেউ কদু। পুরো চট্টগ্রাম নগরী যানজটের নগরীরতে পরিনত হলেও বিআরটিএ ও সিএমপি’র কোন মাথা ব্যাথা নাই। সড়কে প্রতিদিন শুধু চট্টগ্রামে বিপুল প্রাণহাণি ঘটলেও কারো কোন উদ্বেগ আছে, সেরকম দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। নগরীর নতুন ব্রীজ, কর্নেলহাট, বহদ্দারহাট, বিমানবন্দর সড়ক, হালিশহর, দেওয়ানহাটসহ অনেক এলাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটে লেগে আছে। ট্রাফিক বিভাগ এখানে পুরোপুরি নিস্কৃয়। শ্রমিক সংগঠনগুলো আগের মতো নতুন মোড়কে চাঁদা আদায়ে ব্যস্ত। সরকার পরিবর্তন হলেও ব্যবস্থা সেই আগের মতো।

বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সিস্টেম পরিবর্তন না হলে বাংলাদেশ ঠিক আগের অবস্থানেই থেকে যাবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আমুল পরিবর্তন করতে হবে। যাত্রীদেরকে ট্রাফিক আইন কানুণ জানাতে হবে। একই সাথে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। মোটরসাইকেলের চালকদের হেলমেট পরা নিশ্চিত ও আইনের কঠোর প্রতিপালনের বিষয়ে আরও কঠোর হবার বিকল্প নাই। প্রয়োজনে এসমস্ত চালকদের সাথে সচেতনতামুলক কার্যক্রম গ্রহন করতে হবে। একটি দুর্ঘটনা শুধু সাধারণ ঘটনা নয়, সারা জীবনের কান্না। তাই যে কোন দুর্ঘটনাকে সামান্য বলে চালিয়ে না দিয়ে দূর্ঘটনা প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহন করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, রোড ক্র্যাশ বা সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হচ্ছে বেপরোয়া বা অনিয়ন্ত্রিত গতিতে গাড়ি চালানো এবং মোটরসাইকেল চালানোর সময় হেলমেট ব্যবহার না করা। তাই ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ পরিহার করলে রোড ক্র্যাশের সম্ভাবনাও কমে যাবে। নিরাপদ বা নিয়ন্ত্রিত গতিই পারে সড়কে চলাচলরত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। সেইসঙ্গে সঠিক ও মানসম্মত হেলমেট-এর ব্যবহার মোটর সাইকেল চালক ও আরোহীর পথচলাকেও নিরাপদ করে তুলতে পারে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মার্গের সামনে নিহত ছাত্রী মাইশার মায়ের আহাজারি : ‘আমার মাইশা’ কই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মার্গের সামনে মাইশার মা সালমা বেগম কেবল চিৎকার করে বারবার ডাকছিলেন মেয়েকে। ‘আমার মাইশা, আমার ঝি। কখনো আহাজারি, কেন এমন হলো!’ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে চমেক হাসপাতালে শুধু সালমা বেগম নয়, মাইশার সহপাঠী শিক্ষার্থীরাও কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা কোনোভাবেই মাইশার এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছিলেন না।

মাইশা আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্রী। বাড়ি মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া এলাকায়। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করতেন। সকালে সীতাকুণ্ডের কুমিরায় ক্যাম্পাসের সামনে বাসচাপায় মারা যান। মাইশার সঙ্গে কিছুক্ষণ আগেও সহপাঠীদের কথা হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ কো-অর্ডিনেটর জাহেদ হোসেন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, ক্লাস বাতিল হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ফিরে যাচ্ছিলেন মাইশা ও তার এক বান্ধবী। বাসের জন্য দাঁড়িয়েছিলেন তারা। তাদের তোলার জন্য একটি বাস দাঁড়ায়। ওই মুহূর্তে পাশ থেকে একটি লরি বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি উল্টে দুই শিক্ষার্থীর গায়ের ওপর পড়ে। হাসপাতালে মাইশাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

মাইশার বান্ধবী রাজিয়া বেগম সামান্য চোট পেয়েছেন। তার বাড়িও মিরসরাইয়ে। কিন্তু এমন ঘটনায় রাজিয়া হতভম্ব। তাকে ফেনীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মিরসরাই থেকে হাসপাতালে ছুটে আসেন মা সালমা বেগম। তিনি এসে দেখেন সব শেষ। এরপর আহাজারি করতে থাকেন সালমা বেগম।

কয়েক বছর আগে মাইশার বাবা মারা যান। দুই ভাইবোনের মধ্যে মাইশা বড়। নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। পড়ালেখা শেষ করে মা ও একমাত্র ভাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে গেল একটি সড়ক দুর্ঘটনায়। মাইশার মা কীভাবে নিজেকে সান্ত্বনা দেবেন।

এদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের অবরোধ চলছে। দুপুর দেড়টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবরোধ চলছিল। শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ছাত্রী দূর্ঘটনায় মৃত্যু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সড়ক দুর্ঘটনায় আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিরা এলাকা অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাস্তা পারাপারের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ফটকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় মাইশা মুশফিরাত (২১) নামে এক শিক্ষার্থী মারা যান। আহত হন তার দুই সহপাঠী।নিহত মাইশা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। আহত দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
স্থানীয়দের বরাতে বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট শফিউল আলম জানান, সকালে দুটি লরি পরস্পরকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়। একটি লরি ৮ নম্বর রুটের একটি লোকাল বাসকে ধাক্কা দিলে বাসটি উল্টে গিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তিন শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। তাদেরকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে মাইশাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান ইভা জানান, দুর্ঘটনার শিকার তিন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য সকালে ক্যাম্পাসে আসছিলেন।সার্জেন্ট শফিউল জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িত দুটি লরি এবং বাস জব্দ করা হয়েছে।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক ওই শিক্ষার্থীকে মৃত ঘোষণা করেন।এদিকে দুর্ঘটনার খবর জানার পর প্রতিবাদে মহাসড়কের দুই পাশ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ফলে দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অবরোধের কারণে উভয়পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে।

এ সময় পাঁচদফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সেগুলো হলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চালককে গ্রেপ্তার, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, ডিপোর অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা, ক্যাম্পাস ফটকে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ