শহরে কোনো ধরনের বিলবোর্ড থাকবে না : মেয়র ডা. শাহাদাত।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্ছেদে অংশ নিয়ে নগরীতে কোনোর ধরনের বিলবোর্ড থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর কাজীর দেউড়ি মোড়ে উচ্ছেদ অভিযানকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো ধরনের বিলবোর্ড শহরে থাকবে না। নির্বাচনকালীন কেউ আমাদের সাথে কথা না বলে করে ফেলেছে। এ সময় চট্টগ্রাম নগরীকে পরিকল্পিত, দৃষ্টিনন্দন ও পরিচ্ছন্ন মহানগর হিসেবে গড়ে তুলতে বিলবোর্ড ও অবৈধ বিজ্ঞাপন স্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, নগরজুড়ে অনুমোদনহীন বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার অপসারণে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রামকে বিলবোর্ডমুক্ত করা হবে। চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেরেন।

এদিন নগরের কাজীর দেউরীতে অবৈধ বিলবোর্ড উচ্ছেদের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযান শুরু হয়। সিটি কর্পোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট টিম, প্রকৌশল বিভাগ, পরিচ্ছন্নতা বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদন ছাড়াই স্থাপিত বিভিন্ন আকারের বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার অপসারণ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে সড়কের দৃশ্যমানতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল, ট্রাফিক সিগন্যাল ও সাইনবোর্ড আড়াল হয়ে যাচ্ছিল এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

উচ্ছেদ কার্যক্রমের ফলে মোড়টির দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
অভিযান পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, চট্টগ্রাম শহরকে বিলবোর্ডের জঞ্জাল থেকে মুক্ত করতে আমরা সমন্বিত ও ধারাবাহিক উদ্যোগ নিয়েছি। নগরীর সৌন্দর্য রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের অগ্রাধিকার। অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিলবোর্ড স্থাপন করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত নীতিমালা ও অনুমোদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই বিজ্ঞাপন স্থাপন করতে হবে। অন্যথায় নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ অব্যাহত থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোয়েব উদ্দিন খান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ, উম্মে কুলসুম, শাহরীন ফেরদৌসী, রক্তিম চৌধুরী, প্রণয় চাকমা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিদ্যুৎ সরবরাহ ও উৎপাদন খাতে আগের সরকারের রেখে যাওয়া বকেয়া প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিদ্যুৎ সরবরাহ ও উৎপাদন খাতে আগের ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রেখে যাওয়া প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া বর্তমান সরকারের জন্য বড় আর্থিক চাপ তৈরি করেছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বুধবার (২৬ আগস্ট) বগুড়ার শিবগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

সমাজ আছে, মানুষ আছে—শুধু কোথায় যেন হারিয়ে গেছে মানবিকতা?

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মানুষ সামাজিক জীব। পরিবার, আত্মীয়তা, প্রতিবেশী ও পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়েই মানুষের সামাজিক জীবন গড়ে ওঠে। একে অপরের সুখে আনন্দিত হওয়া, দুঃখে পাশে দাঁড়ানো এবং বিপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াই ছিল আমাদের সামাজিকতার অন্যতম সৌন্দর্য। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চিত্র যেন অনেকটাই বদলে যাচ্ছে। মানুষের মধ্যে বাড়ছে অসহিষ্ণুতা, হিংসা, ঈর্ষা ও আত্মকেন্দ্রিকতা।

আজ একজনের উন্নতি অন্যজনের আনন্দের কারণ হওয়ার পরিবর্তে অনেক সময় ঈর্ষার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কেউ ভালো কিছু করলে তাকে উৎসাহ দেওয়ার বদলে তার সফলতার পেছনে নেতিবাচক কারণ খোঁজা হয়। অন্যের ভালো থাকা যেন অনেকের কাছেই নিজের ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে।

একটি এলাকার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মাধ্যমেই সুন্দর সমাজ গড়ে ওঠে। কিন্তু এখন এমনও দেখা যায়, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়াতে গিয়ে কিংবা সামাজিক কোনো কাজে এগিয়ে এসে উল্টো নিজের সম্মান ও ইজ্জত নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। তাহলে মানুষ একসময় অন্যের পাশে দাঁড়ানোর আগ্রহটাই হারিয়ে ফেলবে। আর তখন সমাজে মানুষের সংখ্যা বাড়লেও কমতে থাকবে মানবিকতা।

ভালো মানুষ প্রয়োজন, কিন্তু ভালো মানুষ তৈরি হয় একটি সুন্দর সামাজিক পরিবেশে। যেখানে সত্য কথা বললে অপমানিত হতে হয়, অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে শত্রু তৈরি হয় এবং মানুষের উপকার করতে গেলেও সমালোচনার শিকার হতে হয়—সেখানে অনেক ভালো মানুষও একসময় নীরব হয়ে যায়।

আমাদের মনে রাখতে হবে, অর্থ-সম্পদ কিংবা সামাজিক অবস্থান দিয়ে মানুষের প্রকৃত পরিচয় নির্ধারিত হয় না। একজন মানুষ কতটা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, কতটা সহানুভূতিশীল হয়েছে এবং অন্যের সম্মান কতটা রক্ষা করেছে—সেখানেই তার প্রকৃত পরিচয়।

সমাজকে সুন্দর করতে হলে আগে আমাদের নিজেদের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে। অন্যের সাফল্যে আনন্দিত হতে হবে, বিপদে পাশে দাঁড়াতে হবে এবং অকারণে কারও সম্মানহানি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ সমাজ বদলের শুরুটা অন্য কারও কাছ থেকে নয়, শুরুটা হতে হয় নিজের কাছ থেকেই।

খুব ইচ্ছে করে—মসজিদে আজানের ধ্বনি শুনে মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ি। এরপর বাবার কবরে কিছুক্ষণ বসি, নীরবে কথা বলি, তারপর কবরের পাশে একটু হাঁটাহাঁটি করি। বাবা নেই, কিন্তু তাঁর স্মৃতি, তাঁর ভালোবাসা আর তাঁর রেখে যাওয়া শূন্যতা প্রতিটি মুহূর্তেই অনুভব করি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ