শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সেপ্টেম্বরে শেষে হচ্ছে ৫ র‌্যাম্পের কাজ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরের শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ৫ র‌্যাম্পের কাজ সেপ্টেম্বরে শেষ হবে বলে জানা গেছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত সাড়ে ১৫ কিলোমিটার। এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন অংশে ৯টি র‌্যাম্প নির্মাণে কাজ করছে চউক। এর মধ্যে ৩টির কাজ পুরোপুরি শেষ। শুধুমাত্র আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ের র‌্যাম্পের কাজ শুরু হয়নি। বাকি ৫ র‌্যাম্পের কাজ সেপ্টেম্বরে শেষ হবে বলে আশা করছে চউক।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান-২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করা হয়। তবে মূল অংশে পরীক্ষামূলকভাবে গাড়ি চলাচল শুরু হয় গত বছরের আগস্টের শেষ সপ্তাহে। আনুষ্ঠানিকভাবে টোল পরিশোধের মাধ্যমে গাড়ি চলাচল করছে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে। তবে ৯টি র‌্যাম্প চালুর কথা থাকলেও সেগুলো না হওয়ায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ব্যবহার বাড়ছে না। প্রত্যাশিত টোলও পাওয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে র‌্যাম্প নির্মাণকাজ দ্রুততার সঙ্গে শেষ করতে চায় চউক।

জানা গেছে, জিইসির র‌্যাম্পের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ৮৫ শতাংশ। ওয়াসা মোড় এলাকায় ওয়াসার একটি রেগুলেটর রয়েছে। এটি সরাতে আরো ১০ দিন সময় লাগবে। এছাড়া এই র‌্যাম্পের জিইসি এলাকায় ৬টি দোকান অপসারণ করতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৩টি দোকান অপসারণ করা হয়েছে। এছাড়াও জিইসি অংশে একটি বিদ্যুতের খুঁটিও রয়েছে। যার কারণে র‌্যাম্পের কাজে সময় লাগছে বলে জানিয়েছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১১ জুলাই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। দুই দফা ব্যয় বৃদ্ধির পর এখন খরচ হচ্ছে ৪ হাজার ৩১৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। তিন বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের কাজ ২০২০ সালের জুনে শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু কাজই শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে। তিন দফা সময় বাড়িয়ে প্রকল্পের মেয়াদ বর্ধিত করা হয়েছে ২০২৬-এর জুন পর্যন্ত।

চউক সূত্রে জানা গেছে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ১৫টি র‌্যাম্প নির্মাণ করার কথা ছিল। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে ৬টি র‌্যাম্প বাদ দেওয়া হয়। ৯টির মধ্যে নিমতলা মোড়ে ওঠানামার দুটি র‌্যাম্প, টাইগারপাসে আমবাগানমুখী নামার একটি র‌্যাম্পের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে। ফকিরহাটে নামার একটি র‌্যাম্পের কাজ প্রায় ৯৩ শতাংশ শেষ হয়েছে। রেলওয়ে থেকে জায়গা বুঝে না পাওয়ায় আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ে পতেঙ্গামুখী ওঠার র‌্যাম্পের কাজ এখনো শুরু করা যায়নি। জিইসি মোড়ে ওঠার র‌্যাম্পের নির্মাণকাজ প্রায় ৮৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। চট্টগ্রাম ইপিজেডের সামনে ওঠানামার দুটি র‌্যাম্পের কাজ প্রায় ৭৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। কর্ণফুলী ইপিজেডের সামনে ওঠার র‌্যাম্পের কাজ ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

চউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম বলেন, ডেবারপাড়ের র‌্যাম্প নির্মাণের বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। রেলওয়ে থেকে ভূমি পেলে আমরা ওই র‌্যাম্পের নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করতে পারবো।এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, ৯টি র‌্যাম্পের মধ্যে ৩টির কাজ পুরোপুরি শেষ। শুধুমাত্র আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ের র‌্যাম্পটির কাজ শুরু হয়নি। বাকি র‌্যাম্পের কাজও অনেক এগিয়েছে। আমরা আশা করছি, সেপ্টেম্বরের মধ্যে চলমান র‌্যাম্পের কাজ শেষ হয়ে যাবে।তিনি আরো বলেন, আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ের র‌্যাম্প নির্মাণের জন্য রেলওয়ে আমাদের এখনো জমি বুঝিয়ে দেয়নি। জমি বুঝে পেলে আমরা কাজ শুরু করতে পারবো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আক্তার হোসেন বন্দর চেয়ারম্যান, নৌবাহিনীতে ফেরত যাচ্ছেন মনিরুজ্জামান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানকে বদলি করে নিজ কর্মস্থল নৌবাহিনীতে ফেরত পাঠানোর আদেশ হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণাালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ-আলম ১৬ আগস্ট এই আদেশ দেন। একই আদেশে রিয়ার অ্যাডমিরাল খন্দকার আক্তার হোসেনকে বন্দর চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমন একসময়ে এই আদেশ দেওয়া হলো যখন রিয়ার অ্যাডমিরাল মনিরুজ্জামান নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করতে সরকারের তিন মন্ত্রীর সঙ্গে মোংলায় ছিলেন। তিনি এখনো চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মস্থলে ফেরেননি। তার অধস্তন কর্মকর্তারাও বিষয়টি জানেন না।

নৌবাহিনী থেকে ফেরত নিতে আদেশ আসে ১২ আগস্ট। এরপর ১৩ আগস্ট সেটি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে যায়। সেই আদেশেই বন্দরে নতুন চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের জন্য রিয়ার অ্যাডমিরাল খন্দকার আক্তার হোসেনকে প্রস্তাব দেওয়া হয়। এরপর ১৬ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে নতুন চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের জন্য নাম প্রস্তাব করে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে।
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া সরাসরি জবাব না দিয়ে আগামীর সময়কে জানালেন, নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকেই আসবে। তখন জানবেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ-আলম এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের মধ্যেই নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের আদেশ নৌ মন্ত্রণালয় ও চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেন রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান। দুই বছরের বেশি সময় দায়িত্ব থাকাকালে তিনি সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হন নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার তৎপরতা নিয়ে। চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী, বন্দর শ্রমিক-কর্মচারীর আন্দোলন ও ধর্মঘট উপেক্ষা করে তিনি অন্তর্র্বতী সরকারের আমলে এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়া চূড়ান্ত করে ফেলেন। সে সময় প্রায় তিন দিন দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন বন্দর অচল ছিল। তখন দেশ জুড়ে হইচই পড়ে যায়। বন্দর ব্যবহারকারীদের তোপের মুখে পড়েন বন্দর চেয়ারম্যান। ২০০৯ সালের পর তার আমলেই চট্টগ্রাম বন্দর অচলের ঘটনা নজিরবিহীন।

তার সময়ে এনসিটির পাশাপাশি চিটাগাং কন্টেইনার টার্মিনালও বিদেশিদের দেওয়ার তোড়জোড় চলে। ডিপিএম পদ্ধতিতে প্রচুর প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন বন্দর শ্রমিকরা। তার সময়ে বন্দর শ্রমিক-কর্মচারীরা তটস্থ ছিলেন।চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, এই চেয়ারম্যান বন্দরকে বিদেশি বেনিয়াদের দেওয়া রুখতে গিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন। জেলে ঢুকিয়েছেন। আশা করব নতুন চেয়ারম্যান বিদেশিদের কাছে বন্দর দেওয়া রুখতে দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো পদক্ষেপ নেবেন না। মামলা প্রত্যাহার করবেন।

রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে চীন থেকে ছয়টি জাহাজ কেনার প্রক্রিয়ায় একই মূল্যে মাত্র চারটি জাহাজ ক্রয়ের মাধ্যমে সরকারের প্রায় ৪৮৩-৫০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি ও অনিয়ম অভিযোগের তদন্ত করছে দুদক। তার আমলেই বন্দর থেকে আড়াইশ পণ্যভর্তি কন্টেইনার গায়েবের ঘটনা ঘটে। যার কোনো সুরাহা হয়নি।

টানা বৃষ্টিতে আবার ডুবল সড়ক-অলিগলি, নগরজীবনে দূর্ভোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাতভর বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে রাতভর বৃষ্টিপাত হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় এসব এলাকায় দুর্ভোগে পড়েন অফিসগামী মানুষসহ পথচারীরা। এই বৃষ্টি বৃষ্টি কারও বাসা ডুবিয়েছে, কারও যাত্রাভঙ্গের কারণ হয়েছে। শিক্ষার্থী ও অফিসগামীদের ভোগান্তি বেড়েছে।

দোকানপাট ও বাসাবাড়িতে জলাবদ্ধতার কারণে দুর্ভোগ আরও চরমে পৌঁছেছে। কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই অকস্মাৎ এই ভারী বর্ষণ। আবহাওয়া অফিসের ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা এসেছে নগর ডোবার পর সোমবার (১৭ আগষ্ট) সকালে। তার আগেই রবিবার রাত থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। সোমবার সকাল ৬টা থেকে ছয় ঘণ্টায় ১৩৭ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রামে। ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে ভারী বৃষ্টি আখ্যায়িত করা হয়। ৮৮ মিলিমিটারের বেশি হলে তাকে অতি ভারী বৃষ্টি ধরা হয় বলে আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তায় জানানো হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে সড়ক। এতে ভোগান্তিতে পড়ে অফিসগামী মানুষ ও স্কুলশিক্ষার্থীরা। জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় বড় প্রকল্প চললেও বৃষ্টিতে বারবার নগর ডুবে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে। রোববার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে সোমবার(১৭ আগষ্ট) সকালে নগরের কাতালগঞ্জ, পাঁচলাইশ, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, পাঠানটুলী ও কাপাসগোলাসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। মূল সড়ক থেকে অলিগলি পর্যন্ত পানি ওঠায় এসব এলাকার বাসিন্দারা পানিবন্দি হয়ে পড়েন।

সকালে সরেজমিন নগরের কাতালগঞ্জ এলাকায় দেখা যায়, সড়কটি কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে। হুড তোলা ও পলিথিনে ঢাকা একটি রিকশায় যাত্রী নিয়ে চালক বুকসমান পানি ঠেলে এগিয়ে যাচ্ছেন। রিকশার চাকা পুরোপুরি পানিতে ডুবে থাকায় পানি উঠেছে চালকের কোমর পর্যন্ত। মূল সড়কের একাংশ ও আবাসিক ভবনের সামনের গলি পানির নিচে থাকায় কোথায় সড়ক আর কোথায় গলি, তা বোঝার উপায় ছিল না। অদূরে এক পথচারীকেও কোমরপানি ভেঙে হেঁটে যেতে দেখা যায়।

পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার ১ নাম্বার সড়কেও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানকার আল হিদায়াহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও আল রাওয়া ইংলিশ স্কুলের প্রবেশপথ পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে ছিল। ফলে সকালে শিক্ষার্থীদের তেমন দেখা যায়নি। সড়কে যানবাহন চলাচলও প্রায় বন্ধ ছিল। এক রিকশাচালককে যাত্রী নিয়ে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে রিকশা টেনে নিতে দেখা যায়।

পাঁচলাইশ ও কাতালগঞ্জের পাশাপাশি আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, পাঠানটুলী ও কাপাসগোলাসহ নগরের বিভিন্ন নিচু এলাকায়ও পানি জমেছে। মূল সড়ক থেকে অলিগলি পর্যন্ত পানি ওঠায় এসব এলাকার বাসিন্দারা পানিবন্দি হয়ে পড়েন।জলাবদ্ধতার কারণে সকাল থেকে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। গণপরিবহন ও রিকশা না পেয়ে অনেককে বৃষ্টির মধ্যে হেঁটেই গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও রিকশা চললেও বাড়তি ভাড়া গুনতে হয়েছে যাত্রীদের।

আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় হাঁটুপানি ভেঙে অফিসে যাচ্ছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী শফিকুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই আগ্রাবাদের রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। রবিবার রাত থেকে টানা বৃষ্টি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। রাস্তায় যানবাহন না থাকায় এবং দু-একটি রিকশা তিন গুণ বেশি ভাড়া চাওয়ায় শেষ পর্যন্ত হেঁটেই অফিসে যেতে হয়েছে তাকে।
নগরের বিভিন্ন স্কুলের সামনেও পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। এতে অনেক অভিভাবক শিশুদের নিয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে আটকে পড়েন। পরিবহন-সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে যেতে পারেনি।

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এরপরও টানা বৃষ্টিতে নগরের বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে জলাবদ্ধতা নিরসনে নেওয়া এসব প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়ে।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ